IoT-তে কর্মজীবন (ইন্টারনেট অফ থিংস)-31

IoT-তে কর্মজীবন (ইন্টারনেট অফ থিংস)

পরবর্তী পাঁচ বছরে, আমরা অনুমান করতে পারি যে বিশ্বব্যাপী কর্মীবাহিনী প্রায় 149 মিলিয়ন নতুন প্রযুক্তি-ভিত্তিক চাকরি গ্রহণ করতে পারে। এই পূর্বাভাসের সবচেয়ে বড় একক শেয়ারের জন্য সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট অ্যাকাউন্ট। 1G থেকে 5G-তে অগ্রসর হতে আমাদের মাত্র 40 বছর লেগেছে, এবং, 2030 সালের মধ্যে, বিশ্ব 6G গ্রহণ করবে যা ইতিমধ্যে আন্তঃসংযুক্ত বিশ্বের আরও উন্নত সংযুক্ত সমাধান নিয়ে আসবে! বেশিরভাগ নতুন প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ইন্টারনেটের উপর নির্ভর করে, এবং, ইন্টারনেট অফ থিংস প্রযুক্তি উদ্ভাবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।

IoT কি?

IoT, সাধারণ মানুষের শর্তে, জিনিসগুলিকে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত করা এবং আপনার অবস্থান নির্বিশেষে যেকোনো পরিস্থিতিতে কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ বা নিরীক্ষণ করতে সক্ষম হওয়া। 5G বিকাশের অধীনে, ইন্টারনেট অফ থিংসের চাকরিগুলি শীঘ্রই হটকেকের মতো বিক্রি হবে বলে আশা করা হচ্ছে৷ 

ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) সেন্সর, প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা, সফ্টওয়্যার এবং অন্যান্য প্রযুক্তির সাথে ভৌত বস্তু (বা এই জাতীয় বস্তুর গোষ্ঠী) বর্ণনা করে যা ইন্টারনেট বা অন্যান্য যোগাযোগ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অন্যান্য ডিভাইস এবং সিস্টেমের সাথে সংযোগ এবং ডেটা বিনিময় করে। ইন্টারনেট অফ থিংস একটি ভুল নাম হিসাবে বিবেচিত হয়েছে কারণ ডিভাইসগুলিকে সর্বজনীন ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত করার প্রয়োজন নেই, তাদের শুধুমাত্র একটি নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত থাকতে হবে এবং পৃথকভাবে ঠিকানাযোগ্য হতে হবে।

অ্যাপলিকেশন:

  • Smart Homes
  • Smart City
  • Self-driven Cars
  • IoT Retail Shops
  • Farming
  • Wearables
  • Smart Grids
  • Industrial Internet
  • Telehealth
  • Smart Supply-chain Management
  • Traffic management
  • Water and Waste management

IoT চাকরি এবং কাজের ভূমিকা বিভিন্ন ধরনের কি?

  1. ক্লাউড ইঞ্জিনিয়ার – এটি একটি কাজের ভূমিকা যেখানে একজন ব্যক্তিকে IoT ডিভাইসগুলি থেকে ডেটা সংগ্রহ করতে মিডলওয়্যার এবং NoSQL ডাটাবেস স্থাপন এবং স্থাপন করতে হবে।
  1. ডিজাইনার – CAD ডিজাইনাররা IoT শিল্পকে পরিধানযোগ্য যন্ত্রের মতো ডিভাইসটিকে আরও ভালোভাবে ডিজাইন করতে সাহায্য করতে পারে।
  1. ম্যাটেরিয়াল স্পেশালিস্ট – এই কাজের ভূমিকায় থাকা লোকেরা বুঝতে এবং খুঁজে বের করতে পারে যে কোন উপাদান ব্যবহার করা উচিত যা এতে একটি সেন্সর এম্বেড করতে পারে।
  1. এমবেডেড ইঞ্জিনিয়ার – এই ইঞ্জিনিয়াররা এমবেডেড ডিভাইসগুলির সফ্টওয়্যার তৈরি এবং বাস্তবায়নের জন্য দায়ী।
  1. নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার – যারা একটি কম্পিউটিং নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করতে বা একটি উপযুক্ত গেটওয়ে বেছে নিতে এবং আরও অনেক কিছু করতে সহায়তা করে।
  1. ডেটা সায়েন্টিস্ট – তারা ইন-মেমরি কম্পিউটিং বা ব্যাচ প্রসেসিং ব্যবহার করে সংগৃহীত ডেটা বিশ্লেষণ করতে এবং এটিকে দরকারী তথ্যে রূপান্তর করতে সহায়তা করে।
  1. ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশন বিশেষজ্ঞ – এই প্রোফাইলগুলির কাজ হল তথ্যগুলিকে আরও বোধগম্য করার জন্য একটি ভিজ্যুয়াল পদ্ধতিতে উপস্থাপন করা।

একটি IoT Specialist হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় উল্লেখযোগ্য দক্ষতা: 

  1. এমবেডেড-সি/সি++ এবং পাইথনের মতো একাধিক প্রোগ্রামিং ভাষার সাথে কোডিং অনুশীলন করা। বেশ কিছু ক্ষেত্রে, লোকেদের ডিএসএ দক্ষতার অভাব রয়েছে এবং তাই গ্রেট লার্নিং ইন ডিএসএ, GeeksForGeeks এর DSA স্ব-শিক্ষা কোর্স এবং আরও অনেক কিছুর মতো কোর্সগুলি বেছে নিতে পারে।
  2. লিনাক্স-ওএস এবং ফাইল পরিচালনা/ব্যবস্থাপনা এবং প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন প্রক্রিয়া বোঝা অনেক সাহায্য করতে পারে।
  3. 32-বিট ARM কর্টেক্স M3/M4 কন্ট্রোলারের সাথে কাজ করার জন্য আপনার গভীর প্রযুক্তিগত জ্ঞান থাকা উচিত।
  4. জিগবি বা থ্রেড বা BLE-মেশের মতো ওয়্যারলেস স্ট্যাকের সাথে কাজ করার পূর্ব অভিজ্ঞতা এবং RTOS এবং নন-RTOS প্ল্যাটফর্মে পরীক্ষা-চালিত পদ্ধতি ব্যবহার করে এমবেডেড পরিবেশে ব্যবসায়িক যুক্তি লেখার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ জ্ঞান থাকতে হবে।
  5. আপনার I2C, SPI, 1-wire, UART, MODBUS, DALI সহ যোগাযোগ প্রোটোকলগুলিতে দক্ষ হতে হবে এবং আপনার চমৎকার যোগাযোগ, সমস্যা সমাধান এবং বিশ্লেষণাত্মক চিন্তা করার ক্ষমতা থাকতে হবে।

একজন IOT ইঞ্জিনিয়ারের জন্য আনুমানিক মোট বেতন হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর $114,445, যার গড় বেতন $97,468। আনুমানিক অতিরিক্ত বেতন প্রতি বছর $16,977। অতিরিক্ত বেতনের মধ্যে নগদ বোনাস, কমিশন, টিপস এবং লাভ ভাগাভাগি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। এই ভূমিকার জন্য উপলব্ধ সমস্ত বেতন ডেটার 25 তম এবং 75 তম শতাংশের মধ্যে বিদ্যমান মানগুলিকে “সবচেয়ে সম্ভাব্য পরিসর” উপস্থাপন করে।

কে এইচ মেহেদি হাসান

ইন্সট্রাক্টর

ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট

থ্রি-ওয়ে লাভ অব ক্যাপাসিটর-29

থ্রি-ওয়ে লাভ অব ক্যাপাসিটর

এটি মূলত একটি ত্রিকোণ প্রেমের গল্প। যেখানে প্রেমিকার নাম ক্যাপাসিটর আর দুই প্রেমিকের নাম এসি এবং ডিসি। এসি এবং ডিসি দুজনেই ক্যাপাসিটরকে ভালবাসে। অর্থাৎ, তার কাছে যেতে চায়। কিন্তু নায়িকা ক্যাপাসিটর গ্রহণ করে একজনকেই যার নাম এসি। ওদিকে ডিসি বেচারা তো হায়হুতাশই শুরু করে দিল ক্যাপাসিটরকে না পেয়ে। কেন তার প্রতি এই অবিচার। চলুন জেনে নেয়া যাক।

ক্যাপাসিটর কেন ডিসিকে বাধা দেয় এবং এসি প্রবাহকে যেতে দেয়?

কোন ক্যাপাসিটিভ সার্কিটে যখন ডিসি সোর্স এপ্লাই করার হয় তখন তা ওপেন সার্কিটের ন্যায় আচরণ করে। অর্থাৎ সার্কিটের ক্যাপাসিটিভ রিয়েক্ট্যান্স অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায়। আহারে!! ক্যাপাসিটরের মনে ডিসির জন্য কি ঘৃণাটাই না জন্মেছে। এই কথার গাণিতিক প্রমাণ দেয়া যাক। আমরা জানি, ডিসি প্রবাহে কোন ছন্দ নেই। সোজা সরল প্রবাহ। আর সরল মানুষেরই আসলে জগতে দাম নাই। এক্ষেত্রে, ফ্রিকুয়েন্সি f = 0


আমরা জানি, কোন ক্যাপাসিটিভ সার্কিটে ক্যাপাসিটিভ রিয়েক্ট্যান্স,

Xc = 1/2πfC = 1/2π0*C =1/0 = ∞ ohms
আর অসীম রোধে সার্কিটে বিদ্যুৎ প্রবাহ থাকেনা বললেই চলে।

আর যখন ক্যাপাসিটরে ব্যাটারি সংযুক্ত করা হয় তখন ব্যাটারির পজিটিভ প্রান্ত থেকে পজিটিভ চার্জ ক্যাপাসিটরের প্লেটের এক প্রান্তে এবং নেগেটিভ টার্মিনাল থেকে ইলেকট্রন ক্যাপাসিটরের অপর প্রান্তে মজুদ হয়। এখন এই ডাই-ইলেকট্রিক ফিল্ডের দরুণ বিদ্যুৎ প্রবাহ সহজে হতে পারে। রোড ব্লক থাকলে যেমন গাড়ি যেতে পারেনা ব্যাপারটাও এখানে সেইম।

তাহলে এসি প্রবাহের এমন কি গুণ আছে যে ক্যাপাসিটর তাকে পছন্দ করে?

এসি কারেন্ট ছন্দময়ী কারেন্ট। যে দিক পরিবর্তন করে। তার ফিক্স পোলারিটি থাকেনা৷ এসি পজিটিভ সাইকেলে ক্যাপাসিটর চার্জ এবং নেগেটিভ সাইকেলে ডিসচার্জ হয়। তাই এসি প্রবাহ সহজেই ক্যাপাসিটরের মন ছুয়ে যেতে পারে।


তাহলে বাজারে ডিসি ভোল্টে রেটিং করা ক্যাপাসিটর পাওয়া যায় কেন?

বাজারে যেগুলো ডিসি ভোল্টে রেটিং করা ক্যাপাসিটর থাকে ওগুলো হল পোলার ক্যাপাসিটর। আর নন-পোলার গুলো এসি প্রবাহে ব্যবহৃত হয়। আর ডিসি ক্যাপাটিভ সার্কিটে বিদ্যুৎ প্রবাহ তৈরি করতে না পারলেও আপনার ব্যাটারির সমপরিমাণ চার্জ লুফে ঠিকই মজুদ রাখছে।

মোঃ আল আমিন হোসেন

জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর

ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট

Weaving Machine-28

উইভিং মেশিনের তৃতীয় পর্যায়ের গতি

উইভিং মেশিন বা তাঁতের নিদিষ্ট কিছু গতি রয়েছে যার সাহায্যে উক্ত মেশিনে কাপড় বুনন সম্পন্ন হয়ে থাকে। উইভিং মেশিন অথবা তাঁতের গতি প্রধানত ৩ প্রকার। যথাঃ

১) প্রাথমিক গতি বা Primary Motion
২) মাধ্যমিক গতি বা Secondary Motion
৩) তৃতীয় পর্যায়ের গতি বা Tertiary Motion।



আজকের ব্লগ থেকে আমরা জানব উইভিং মেশিন বা তাঁতের তৃতীয় পর্যায়ের গতি বা Tertiary Motion এবং পড়েন পরিবর্তন গতি বা Weft Changing Motion সম্পর্কে সম্পর্কে।

তৃতীয় পর্যায়ের গতি বা Tertiary Motion:
তৃতীয় পর্যায়ের গতি বা Tertiary Motion মূলত  প্রাথমিক গতি বা Primary Motion ও মাধ্যমিক গতি বা Secondary Motion এর সমন্বিত রূপ৷ ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী মানসম্পন্ন কাপড় বুননের জন্য প্রাথমিক গতি বা Primary Motion ও মাধ্যমিক গতি বা Secondary Motion ব্যতিত অতিরিক্ত যে সমস্ত গতির প্রয়োজন হয় সেই সমস্ত গতি বা  Motion কে তৃতীয় পর্যায়ের গতি বলা হয়।

উইভিং মেশিন বা তাঁতের তৃতীয় পর্যায়ের গতি বা Tertiary Motion এর তালিকা

১) ওয়ার্প প্রোটেকটর মোশন
২) ওয়েফট প্রোটেকটর মোশন
৩) ওয়ার্প স্টপ মোশন
৪) ওয়েফট স্টপ মোশন
৫) ওয়েফট মিক্সিং মোশন
৬) ওয়েফট চেইঞ্জিং মোশন ইত্যাদি

পড়েন পরিবর্তন গতি বা Weft Changing Motion
উইভিং মেশিন বা তাঁতের  তৃতীয় পর্যায়ের গতি বা সাহায্যকারী গতি গুলোর মধ্যে অন্যতম আরো একটি গতি হচ্ছে পড়েন পরিবর্তন গতি Weft Changing Motion যার  সাহায্যে কাপড়ের ডিজাইন অনুযায়ী পড়েন সুতা হিসেবে একাধিক রঙের, একাধিক কাউন্টের বা ভিন্ন পাক বা টুইষ্টের পড়েন সুতা ব্যবহৃত হয়। 

পড়েন পরিবর্তন গতি বা Weft Changing Motion এর সংজ্ঞা:
 
কাপড় বুনন প্রক্রিয়ায় পড়েন বরাবর ভিন্ন গুনাবলীর যেমন একাধিক রঙের, একাধিক কাউন্টের বা ভিন্ন পাক বা টুইষ্টের পড়েন সুতার  ধারাবাহিক সরবরাহ বজায় রাখার জন্য যে গতি ব্যবহার করা হয় তাকে পড়েন পরিবর্তন গতি বা Weft Changing Motion বলে।

উক্ত গতির মাধ্যমে কাপড় উৎপাদনে সময় অপচয় রোধ করা, অল্প সময়ে অধিক উৎপাদন সম্ভব হয়।

পড়েন পরিবর্তন গতি বা Weft Changing Motion এর উদ্দেশ্য
ক)  বিভিন্ন রঙ, ফাইবার ও বৈশিষ্ট্যের পড়েন সুতা ব্যবহার করা।
খ) আকর্ষণীয় এবং বৈচিত্র্যময় ডিজাইনের কাপড় উৎপাদন করা।

গ) নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে উইভিং মেশিন বা তাঁত চালনা অব্যাহত রাখা।

ঘ) উৎপাদনের গতি বৃদ্ধি করা।

ঙ) সময়ের অপচয় কমানো।

চ) উৎপাদন দক্ষতা বৃদ্ধি করা।

লেখকঃ

মোঃ জায়েদুল হক

বিভাগ প্রধান

ডিপার্টমেন্ট অফ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং

ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট

Calculas-27

ক্যালকুলাস পরিচিতি

গণিত শিক্ষায় ক্যালকুলাস দ্বারা প্রাথমিক গাণিতিক বিশ্লেষণের পাঠ্যক্রমকে বোঝায়, যা মূলত ফাংশন এবং লিমিট অধ্যয়নের জন্য নিবেদিত। ক্যালকুলাস (বহুবচনে ক্যালকুলাই) শব্দটি লাতিন ভাষা থেকে এসেছে এবং এর অর্থ “নুড়িপাথর”।

আধুনিক ক্যালকুলাস ১৭শ শতাব্দীতে ইউরোপে আইজাক নিউটন এবং গট‌ফ্রিড ভিলহেল্ম লাইব‌নিৎস (একে অপরের সাথে আলাদাভাবে, তবে একই সময়ে প্রকাশিত) কর্তৃক বিকশিত হয়েছে তবে এর উপাদানগুলি প্রাচীন গ্রিসে, এরপর চীনে, এরপর মধ্যপ্রাচ্য এবং পুনরায় মধ্যযুগীয় ইউরোপ ও ভারতে আবির্ভাব হয়েছিল।

প্রাচীন:

আর্কিমিডিস পরাবৃত্ত দ্বারা আবৃত ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের জন্য নি:শেষ পদ্ধতি ব্যবহার করেছিলেন।

প্রাচীন আমলে কিছু ধারণা প্রবর্তিত হয়েছিল যা সমাকলন ক্যালকুলাসের দিকে পরিচালিত হলেও এই ধারণাগুলি যথাযথ এবং রীতিবদ্ধ পদ্ধতিতে বিকশিত হয়নি। আয়তন এবং ক্ষেত্রফল নির্ণয় হলো সমাকলন ক্যালকুলাসের একটি লক্ষ্য, যা মিশরীয় মস্কোর পাপিরাসগুলিতে (১৩তম রাজবংশ, আনু. ১৮২০ খ্রিষ্টপূর্ব) পাওয়া গিয়েছে; তবে সূত্রগুলি কেবল সাধারণ নির্দেশাবলী, পদ্ধতি সম্পর্কে কোনো ইঙ্গিত নেই এবং এগুলির কয়েকটিতে প্রধান উপাদানের ঘাটতি রয়েছে।

গ্রিক গণিতের যুগে ইউডক্সাস (আনু. ৪০৮–৩৫৫ খ্রিষ্টপূর্ব) নিঃশেষ পদ্ধতি ব্যবহার করেছিলেন যা ক্ষেত্রফল ও আয়তন নির্ণয়ের ক্ষেত্রে লিমিটের ধারণাকে পূর্বসূরিত করে। আর্কিমিডিস (আনু. ২৮৭–২১২ খ্রিষ্টপূর্ব) এই ধারণাকে সম্প্রসারিত করে হিউরিস্টিক আবিষ্কার করেছিলেন যা সমাকলন ক্যালকুলাসের পদ্ধতিগুলির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

পরে খ্রিস্টীয় তৃতীয় শতাব্দীতে চীনের লিউ হুই বৃত্তের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের জন্য নিঃশেষ হওয়ার পদ্ধতিটি আবিষ্কার করেছিলেন। খ্রিস্টীয় ৫ম শতাব্দীতে জু চঙঝির পুত্র জু গেঞ্জি একটি পদ্ধতি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন  যা পরবর্তীকালে গোলকের আয়তন নির্ণয়ের কাভালিরির নীতি হিসেবে পরিচিত হয়েছিল।

মধ্যযুগীয়:

মধ্যপ্রাচ্যে হাসান ইবনে আল-হাইসাম, লাতিন ভাষায় আল-হাইজেন (আনু. ৯৬৫ – আনু. ১০৪০ খ্রিষ্টাব্দ) চতুর্থ ঘাতের ফাংশনের যোগফলের সূত্র তৈরি করেছিলেন। এই যোগফলকে তিনি প্যারাবলোইডের ক্ষেত্রফল গণনার জন্য ব্যবহার করেছিলেন, যা বর্তমানে ওই ফাংশনের সমাকলন হিসেবে পরিচিত হয়েছে।

চতুর্দশ শতাব্দীতে ভারতীয় গণিতবিদগণ কিছু ত্রিকোণমিতিক ফাংশনে প্রযোজ্য, আন্তরকলনের অনুরূপ একটি যথাযথ পদ্ধতি দিয়েছেন। সঙ্গমগ্রমার মাধব এবং কেরালা স্কুল অব অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড ম্যাথমেটিক্স ক্যালকুলাসের বিষয়বস্তু বর্ণনা করেছিলেন। এই বিষয়বস্তু সংবলিত একটি সম্পূর্ণ তত্ত্ব বর্তমানে পশ্চিমা বিশ্বে টেলর ধারা হিসাবে পরিচিত। তবে তারা “পৃথক পৃথক ধারণাগুলিকে অন্তরজ এবং সমাকলনের অধীনে এনে উভয়ের মধ্যে সংযোগ প্রদর্শন করতে এবং বর্তমানে সমস্যা সমাধানের দুর্দান্ত সরঞ্জাম ক্যালকুলাসে পরিণত করতে সক্ষম ছিল না”।

আধুনিক

ইউরোপে, বোনাভেনতুরা কাভালিয়েরির লেখা একটি গ্রন্থ ছিল মূল ভিত্তি, যেখানে তিনি যুক্তি দিয়েছিল যে আয়তন এবং ক্ষেত্রফলকে প্রস্থচ্ছদের ক্ষুদ্রতম খন্ডের আয়তন এবং ক্ষেত্রফল গণনা করে যোগ করার মাধ্যমে নির্ণয় করা উচিত। পদ্ধতিগুলি আর্কিমিডিসের মত ছিল, তবে এই গ্রন্থটি ১৩তম শতাব্দীতে হারিয়ে গেছে বলে মনে করা হয় এবং এটি কেবল বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে আবিষ্কার করা হয়েছিল, এবং তাই কাভালিয়েরির কাছে এই বিষয়টি অজানা ছিল। কাভালিয়েরির কাজটি ভালভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি কারণ তার পদ্ধতিগুলি দ্বারা ভুল ফলাফল পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, এবং তিনি যে অনীয়ান পরিমাণগুলি প্রবর্তন করেছিলেন তা প্রথমে বিতর্কযোগ্য ছিল।

প্রায় একই সময়ে ইউরোপে ক্যালকুলাসের আনুষ্ঠানিক অধ্যয়ন সসীম পার্থক্যের ক্যালকুলাসের সাথে কাভালিয়েরির অনীয়ানকে একত্রিত করেছিল। পিয়ের দ্য ফের্মা দাবি করেছিলেন যে তিনি দাওফান্তাসের কাছ থেকে নিয়ে পর্যাপ্ততার ধারণাটি চালু করেছিলেন, যা সাম্যকে একটি অনীয়ান ত্রুটি শর্ত পর্যন্ত উপস্থাপন করেছিল। সংমিশ্রণটি জন ওয়ালিস, আইজাক ব্যারো এবং জেমস গ্রেগরি অর্জন করেছিলেন, পরবর্তী দুইজন ১৬৭০ সালের দিকে ক্যালকুলাসের দ্বিতীয় মৌলিক উপপাদ্য  প্রমাণ করেছিলেন।

আইজাক নিউটন তার গতি এবং মহাকর্ষ সূত্রে ক্যালকুলাস ব্যবহার করেছিলেন।

আইজাক নিউটন গুণন বিধি এবং চেইন বিধিউচ্চতর অন্তরজ  এবং টেলর ধারার ধারণাগুলি এবং বিশ্লেষণমূলক অপেক্ষক  গাণিতিক পদার্থবিজ্ঞানের সমস্যা সমাধানের জন্য প্রয়োগ করেছিলেন। নিউটন তার রচনাগুলিতে তাত্পর্যকে সেই সময়ের গাণিতিক ইডিয়মের সাথে সামঞ্জস্য রেখে পুনর্বিবেচনা করেছিলেন, গণনার পরিবর্তে অসীম যুক্তির দ্বারা সমতুল্য জ্যামিতিক যুক্তি দিয়ে গণনা প্রতিস্থাপন করেছেন যা নিন্দনের বাইরেও বিবেচিত হয়েছিল। তিনি গ্রহের গতি, ঘূর্ণনশীল তরলের পৃষ্ঠের আকৃতি, পৃথিবীর তির্যকতা, একটি সাইক্লয়েডের উপরে ওজনের সরে যাওয়া এবং তার প্রিন্সিপিয়া ম্যাথেমেটিকায় (১৬৮৭) আলোচিত আরও অনেক সমস্যা সমাধানের জন্য ক্যালকুলাসের পদ্ধতিগুলি ব্যবহার করেছিলেন। অন্য কাজের মধ্যে, তিনি ভগ্নাংশ এবংঅযৌক্তিক ঘাতের ফাংশনের জন্য সিরিজ বিস্তৃতি গড়ে তুলেছিলেন এবং এটি স্পষ্ট যে তিনি টেলর ধারার নীতিগুলি বুঝতে পেরেছিলেন। তিনি এই সমস্ত আবিষ্কার প্রকাশ করেন নি, এবং ঐ সময়ে অনীয়ান পদ্ধতিগুলি তখনও অপ্রয়োজনীয় বলে বিবেচিত হয়েছিল।

গট‌ফ্রিড ভিলহেল্ম লাইব‌নিৎসই  সর্বপ্রথম ক্যালকুলাসের সুত্রসমুহ ব্যাখ্যা করেছিলেন।

নিউটন কর্তৃক প্লেজারিজমের অভিযোগে অভিযুক্ত  গট‌ফ্রিড ভিলহেল্ম লাইব‌নিৎস  এই ধারণাগুলিকে অনীয়ানের সত্যিকার ক্যালকুলাসে সাজিয়েছিলেন। তিনি এখন ক্যালকুলাসের একজন স্বাধীন উদ্ভাবক এবং অবদানকারী হিসাবে বিবেচিত। তাঁর অবদান হলো অসীম পরিমাণের সাথে কাজ করার জন্য দ্বিতীয় এবং উচ্চতর ডেরাইভেটিভগুলির গণনা করার অনুমতি দেওয়া এবং তাদের বিভেদযুক্ত এবং অবিচ্ছেদ্য রূপগুলিতে পণ্য বিধি এবং শৃঙ্খলা বিধি সরবরাহ করার জন্য একটি স্পষ্ট নিয়ম সরবরাহ করা। নিউটনের বিপরীতে, লাইবানিজ আনুষ্ঠানিকতার প্রতি প্রচুর মনোযোগ দিয়েছিলেন, প্রায়শই ধারণার জন্য উপযুক্ত প্রতীক নির্ধারণে দিন কাটাতেন।

বর্তমানে লাইব‌নিৎস এবং নিউটন উভয়কেই স্বতন্ত্রভাবে ক্যালকুলাসের আবিষ্কার এবং বিকাশের জন্য কৃতিত্ব প্রদান করা হয়। নিউটন সর্বপ্রথম সাধারণ পদার্থবিজ্ঞানে ক্যালকুলাস প্রয়োগ করেছিলেন এবং লাইবনিৎস বর্তমানে ক্যালকুলাসে ব্যবহৃত অনেক নোটেশন বিকশিত করেছিলেন। নিউটন এবং লাইবনিৎস উভয়ই যে প্রাথমিক ধারণা দিয়েছিলেন তা হলো অন্তরকলন ও সমাকলনের সূত্র, দ্বিতীয় এবং উচ্চতর অন্তরজ এবং একটি প্রায় বহুপদী ধারার ধারণা। নিউটনের সময়ে ক্যালকুলাসের মৌলিক উপপাদ্যটি জানা ছিল।

নিউটন এবং লাইবনিৎস যখন প্রথম তাদের ফলাফল প্রকাশ করেছিলেন, তখন কোন গণিতবিদ (এবং কোন দেশ) কৃতিত্ব পাওয়ার যোগ্য তা নিয়ে প্রচণ্ড বিবাদ সৃষ্টি হয়েছিল। প্রথমে নিউটন সমাধান বের করেছিলেন (যা পরে তার মেথড অব ফ্লাক্সে প্রকাশিত হয়েছিল), তবে লাইবনিজ তার “নোভা মেথডাস প্রো ম্যাক্সিমিস এট মিনিমিস” আগে প্রকাশ করেছিলেন। নিউটন দাবি করেছিলেন যে লাইবনিৎস তার অপ্রকাশিত নোট থেকে ধারণা চুরি করেছেন, যা নিউটন রয়্যাল সোসাইটির কয়েকজন সদস্যের সাথে শেয়ার করেছেন। এই বিবাদটি বহু বছর ধরে মহাদেশীয় ইউরোপীয় গণিতবিদদের থেকে ইংরেজীভাষী গণিতবিদদের বিভক্ত করে দিয়েছিলো, যা ইংরেজি গণিতের ক্ষতিসাধন করেছিল। লাইবনিৎস এবং নিউটনের কাগজগুলি যত্ন সহকারে পরীক্ষা করে দেখা যায় যে তারা স্বাধীনভাবে তাদের ফলাফলে এসেছিলেন। লাইবনিৎস সমাকলন এবং নিউটন অন্তরকলন দিয়ে প্রথমে শুরু করেছিলেন। যদিও লাইবনিৎস এই নতুন শৃঙ্খলাটির নামকরণ করেছিলেন। নিউটন তাঁর ক্যালকুলাসকে “প্রবাহের বিজ্ঞান” বলেছিলেন।

লাইবানিৎস এবং নিউটনের সময় থেকে অনেক গণিতবিদ ক্যালকুলাসের অব্যাহত বিকাশে অবদান রেখেছেন। মারিয়া গায়তানা অগ্নেসি ১৭৪৮ সালে অনীয়ান এবং সমাকলন ক্যালকুলাস উভয়ের উপর প্রথম সবচেয়ে সম্পূর্ণ রচনা লিখেছিলেন।

রাবেয়া আলম

ইন্সট্রাক্টর

ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট

Acrylic-fibre-26

এক্রাইলিক ফাইবারের আদ্যপ্রান্ত

এক্রাইলিক ফাইবার:

এক্রাইলিক ফাইবার হল একটি সিন্থেটিক ফাইবার যা তার চরিত্রে উলের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ।  আইএসও (ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ডস অর্গানাইজেশন) এবং বিআইএসএফএ (ইন্টারন্যাশনাল সিন্থেটিক ফাইবার স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন অফিস) এর সংজ্ঞা অনুসারে, যেসব ফাইবার তাদের রাসায়নিক গঠনে ন্যূনতম 85% অ্যাক্রিলোনিট্রাইল থাকে তাদের বলা হয় “এক্রাইলিক ফাইবারস”।

ইতিমধ্যে নাইলনের উন্নয়ন এবং মূলধারার জন্য বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত হয়ে উঠেছে

 অন্যান্য অনেক সিন্থেটিক টেক্সটাইল ফাইবারের মতো, আমেরিকান ডুপন্ট কর্পোরেশন মূলত এক্রাইলিক ফাইবার তৈরি করেছিল।  এই পলিয়েস্টার উৎপাদন, এবং যখন 1940-এর দশকে এক্রাইলিক ফাইবার উদ্ভাবিত হয়েছিল, তখন বিশ্ব এই বিকাশটিকে সহজভাবে দেখেছিল না।

 বিশ্বের টেক্সটাইল বাজারে প্রভাবশালী অবস্থানে ডুপন্টের দ্রুত আরোহনের পরবর্তীতে তা আরো বেশি সহজতর  হয়ে ওঠে।

 যাইহোক, এক্রাইলিক ফাইবার 1950 এর দশক পর্যন্ত উল্লেখযোগ্যভাবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেনি।  এটা সম্ভব যে ডুপন্টের অন্যান্য সিন্থেটিক টেক্সটাইলের সাফল্য এক্রাইলিক ফাইবারের এই ধীর মূলধারায় অবদান রেখেছে;  এই কোম্পানি ইতিমধ্যেই নাইলন দিয়ে সিল্ক এবং পলিয়েস্টার দিয়ে তুলা প্রতিস্থাপন করেছে, যা এই কোম্পানির  নতুন একটি সফলতা হিসাবে বিবেচিত হয় ।

 উল প্রতিস্থাপন হিসেবে এক্রাইলিক ফাইবার কে বিবেচনা করা হয়।

একটি উৎপাদিত ফাইবার যাতে ফাইবার-গঠনকারী পদার্থটি অ্যাক্রিলোনিট্রিল ইউনিট [-CH2-CH(CN)-] (FTC সংজ্ঞা) এর ওজন দ্বারা কমপক্ষে 85% গঠিত যেকোন দীর্ঘ চেইন সিন্থেটিক পলিমার।  এক্রাইলিক ফাইবারগুলি স্পিনিং (এক্সট্রুশন), শুকনো এবং ভেজা দুটি মৌলিক পদ্ধতি দ্বারা উৎপাদিত হয়।  শুষ্ক স্পিনিং পদ্ধতিতে, উপাদান দ্রবীভূত হয়।  স্পিনারেটের মাধ্যমে এক্সট্রুশনের পরে, দ্রাবকটি বাষ্পীভূত হয়, ক্রমাগত ফিলামেন্ট তৈরি করে যা পরে ইচ্ছা হলে প্রধান অংশে কাটা যেতে পারে।  ভেজা স্পিনিং-এ, স্পিনিং দ্রবণকে তরল জমাট বাঁধার পদ্ধতি থেকে বের করে ফিলামেন্ট তৈরি করা হয়, যা টানা, শুকানো এবং প্রক্রিয়াজাত করা হয়।

এক্রাইলিক ফাইবার হল একটি পলিমার (পলিঅ্যাক্রিলোনিট্রিল) থেকে তৈরি কৃত্রিম তন্তু যার গড় আণবিক ওজন ~100,000, প্রায় 1900 মনোমার ইউনিট।  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাক্রিলিক এর ক্ষেত্রে বলা হয়ে থাকে যে, পলিমারটিতে কমপক্ষে 85% অ্যাক্রিলোনিট্রিল মনোমার থাকতে হবে।  সাধারণ কোমোনোমার হল ভিনাইল অ্যাসিটেট বা মিথাইল অ্যাক্রিলেট।  Dupont কর্পোরেশন 1941 সালে প্রথম এক্রাইলিক ফাইবার তৈরি করে এবং “Orlon” নামে ট্রেডমার্ক করে।

কাঁচামাল:

 অ্যাক্রিলোনিট্রিল হল অ্যাক্রিলিক তৈরির প্রধান প্রধান কাঁচামাল।  অ্যাক্রিলোনিট্রাইল, অর্থাৎ অ্যাক্রিলিক নাইট্রাইল, ভিনাইল সায়ানাইড, CH2=CHCN, একটি বর্ণহীন, বিষাক্ত তরল, যার স্ফুটনাঙ্ক 78°C।

 পানি এবং জৈব দ্রাবক সঙ্গে মিশ্রিত.  অ্যাক্রিলোনিট্রিল হাইড্রোসায়ানিক অ্যাসিড এবং অ্যাসিটিলিন বা হাইড্রোজেন সায়ানাইড এবং ইথিলিন অক্সাইড থেকে সংশ্লেষণের মাধ্যমে প্রাপ্ত হয়।  এটি প্লাস্টিক এবং সিন্থেটিক ফাইবার শিল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল হয়ে উঠেছে।  এটি সিন্থেটিক ফাইবার, সিন্থেটিক রাবার, নাইট্রিল অ্যাসিড উৎপাদনের প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়।  যখন ফাইবারগুলিতে অ্যাক্রিলোনিট্রাইলের ভর দ্বারা কমপক্ষে 85% থাকে তখন তাকে পলিঅ্যাক্রিলোনিট্রিল বলা হয়, যখন অ্যাক্রিলোনিট্রাইলের পরিমাণ কম থাকে, তখন এটিকে কপোলিয়াক্রাইলোনিট্রাইল বা মোডাক্রাইলিক ফাইবার হিসাবে উল্লেখ করা হয়। পদার্থেরনিজস্ব কম্পোজিশন এর উপর ভিত্তি করে তাদের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য রয়েছে, সাধারণভাবে এক্রাইলিক ফাইবারগুলি পলিমাইড এবং পলিয়েস্টার ফাইবারের তুলনায় প্রসারিত,

বাঁকানো এবং মোচড়ানোর জন্য কম প্রতিরোধী, তারা ঘর্ষণ প্রতিরোধী নয়, যখন তারা আলোর প্রতি দুর্দান্ত প্রতিরোধ দেখায়, তারা প্রভাবিত হয় না।  অনেক জৈব দ্রাবক (যেমন, ক্লোরোফর্ম), পোকামাকড় এবং অণুজীব তাদের আক্রমণ করে না; এক্রাইলিক ফাইবারগুলি সহজেই রঙিন হয়, একটি নরম গ্রিপ থাকে, উলের মতো হয়, খারাপভাবে আর্দ্রতা শোষণ করে; এগুলি প্রধানত প্রধান তন্তুর আকারে ব্যবহৃত হয়, বোনা এবং পোশাকের কাপড়, পর্দা, কৃত্রিম পশম, কম্বল তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

 এটি বিভিন্ন পদ্ধতি দ্বারা তৈরি করা হয়।  একটি বাণিজ্যিক পদ্ধতিতে, হাইড্রোজেন সায়ানাইডকে অ্যাসিটিলিন দিয়ে প্রক্রিয়াকরণ করা হয়। নিম্নে পদ্ধতি সমূহ উল্লেখ করা হলো:

১ম পদ্ধতি:

 অ্যাসিটিলিন + হাইড্রোজেন সায়ানাইড- –> অ্যাক্রিলোনিট্রাইল

 ২য় পদ্ধতি:

 ইথিলিন–এয়ার অক্সিডেশন–> ইথিলিন অক্সাইড + HCN–> ইথিলিন সায়ানাহাইড্রিন–300 ডিগ্রি সেলসিয়াসে ডিহাইড্রেশন (অনুঘটক)–> অ্যাক্রিলোনিট্রাইল

 এক্রাইলিক ফাইবার উৎপাদন প্রক্রিয়া

 নিম্নলিখিত প্রধান বৈশিষ্ট্য সহ উৎপাদনের সময় এগুলো প্রভাবক হিসেবে কাজ করে

 1. দ্রবণে পলিমারাইজেশন।

 2. স্পিনিং করার জন্য ডোপ সরাসরি feed করানো হয়।

 3. ভেজা স্পিনিং বা সিক্ত  স্পিনিং বলা হয়ে থাকে।

 4. পলিমারাইজেশন এবং স্পিনিং উভয়ের জন্য দ্রাবক হিসাবে DMF

ক্রমাগত পলিমারাইজেশন প্রক্রিয়ায়, 95% অ্যাক্রিলোনিট্রিল এবং 6% মিথাইল অ্যাক্রিলেট (400 অংশ) K2S208 এর 0.25% জলীয় দ্রবণ (600 অংশ), 0.50% Na2S2O5 দ্রবণ (600 অংশ) এবং 2N সালফিউরিক অ্যাসিড (2.5 অংশে বিক্রিয়া হয়)।  নাইট্রোজেন বায়ুমণ্ডলের অধীনে 52 ডিগ্রি সেলসিয়াসে জাহাজটি 67% পলিমার সহ  প্রক্রিয়া চলমান থাকে। , ফিল্টার করা হয় এবং ধুয়ে ফেলা হয় যতক্ষণ না এটি লবণ থেকে মুক্ত হয় এবং শুকিয়ে যায়।

 অ্যাক্রিলোনিট্রিল শুকনোএর পরে কাটা হয়। উপাদানটি ডাইমিথাইল ফরমামাইডে দ্রবীভূত হয়, সমাধানটিতে 10-20 পলিমার রয়েছে।  এটি উত্তপ্ত এবং উত্তপ্ত স্পিনিং কোষে থেকে বের হয়ে যাই।  একটি উত্তপ্ত বাষ্পীভবন মাধ্যম যেমন বায়ু, নাইট্রোজেন বা বাষ্প কাউন্টার কারেন্টকে ফিলামেন্টের রূপে রূপান্তরিত হয় এটিকে পুনরুদ্ধার ইউনিটে নিয়ে যাওয়ার জন্য দ্রাবককে সরিয়ে দেয়।  ফিলামেন্টগুলি গরম অঞ্চলে যোগাযোগের সময়ের উপর নির্ভর করে 100 থেকে 250 C তাপমাত্রায় প্রসারিত হয়, তাদের মূল দৈর্ঘ্যের কয়েকগুণ।

নিম্নে মাইক্রোস্কোপের নিচে এই ফাইবার কে দেখতে কেমন লাগে তা নিম্নোক্ত উল্লেখ করা হয়েছে।

সোর্স ও ইমেজ: গুগল

লেখক

মোঃ আশিকুর রহমান

ইন্সট্রাক্টর (টেক্সটাইল এবং জিডিপিএম)

ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট

ফ্লোর বা মেঝে-25

ফ্লোর বা মেঝে

ঘরের যে অংশে মানুষ বসবাস করে অর্থাৎ ঘরের মধ্যে থাকার জন্য, জিনিসপত্র রাখার জন্য, প্রয়োজনীয় ব্যবহারযোগ্য পায়ের নিচের জায়গাকেই মেঝে বলে। বর্তমানে দালানে অনেকগুলো মেঝে থাকে। ভূমিতলে অবস্থিত ভূমির উপর অর্থাৎ প্লিন্থ লেভেলে যে মেঝে নির্মাণ করা হয়, তাকে এক তলার মেঝে বা গ্রাউন্ড ফ্লোর বলে। এর প্রতি উপরের তলার মেঝে নিচের তলার ছাদ হিসাবে কাজ করে। যেমন-এক তলার ছাদ দু’তলার মেঝে,দু’তলার ছাদ তিন তলার মেঝে ইত্যাদি। দালানের সর্বোচ্চ তলার মেঝের উপরে যে ছাদ থাকে তাকে দালানের ছাদ বলে।

টেরাজো ফ্লোরিং: সাধারণ পাথরের পরিবর্তে যদি মার্বেল পাথরের ছোট ছোট দানা দিয়ে মেঝের গাত্র করা হয়, তখন সেই কৃত্রিম পাথরের মেঝেকে টেরাজো ফ্লোরিং বলে। এ ধরনের মেঝে দেখতে সুন্দর এবং ঘর্ষণজনিত ক্ষয় প্রতিরোধী বলে বর্তমানে এর ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে। আবাসিক ভবন, অফিস, স্কুল, হাসপাতাল, ব্যাংক ইত্যাদি জায়গায় ব্যবহৃত হয়। একে ডেকোরেটিভ মেঝে-ও বলে। সাদা অথবা রঙিন সিমেন্ট এবং বিভিন্ন রং- এর মার্বেল পাথরের ছোট দানা (৩ থেকে ৬ মিমি আকারের) ১:৩ অনুপাতে মিশিয়ে সিসি ফ্লোরের নিয়মে প্রস্তুতকৃত কংক্রিট বেইজের উপরে ৩৪ মিমি পুরু সিমেন্ট কংক্রিটের (১:২:৪) স্তর স্থাপন করে এর ৬ মিমি পুরু মার্বেল পাথরকুচির টপিং নির্মাণ করাকে টেরাজো ফ্লোরিং বলে।

টেরাজো ফ্লোরিং নির্মাণ পদ্ধতিঃ কংক্রিট বেইজের উপর টপিং বা ফ্লোরিং নির্মাণের পূর্বে সমস্ত জায়গাটিকে অ্যালুমিনিয়াম, ব্রাস বা কাচের সর পাত দ্বারা কতকগুলো ছোট ছোট প্যানেলে বিভিন্ন ডিজাইনে বিভক্ত করা হয়। একে সেপারেটরও বলে। সেপারেটর পাতের চওড়া ১.৫ থেকে ২ মিমি এবং উচ্চতা ফ্লোর এর চেয়ে সামান্য বেশি হবে। যাতে টেপিং তৈরি এবং ঘষার পরে একই সমতলে থাকতে পারে। কংক্রিট বেইজের উপরিভাগের ধুলাবালি পরিষ্কার করে পানি দ্বারা ভিজাতে হবে। ভিজাপৃষ্ঠে সিমেন্ট গ্রাউট প্রয়োগ করে। ১:২:৪ এ অনুপাতের মসলা দ্বারা অল্টারনেট প্যানেলগুলোর ঢালাই এর কাজ সমাধান করতে হবে। উপরিতল শক্ত হলে টেরাজো মিশ্রণ (পাথরকুচি, সিমেন্ট এবং পানি) বিছিয়ে সমতল করে দিতে হবে। রোলিং এবং টেম্পিং কার্য চলাকালীন সময়ে কিছু মার্বেল দানা ছড়িয়ে দেয়া যেতে পারে। যাতে মেঝের ৮০% জায়গাতে মার্বেল দানা দেখা যায়। পাট্টা ও কর্ণিক দ্বারা সমতল করে ১২ থেকে ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত শুকাতে দেয়া হয়। শুকানোর পর ২-৩ দিন পর্যন্ত কিউরিং করা হয়। মেঝে ঢালাই এর ৭ দিন পর ঘষার কাজ আরম্ভ করতে হয়। যার জন্য সে কৃত্রিম পাথর ব্যবহার করা হয় তাকে কার্বোরান্ডাম বা ঘষা পাথর বলে। তিন প্রকার ঘষা পাথর পাওয়া যায়। যেমন-মোটা, মাঝারি এবং সরু দানার পাথর। প্রথমে মেঝেকে পানি দ্বারা ধুয়ে পানি সহযোগে মোটা দানার (৬০নং) পাথর দ্বারা ঘষতে হবে। কোথাও বেশি ঘষা হলে অথবা ছিদ্র অথবা গর্ত দেখা দিলে একই রংয়ের ঘন সিমেন্ট গ্রাউট প্রয়োগ করতে হবে। ৭ দিন পর একইভাবে মাঝারি দানা (১২০ নং) পাথর দ্বারা হতে হবে। এর ৪ থেকে ৬ দিন পর সরুপানা (৩২০নং) পাথর দ্বারা একইভাবে যথা হয়। সরু দানা পাথর যারা মেঝে ঘষা শেষ হলে মেঝেকে ভালভাবে পানি দ্বারা ধুয়ে ফেলতে হবে। প্রয়োজনবোধে সাবান পানির পাতলা দ্রবণ ব্যবহার করা যায়। তারপর অবরোলিক অ্যাসিডের পাতলা দ্রবণ (অ্যাসিড + দ্রবণ) মেঝেতে ছিটিয়ে দিয়ে কাঠের উসা দিয়ে মেঝে ঘষতে হবে। পরের দিন পরিষ্কার ও অল্প ভিজা ন্যাকড়া দিয়ে মুছে ফেলতে হবে। তারপর তিনভাগ তারপিন তৈল এবং এক ভাগ মোম মিলিয়ে গরম করে মসলা তৈরি করা হয় এবং ন্যাকড়া দ্বারা মেঝে ঘষে পরে মুছে নিতে হয়। প্রতি দশ বর্গমিটার মেঝের জন্য ১০ গ্রাম মোম এবং পেইন্ট তার্পিন তৈল ব্যবহার করতে হয়। এ মেঝে খুব নয়নাভিরাম ও মসৃণ হয় কিন্তু খরচ বেশি পড়ে।

মোজাইক মেঝে : সাধারণ পাথরের পরিবর্তে মার্বেল পাথরের স্লাব অথবা ছোট ছোট পাথরের টুকরা দ্বারা তৈরি টাইলযুক্ত কৃত্রিম পাথরের মেঝেকে মোজাইক ফ্লোর বলে। এ ধরনের মেঝে বিভিন্ন রং – এর এবং দেখতে সুন্দর ও ঝকঝকে হয়। খরচ ও টেরাজো মেঝের মতোই। এখানে মার্বেল কুচির টাইল আগেই তৈরি করা থাকে। সেগুলোই মেঝের উপর বসান হয়। এ মোজাইক টাইলের মাপ ২০*২০ সেমি. বা ২৫*২৫ সেমি. ।

 

মোজাইক মেঝ নির্মাণ পদ্ধতিঃ মোজাইক ফ্লোর নির্মাণের জন্য প্রথমে সাব-বেইজ তৈরি করা হয়। কোন কোন ক্ষেত্রে সাব- বেইজ তৈরির জন্য প্রথমে ব্রিক ফ্লাট সোলিং করে এটির উপর ১ : ৩৮৬ অনুপাতের মসলা দ্বারা কংক্রিট ঢালাই করা হয়। এর পুরুত্ব ৪ থেকে ১০ সেমি হতে পারে। মোজাইক করার জন্য ৬ মিমি আকারের মার্বেল কুচি, রঙিন সিমেন্টের মসলা কংক্রিট বেইজের উপর বিছিয়ে তৈরিকৃত মোজাইক টাইলগুলো বসান হয়। অথবা কংক্রিট বেইজের উপর ৫-৮ সেমি পুরু লাইম- সুরকি মর্টার্ বিছিয়ে সমতল করা হয়। তারপর শুকানোর পূর্বেই ২ ভাগ চুন, ১ ভাগ পাউডার মার্বেল এবং ভাগ পাজোলানা পদার্থ দ্বারা তৈরিকৃত মসলা ৩ মিমি পুরুত্বে বিছাতে হবে। প্রায় ৪ ঘণ্টা পরে মোজাইক টাইল একটু আঘাত করে এর উপর বসান হয়। টাইলগুলো ফ্যাক্টরি থেকে কাটাই করে পাঠান হয়। ফলে মোজাইক ফ্লোর খুব তাড়াতাড়ি করা যায়। টাইল বসানোর ৩/৪ দিন পর থেকে পিউমিক স্টোন দ্বারা ঘষা কাজ আরম্ভ করতে হয়। এর ঘষার কাজ টেরাজো ফ্লোর এর মতো।

 টাইল ফ্লোরিং: টাইল পূর্ব ঢালাইকৃত কংক্রিট বা টেরাজো এর হতে পারে অথবা কুমোরের তৈরি মাটির হতে পারে। প্রিকাস্ট বা পূর্ব ঢালাইকৃত টেরাজো টাইলকে মোজাইক টাইল বলে। এ টাইল বসানোর পর পালিশ করা হয়। হোয়াইট গেø­ইজড টাইল কুমোরেরা মাটি দ্বারা তৈরি করে। যা মেঝে, ওয়াটার ক্লোসেট, বাথরুম, সুইমিংপুল এবং অন্যান্য স্যানিটারি বøক রূপে ব্যবহার করা হয়। ক্লে নির্মিত টাইল বিভিন্ন পুরুত্বে এবং বিভিন্ন আকারে তৈরি করা হয়। আবাসিক গৃহ, অফিস, স্কুল , হাসপাতাল এবং অন্যান্য পাবলিক বিল্ডিং- এ দ্রæত মেঝে নির্মাণ করতে টেরাজো মেঝের পরিবর্তে টাইল মেঝে তৈরি করা হয়।

উচিংলা মারমা
ইন্সট্রাক্টর
ডিপার্টমেন্ট অব সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং
ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।

A Very Old Man With Enormous Wings-24

“A Very Old Man With Enormous Wings”

Gabriel Garcia Marquez, a 20th-century Latin American author who was awarded the Noble Prize, vastly praised for his work, wrote ‘A Very Old Man with Enormous Wings’ to depict the religious furuncle and human moral shallowness of that contemporary society. To imprint that he has used two kinds of settings combining the realistic details of Pelayo and Elisenda’s life with fantastic elements such as a flying old man and a cursed spider who has the head of a maid to create a tone of equal parts local yet a-magical supernatural story.

Religious practices: In “A Very Old Man with Enormous Wings”, Christianity has been described as a religion that has shown as a hollow set of habits, rather than a genuine moral framework. ‘But the fruit of the Spirit is love, joy, peace, patience, kindness, goodness, faithfulness, gentleness, self-control; against such things, there is no law”- Galatians 5:22-23 shows the virtues a Christian should have. What we see, during a hazardous storm, Pelayo finds a weak old lying face down in the mud of his courtyard,’ in spite of his tremendous efforts, couldn’t get up’ impeded by his enormous wings. An angel falls to earth, and he finds himself among Christians who should be delighted but the picture is quite ironic because traditional angels have wings and they are magnificent creatures with majestic faces who don’t sense sickness and decay and can-do miracles instant according to religion. But here, the angel is aged, vulnerable with dirty and half-plucked buzzard wings. The funny thing is, they find the man quite “familiar” and acknowledge him as an angel but instead of his felicitation, they didn’t even show any sympathy or humanity but rather confined him in a dirty chicken coop. Even Father Gonzaga, the priest, fails to recognize that he is sacred.” Father Gonzaga went into the chicken coop and said good morning to him in Latin”- this line shows the so-called religious phenomena. When he saw that the angel did not understand the language of God or know how to greet His ministers, he stigmatized him as an imposter and suggested that the angel might actually be a “carnival trick” that the devil was using to ‘confuse the unwary. Father Gonzaga’s failure to understand the angel bashes him as a rogue representative of a Church that is overall respectable. When he promises to write to Church officials for a second opinion, their reaction is equally arresting like the letter will go to “his bishop so that the latter would write his primate so that the latter would write to the Supreme Pontiff in order to get the final verdict from the highest courts”. – This showed furuncle system which had no sense of urgency. They spent them if his dialect had any connection with Aramaic, how many times he could fit on the head of a pin, or whether he wasn’t just a Norwegian with wings.” Clearly, Church priests and people, instead of being delighted in the appearance of an angel, have found themselves jagged in unfuming questions that have no relation to genuine faith.

Human shallowness: The townspeople all are greedy. Instead of treating him better, the townspeople either want something from him or see him as a curiosity. Pelayo and Elisenda used him as a kind of circus pet to earn money and become rich but didn’t care about him at all. Humans pulled out his feathers to touch their defective parts, even the most merciful threw stones at him, and burned his side with an iron. His hermetic language and tears in his eyes did not make them Human. Elisenda cursed him as if she was in hell surrounded by angels. When he flew away, she was relieved. What they didn’t notice was that the child recovered from his illness, they became rich, etc. These characteristics show how shallow nature humans have.

The previous statements prove that if the heads have maggots, the townspeople will definitely lack humanism.

Zareen Tasnim

Instructor

Daffodil Polytechnic Institute

Bounce rate-23

গুগল এ বাউন্স রেট (Bounce Rate) কমিয়ে নাম্বার ওয়ান  হওয়ার উপায়

Search Engine Optimization (SEO) এর জন্য বাউন্স রেট (Bounce Rate) কমানো অতন্ত জরুরী । তাই  যেকোনো ওয়েবসাইট কে গুগোলের নাম্বার অন পেজ এ নিয়ে আসতে অনেক গুলো SEO টেকনিক এর মধ্যে বাউন্স রেট (Bounce Rate) কমানো হয় । SEO নিয়ে  ধারাবাহিক ব্লগের জন্য  “ বাউন্স রেট (Bounce Rate) কমিয়ে গুগল এ নাম্বার ওয়ান  হওয়ার উপায় “ বিষয় টি বেছে নিয়েছি। আমি মনে করি বিষয় টি যুগ উপ যুগী- তাই যারা ওয়েবসাইট কে গুগল এর প্রথম পেজ এ আনতে চান বাউন্স রেট (Bounce Rate) কমানোর উপায় জানা থাকলে সহজে গুগল এর প্রথম পেজ এ আনতে পারা যায়। বাউন্স রেট (Bounce Rate) কমানোর বিষয়টি যেমন টি কর্পোরেট ওয়েব সাইট এর জন্য প্রোয়জন তেমনটি বাক্তি গত ওয়েব সাইট এর জন্য ও প্রয়োজন।

একটি ওয়েবসাইট সঠিক ভাবে চলছে কিনা এটি বিবেচনা করার অন্যতম একটি মাধ্যম ওয়েবসাইটের বাউন্স রেট (Bounce Rate)। ওয়েবসাইটের বাউন্স রেট দেখে  পরিষ্কার ধারনা পাওয়া যেতে পারে যে, সাইট টি কেমন করছে এবং ভবিষৎ এ কেমন করবে। চলুন  জেনে নেই বাউন্স রেট কি?

বাউন্স রেট (Bounce Rate) ?

​​গুগল এ্যানালাইটিক্স এর একটি অন্যতম  মেট্রিক হল বাউন্সরেট ​। বাউন্স এর সাথে ​​বাউন্সরেট এর সম্পর্ক   তাই বাউন্স বোঝার আগে ​​বাউন্স কি? তা একটু বুঝে নেই। 

​যখন কোন ​ওয়েবসাইটে ভিজিটর প্রবেশ করে এবং সে ঐ সাইট এ থাকাকালীন সময়ে  ​ওয়েবসাইটের সাথে কোনো প্রকার এনগেজমেন্ট এ যায় না অর্থাৎ, ভিজিটর অন্য কোনো বাটন এ ক্লিক করে না, অন্য কোনো পেজের লিংকে ক্লিক করে না, অন্য কোন মেনুতে ক্লিক করে না, অন্য কোনো পেজ ভিজিট না করেই সরাসরি ​ওয়েবসাইট থেকে বের হয়ে আসে। তখন ভিজিটর এর জন্য গুগল এ্যানালাইটিক্স এর সার্ভার ঐ ভিজিটরের কাছ থেকে কোনো প্রকার ট্রিগার লাভ করে না। এটি ক্রিকেট এর বল বাউন্স এর মত হঠাৎ লাফিয়ে ওঠার মত, ভিজিটর এভাবে অল্প সময়ের জন্য কোন ওয়েবসাইটে ভিজিট করার ফলে গুগল এ্যানালাইটিক্স এ শুধুমাত্র একটি পেজ ভিজিট কাউন্ট হয়। এটিকেই ​​বাউন্স (Bounce) বলে।

তাহলে বাউন্সরেট কি

উদাহরণস্বরূপ, যদি 100 জন লোক হোমপেজে এ প্রবেশ করে এবং এই লোকগুলির মধ্যে 50 জন অন্য কোনও ওয়েবপেজ না দেখে চলে যায় তবে হোমপেজের বাউন্স রেট 50% হবে।

সুত্রটি হবে, 

বাউন্সরেট = (১ টি পেজ ভিজিট করে বের হয়ে যাওয়া ভিজিটর এর সংখ্যা / ঐ পেজ এর  মোট ভিজিটর সংখ্যা ) * ১০০

বাউন্সরেট = (৫০/১০০)*১০০ = ৫০%

অর্থাৎ ঐ ওয়েবসাইটের বাউন্স রেট ৫০%। নিচে বাউন্সরেটের একটি স্ক্রিনশট দেয়া হলো, যেটি কোন গুগল এনালিটিক্স টুল এর মাধ্যমে জানতে পারবেন।

স্টান্ডার্ড বাউন্স রেট কত % ?

​এখন প্রশ্ন আসতে পারে তাহলে আমরা কি টার্গেটে কাজ করবো? আমাদের ওয়েবসাইটের বাউন্সরেটের স্টান্ডার্ড কিরকম হওয়া উচিত? ইন্ডাস্ট্রি ভেদে বাউন্সরেটের স্টান্ডার্ড বেশি কম হয়ে থাকে যেমন:

আমি মনে করি, যেকোনো ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে ৩০% বাউন্স রেট হওয়াটা সহনীয়। এমনকি ৪০-৫৫% বাউন্সরেট ও এভারেজ হিসেব আমার মনে হয়। তবে সাইটের বাউন্সরেট যদি ৬০% এর বেশি হয় তবে এটা চিন্তার বিষয় এবং ঐ ওয়েবসাইট নিয়ে তাহলে SEO এর কাজ করা উচিত।

​বাউন্স রেট বেশি হলে কি হয় ?

​যদি সাইটের বাউন্স রেট বেশি হয় তাহলে কি হতে পারে? খুব সাধারন একটা ব্যাপার চিন্তা করুন। গুগল সব সময়ই চায় সার্চ কোয়েরিতে সব থেকে রিলেভেন্ট রেজাল্ট টাকে দেখাবে। যদি কোন ওয়েবসাইটের বাউন্সরেট হয় ৮০% তার মানে অধিকাংশ ভিজিটর ঐ সাইটে প্রবেশ করে সাথে সাথেই আবার বের হয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ সে কাংখিত রেজাল্ট টি পায়নি। গুগল তখন বুঝতে পারে এই সার্চ কোয়েরির জন্য আপনার ওয়েবপেজটি আপ টু দা মার্ক না। তখন গুগল আপনার ওয়েবসাইটকে সার্চ রেজাল্টে পেছনে ফেলে অন্য ওয়েবসাইট কে যায়গা দিবে।

আবার যদি উল্টোটা হয়, অর্থাৎ বাউন্সরেট যদি ৩০% হয় তারমানে ঐ পেজে ভিজিটর প্রবেশ করে আরো কিছু পেজ ভিজিট করছে। তাহলে গুগল বুঝতে পারে যে ভিজিটর তার কাংখিত রেজাল্ট টি খুজে পেয়েছে। অর্থাৎ কম বাউন্সরেট সার্চ ইঞ্জিনকে এই জিনিসটা বুঝাতে সমর্থ হয় যে সার্চ কোয়েরির জন্য এই রেজাল্ট টি  রিলেভেন্ট।

ওয়েবসাইটের বাউন্স রেট কমানোর উপায়

​০১. ওয়েবসাইটের লোডিং স্পিড

​লোডিং স্পিড, ওয়েবসাইটের বাউন্স রেট বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। কোনো ওয়েবসাইট ৩ সেকেন্ডের মধ্যে লোড না নিলে ৩০% ভিজিটর ওই পেজ ভিজিট না করেই চলে যায়। অর্থাৎ ওয়েবসাইটের বাউন্স রেট কমাতে হলে শুরুতেই ওয়েবসাইটের লোডিং স্পিড ৩ সেকেন্ডের নিচে নিয়ে আসতে হবে।

০২. কন্টেন্ট লেখার ব্যাপারে অধিক সতর্ক থাকা

​অনলাইন এবং SEO নিয়ে আমরা যারা কাজ করি তারা এই টার্ম টির সাথে খুব পরিচিত যে “Content is King” পুরো ওয়েবসাইটে কন্টেন্ট একটি গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে।যে কোন সাইটের কন্টেন্ট ভালো হলে ডিজাইন কোয়ালিটি মোটামুটি মানের হলেও ভিজিটর সাইটে থাকবে।

​তাই কন্টেন্ট লেখার সময় সতর্ক থাকা উচিত। কঠিন এবং দূর্বোধ্য শব্দ এড়ি চলা, এর সাথে লেখা সহজ ভাবে লেখা উচিত। তা না হলে ভিজিটর পোষ্ট পড়ে বিরক্ত হয়ে চলে যেতে পারে। যার ফলে সাইটের বাইন্সরেট বেড়ে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে। 

বিষয়বস্তুকে কম ভীতি প্রদর্শন করার জন্য কিছু উপায় অবলোকন করা যেতে পারে :

  • শিরোনামের যথাযথ ব্যবহার
  • ঘন ঘন সাবহেডিংস
  • উপযুক্ত চিত্র
  • বুলেটযুক্ত তালিকা

​০৩. ইরিলেভেন্ট কীওয়ার্ড ব্যবহার না করা

​একটা সময় ছিলো যখন ব্লাক হ্যাট টেকনিক ইউজ করে ইরিলেভেন্ট (অপ্রাসঙ্গিক) কীওয়ার্ডে সাইট র‌্যাংক করানো যেতো। এটা এখনো যায়, তবে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। ধরা যাক, অনলাইন মার্কেটিং সম্পর্কিত একটি ব্লগ নিয়ে কাজ করছেন, কারো কাছে শুনলেন হেলথ রিলেটেড প্রোডাক্ট সেল করলে বেশ ভালো লাভ করা সম্ভব। এরপর যদি আপনি আপনার অনলাইন মার্কেটিং সম্পর্কিত ব্লগে হেলথ রিলেটেড কন্টেন্ট পোষ্ট করেন তাহলে হিতে বিপরিত হওয়ার সম্ভবনা ১০০%। কারন ভিজিটর আপনার ব্লগে আসবে অনলাইন মার্কেটিং সম্পর্কে জানতে এসে হেলথ সম্পর্কিত লেখা দেখলে ভিজিটর বাউন্সব্যাক করে চলে যাওয়ার সম্ভবনাই বেশি। এর ফলে আপনার বাউন্সরেট বেড়ে যাওয়ার সমূহ সম্ভবনা থাকে।

০৪. ইউজার এক্সপেরিয়েন্স

​ইউজার এক্সপেরিয়েন্স যেকোনো ওয়েবসাইটের জন্যই খুব গুরুত্বপূর্ন। পুরো সাইটের ডিজাইন অবশ্যই ইউজার ফ্রেন্ডলি হওয়া চাই। যাতে করে একজন ভিজিটর কোনো ঝামেলা ছাড়াই ওয়েবপেজটি নেভিগেট করতে পারেন। কোনো কারনে ইউজার ইন্টারফেস খারাপ হলে ভিজিটর বেশি সময় ঐ পেজে থাকবে না, যার ফলে ওয়েবসাইটের বাউন্স রেট বেড়ে যাবে।

০৫. ইন্টার্নাল লিংকিং তৈরি করা

​ভিজিটরকে সাইটে বেশি সময় আটকে রাখার অন্যতম একটি মাধ্যম হলো ইন্টার্নাল লিংকিং। ধরা যাক, কোন ওয়বেসোইটে SEO ক্যাটাগরিতে ৪টা পোষ্ট।

  • ​বেসিক এসইও
  • আউটরিচ
  • গেষ্টপোষ্ট
  • ব্যাকলিংক

​এখন যদি বেসিক SEO আর্টিকেলে রিলেভেন্ট ওয়েতে লিংক তৈরি করা, অন্যপোষ্টগুলো যেমন আউটরিচ, গেষ্টপোষ্ট এবং ব্যাকলিংকের পোষ্ট গুলো ইন্টার্নাল লিংক করে দিলে। এরফলে যেটা হবে, ভিজিটর বেসিক SEO এর পাশাপাশি অণ্য ব্যাপার গুলো সম্পর্কেও জানতে আগ্রহী হয়ে লিংকে ক্লিক করবেন এবং আরো বেশি সময় সাইটে থাকবেন।

০৬. অতিরিক্ত অ্যাড ব্যবহার না করা 

​বিজ্ঞাপন জিনিসটা সবসময়ই বিরক্তিকর। আপনি নিজের কাছেই নিজেকে জিজ্ঞেস করুন। বিজ্ঞাপন দেখতে আপনার কেমন লাগে? অবশ্যই উত্তর হবে বিরক্তিকর। অনেক সাইড দেখা যায় যারা হেডার, ফুটার, পোষ্ট সাউডবার থেকে শুরু করে সাইটে ২-৩ ইঞ্চি পর পর বিজ্ঞাপন দেয়। যা ভিজিটরের জন্য বিরক্তিকর। ওয়েবসাইটে যত কম বিজ্ঞাপন ব্যবহার করা যায় তত ভালো।

​তারপর ও ইনকাম এর দিক থেকে বিজ্ঞাপন প্রয়োজন হলেও সেটা যেনো ভিজিটরের বিরক্তির কারন না হয় তা খেয়াল রাখতে হবে। ব্যক্তিগত ভাবে আমি সাইটে পপ-আপ অ্যাড রাখার পক্ষপাতী না, এতে বাইন্সরেট বেড়ে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে।

০৭. ভিজিটরদের অংশগ্রহনের ব্যবস্থা রাখা

​যেকোনো ভাবে ওয়েবসাইটে ভিজিটদের অংশগ্রহনের ব্যবস্থা রাখলে সাইটের বাউন্স রেট বাড়ার চান্স কমে যায়। তা হতে পারে বিভিন্স পোল/সার্ভের মাধ্যমে। সাইটে কমেন্ট অপশন চালুর মাধ্যমেও ভিজিটর অংশগ্রহন বাড়ানো যায়। এতে ওয়েবসাইটের বাউন্স রেট কমানো যাবে।

০৮. সাইটটিকে অনুসন্ধান করা সহজ করন

সাইটটিকে অনুসন্ধান করা সহজ করতে হবে। বাউল রেড কমিয়ে আনা অন্যতম আরেকটি বিষয় হচ্ছে ওয়েবসাইটকে খুব সহজেই খুঁজে পাওয়ার উপযোগী করে তৈরি করা।এতে ওয়েবসাইটের বাউন্স রেট কমানো যাবে।

০৯. মোবাইলের জন্য সাইটটিকে অপ্টিমাইজ করন

ওয়েবসাইটটি যাতে যে কোন ডিভাইস বা মোবাইলে খুব সহজেই দেখা যায় তার উপযোগী করে তৈরি করন। আজকাল সবাই মোবাইলের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। তাই যেকোন ওয়েব সাইটকে মোবাইলে ব্যবহার উপযোগী করে তৈরি করলে। ওয়েবসাইটের বাউন্স রেট অনেক কমানো যাবে।

এছাড়াও বাউন্স রেট কমানোর আরো অনেক উপায় আছে । তবে এই উপায়গুলি ফলো করলে আশা করা যায় গুগলের এক নম্বর পেজ এ আসা সম্ভব এবং এটাকে কন্টিনিউ প্রসেসে যদি রাখা যায় তাহলে যে কোন ওয়েবসাইটকে বাউন্স রেট কমিয়ে খুব দ্রুত গুগলের এক নম্বরে অবস্থান করা এবং ধরে রাখা সম্ভব। আশা করি এই উপায়গুলি ফলো করে উপকৃত হবেন ।

​ধন্যবাদ সবাইকে। ভালো থাকুন

সোর্স ঃ [wikipedia,Google,Md.Faruk khan ]

মুহাম্মাদ সহিদুল ইসলাম

ইনস্ট্রাক্টর(কম্পিউটার)

ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইন্সস্টিটিউট

কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন-22

কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন

মহাবিশ্বের সৃষ্টি বা সূচনা নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই! কোথা হতে এলো এই মহাবিশ্ব? উত্তর যদি হয় বিগ ব্যাং, এরপরেও প্রশ্ন থেকেই যায় বিগ ব্যাং এর পূর্বে কি ছিল? শূন্য থেকেই কি মহাবিশ্বের সৃষ্টি? সময়টাই যে বিন্দু থেকে শুরু হয়েছে সেই বিন্দুর আগে বা সময় তৈরির সূচনার বিন্দুর আগে কি-ই বা থাকতে পারে? এই পরম প্রশ্নটির উত্তর খুঁজতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা অতি ক্ষুদ্র কণিকার জগতে প্রবেশ করলেন এবং অবাধ্য ক্ষুদ্র কণিকাগুলোর অপরিচিত আচরণ বোধগম্য ও ব্যাখ্যা করার জন্য “কোয়ান্টাম ফিজিক্স” নামে পদার্থবিজ্ঞানের একটি স্বতন্ত্র শাখা প্রতিষ্ঠিত করা হলো। কোয়ান্টাম ফিজিক্স মহাবিশ্বের উৎপত্তির ধারণা দিতে গিয়ে “কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন” নামক এক চমকপ্রদ বিষয় আবিষ্কার করলো।

কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন নিয়ে আলোচনার পূর্বে “শূন্যতা” নিয়ে একটু আলোচনা করা যাক। সাধারণত কোন কিছুর উপস্থিতি না থাকাকেই আমরা শূন্যতা বলি। কিন্তু পদার্থবিজ্ঞানের ভাষায় সেখানে কোন বাহ্যিক কণিকা থাকতে পারবেনা, তবে সর্বদা শক্তির উপস্থিতি থাকবে। কোয়ান্টাম তত্ত্ব অনুসারে যাকে কোয়ান্টাম শূন্যতা বলে। এই শূন্যতার প্রতিটি সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম স্তরে সবসময়ই ঘটে চলেছে নানান প্রক্রিয়া। কিন্তু কী সেই নানান কর্মকান্ড যা কিনা শূন্যতাকে প্রতিনিয়ত এতটা অশান্ত করে রেখেছে? আসলে শুন্যস্থানের সূক্ষ্মস্তরে প্রতিনিয়ত শক্তি ও ভরের অদল-বদল ঘটছে। এবং এর ফলে সেখানে প্রতি মুহূর্তে শক্তি রুপান্তরিত হচ্ছে ভরে তথা কণায়।

প্রকৃতিতে এমন এক কণার অস্তিত্ব আছে যা আমাদের পরিচিত কণা ইলেকট্রনের সম্পূর্ণ বিপরীত। আর একটি কনাকে আমরা অন্য একটি কণার বিপরীত তখনই বলি যখন তাদের মধ্যকার ভর সমান কিন্তু চার্জ পরস্পরের বিপরীত। অর্থাৎ ইলেকট্রনের ক্ষেত্রে এর বিপরীত কণিকাটি হবে ধনাত্মক চার্জ বিশিষ্ট, যাকে পজিট্রন বলে। এই প্রতিকণার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য আছে,একে যদি কোনো কণার সংস্পর্শে নিয়ে আসা হয় তাহলে এটি সেই কণার সাথে মিলিত হয়ে উভয়কে ধ্বংস করে দেয় এবং বিনিময়ে তাদের ভরের সমতুল্য পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করে (আইনস্টাইনের বিখ্যাত ভর শক্তি সমীকরণ E‌=mc2 অনুসারে)।

পদার্থবিজ্ঞানে শূন্যস্থান হতে কণা সৃষ্টির এই বিষয়টিকে বলা হয় “কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন” বা “ভ্যাকুয়াম ফ্লাকচুয়েশন”। কিন্তু এই কণা স্থায়ী হতে পারে না,সাথে সাথে ধ্বংস হয়ে গিয়ে আবার শক্তিতে পরিণত হয় ও শুন্যতার সাথে মিশে যায়। কারণ শূন্যস্থান থেকে যখন কণা সৃষ্টি হয় তখন সে কখনোই একলা একলা উৎপন্ন হতে পারে না। তার সাথে প্রতিকণাও যুগপৎ ভাবে উৎপন্ন হয়। অর্থাৎ শূন্যতার মধ্যেই কিন্তু এক ধরণের শক্তি লুকিয়ে আছে; আর সেটাই তৈরি করে ভ্যাকুয়াম ফ্লাকচুয়েশনের মাধ্যমে পদার্থ তৈরির প্রাথমিক ক্ষেত্র। হাইজেনবার্গের বিখ্যাত অনিশ্চয়তা তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে ‘রহস্যময়’ এই শূন্য শক্তি কিংবা ভ্যাকুয়াম ফ্লাকচুয়েশনের বৈজ্ঞানিক ভিত্তিটি গড়ে উঠেছে। হাইজেনবার্গ গাণিতিকভাবে প্রমাণ করে দেখান যে, কোন বস্তুর অবস্থান এবং ভরবেগ যুগপৎ একসাথে নিশ্চিত ভাবে নির্ণয় করা সম্ভব নয়। বস্তুর অবস্থান নির্ণয় করতে গেলে ভরবেগ নির্ণয় করা সম্ভব হয় না, আবার ভরবেগ পরিমাপ করতে গেলে বস্তুর অবস্থান অজানাই থেকে যাবে। কাজেই হাইজেনবার্গের এই সূত্রানুসারে, ‘পরম শূন্যে’ও একটি কণার ‘ফ্লাকচুয়েশন’ বজায় থাকার কথা, কারণ কণাটি নিশ্চল হয়ে যাওয়ার অর্থই হবে এর অবস্থান এবং ভরবেগ সম্বন্ধে আমাদেরকে নিশ্চিত তথ্য জানিয়ে দেওয়া,যা প্রকারান্তরে হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা তত্ত্বের লঙ্ঘন। বিজ্ঞানীরা কিন্তু ব্যবহারিক ভাবেই এর প্রমাণ পেয়েছেন। একটি প্রমাণ হচ্ছে ‘ল্যাম্ব শিফট’, যা আহিত পরমাণুর মধ্যস্থিত দুটো স্তরে শক্তির তারতম্য প্রকাশ করে। আরেকটি প্রমাণ হল টপ কোয়ার্কের ভরের পরিমাপ।তবে কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশনের সবচেয়ে জোরদার প্রমাণ পাওয়া গেছে বিখ্যাত ‘কাসিমিরের প্রভাব’ থেকে।

শূন্যস্থানে কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন ঘটার ফলে শূন্য হতেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে কণা-প্রতিকণা সৃষ্টি হয়। গবেষকদের ধারণা, সৃষ্টির আদিতে মহাজাগতিক শূন্যতায় কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশনের ফলে যেসকল কণার সৃষ্টি হয়েছিল,সেগুলিই গঠন করেছে আমাদের আজকের এই মহাবিশ্ব। এখানে একটি প্রশ্ন থেকে যায়, কণা এবং প্রতিকণা পরস্পরকে ধ্বংস করে দিলে আর কোন কিছুই অবশিষ্ট থাকার কথা নয়। কিন্তু কোয়ান্টাম তত্ত্ব বলছে, কিছু কণা কোন ভাবে প্রতিকণার সাথে সংস্পর্শ এড়িয়ে যায় এবং এদের থেকেই পরবর্তীতে বিগ ব্যাং এর মাধ্যমে মহাবিশ্বের সূচনা হয়। প্রতিনিয়ত মহাশূন্যে এভাবেই হয়তো আরও হাজারো নতুন নতুন মহাবিশ্বের সৃষ্টি হচ্ছে!

রাফসান বিন আতা
ইন্সট্রাক্টর
ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

Brand Identity-21

কিভাবে একটি নতুন ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি ডিজাইন করবেন?

আপনার ব্যবসার জন্য একটি ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি ডিজাইন করা একটি মজার এবং সৃজনশীল প্রক্রিয়া, কিন্তু এমন একটি ডিজাইন তৈরি করার চাপ যা আপনার ব্যবসার মূল্যবোধ এবং বাণিজ্যিক আবেদন উভয়ই একটি লম্বা প্রসেস মনে হতে পারে।

একটি কাঠামোগত পরিকল্পনা অনুসরণ করা আপনাকে ব্রেইন-ড্রেইন এড়াতে এবং আপনার ধারণাগুলিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে। এখানে আমি একটি ব্র্যান্ড ডিজাইন প্রকল্পের কাছে যাওয়ার জন্য  প্রয়োজনীয় নয়টি পদক্ষেপের নির্দেশনা শেয়ার করছি, যা আপনার ব্যবসার পরিচয়কে অনন্য, উন্নত এবং পেশাদার বোধ করতে সাহায্য করবে।

একটি ব্র্যান্ড ডিজাইন করার সময়, আবশ্যক কাজের সংখ্যা (লোগো! ওয়েবসাইট! স্টেশনারী!) অপ্রতিরোধ্য মনে হতে পারে। প্রক্রিয়াটিকে পরিচালনাযোগ্য অংশে ভেঙ্গে দিলে আপনি সৃজনশীল এবং প্রশাসনিক কাজের ভারসাম্য বজায় রাখতে পারবেন, যা প্রকৃত উন্নতির দিকে নিয়ে যায়।

এখন আপনার ব্যবসার জন্য একটি নতুন ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি ডিজাইন তৈরি করার জন্য এই নয়টি ধাপে ডুব দেওয়া যাক।

1. আপনার গবেষণা নিজে করুন

শূন্যে কোনো ব্যবসা নেই, এটা স্পষ্ট। কিন্তু এটা আশ্চর্যজনক যে কতজন ব্যবসার মালিকরা যখন তারা একটি ব্র্যান্ড ডিজাইন প্রকল্প শুরু করে তখন এটি সম্পূর্ণরূপে ভুলে যায়। অনেকেই অবিলম্বে ডিজাইনের ধারণাগুলিতে ডুব দেবে, এই সত্যটিকে উপেক্ষা করে যে তাদের ব্র্যান্ডটি একটি প্রতিযোগিতামূলক বাজারে অনিবার্যভাবে বিদ্যমান থাকবে।

আপনার ব্র্যান্ডটি কোনও এলিয়েন দ্বারা ডিজাইন করা হয়েছে এমন চেহারা এড়াতে বা আরও খারাপভাবে, একটি বিদ্যমান নকশাকে ভুলভাবে অনুকরণ করা এড়াতে (একটি চরম উদাহরণ হিসাবে দুর্ভাগ্যজনক টোকিও 2020 লোগো বিতর্ক দেখুন), আপনাকে আপনার প্রতিযোগীদের ব্র্যান্ড সম্পর্কে কিছু গবেষণা করতে হবে।

আপনি যদি একজন ফ্রিল্যান্স ক্রিয়েটিভ হন, তাহলে স্থানীয় ডিজাইন ফার্ম এবং বিজ্ঞাপন সংস্থাগুলি কীভাবে অনলাইনে এবং তাদের অফিসে নিজেদের উপস্থাপন করে তা দেখে নিন। একটি পণ্যের জন্য একটি ব্র্যান্ড ডিজাইন করছেন? শিল্পের ব্র্যান্ডগুলির জন্য কোনটি উপযুক্ত (পড়ুন: বিক্রিযোগ্য) বলে বিবেচিত তা বোঝার জন্য সেক্টরে Google এবং চিত্রগুলি গবেষণা করুন ৷ Pinterest একটি বিশেষ ওয়েবসাইট যেখানে বিভিন্ন সেক্টরে কোন ব্র্যান্ডগুলিকে তাদের ডিজাইন অনুসারে তাদের ব্রান্ড কিভাবে প্রকাশ করেছে তা নিয়ে গবেষণা করুন।

একটি নোটপ্যাড নিন এবং আপনি যে ব্র্যান্ডগুলি নিয়ে গবেষণা করছেন সেগুলির  সবচেয়ে সাধারণ বৈশিষ্ট্যগুলির কয়েকটি লিখুন ৷ 

প্রসাধনী গবেষণা? 

বেশ কয়েকটি স্কিনকেয়ার এবং মেকআপ ব্র্যান্ডগুলিতে ব্যবহৃত সাধারণ রঙ বা ফন্টের শৈলীগুলির জন্য সন্ধান করুন । 

এই মোটামুটি তালিকাটি বৃহত্তর বাণিজ্যিক বাজারে আপনার নোঙ্গর হবে কারণ আপনি আপনার নিজস্ব ব্র্যান্ড ডিজাইন করতে আগ্রহী। আপনি যখন নকশা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন, এই তালিকায় ফিরে যান। আপনার নকশা তালিকাভুক্ত বৈশিষ্ট্য কোনো আছে? যদি তা না হয় তবে এটি একটি চিহ্ন হতে পারে যে আপনার ব্র্যান্ড একটি প্রতিযোগিতামূলক বাজারে ভাল করার জন্য খুব অপ্রচলিত হবে। 

2. আপনার Niche জানুন

আপনি প্রতিযোগিতাটি দেখেছেন এবং তারা কীভাবে তাদের নিজস্ব ব্র্যান্ড ডিজাইনের সাথে যোগাযোগ করেছেন তা ব্রেক ডাওন করেছেন। এখন আপনাকে এই জ্ঞানটি আপনার মস্তিষ্কের পিছনে ফাইল করতে হবে এবং আপনার ব্র্যান্ডের লক্ষ্যে ফোকাস করতে হবে।

আপনি কীভাবে নিশ্চিত করতে পারেন যে আপনার ব্র্যান্ডটি সঠিক বাজার সেক্টরে ফিট করে এবং কিছু উপায়ে প্রতিযোগী ব্র্যান্ডগুলির সাথে প্রাসঙ্গিক দেখায়, তবে আপনার ব্র্যান্ডটি শুধুমাত্র অনন্য নয় কিন্তু এই প্রতিযোগীদের থেকেও উচ্চতর তা নিশ্চিত করবেন?

এখন আপনি আপনার প্রতিযোগী ব্র্যান্ড গবেষণার তালিকা একসাথে রেখেছেন, আপনি এটিকে আপাতত একদিকে রাখতে পারেন। চিন্তা করবেন না—আপনি ভুলে যাবেন না যে প্রতিযোগী ব্র্যান্ডগুলি দেখতে কেমন ছিল এখন আপনি তাদের গবেষণার জন্য সময় ব্যয় করেছেন। যা গুরুত্বপূর্ণ তা হল আপনি একটি ব্র্যান্ড ডিজাইন তৈরি করার অবস্থানে আছেন যা তাজা এবং অনন্য মনে হয়। একটি ডিজাইন যা এই প্রতিযোগী ব্র্যান্ডগুলির বিরুদ্ধে আপনার অবস্থানকে উল্লেখ করে ৷

আপনাকে এখন আপনার ইউএসপি (ইউনিক সেলিং পয়েন্ট) এর উপর ফোকাস করতে হবে। কী আপনার ব্যবসার অফারকে আপনার প্রতিযোগীদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করে তোলে? মনে করেন আপনি একটি ছোট ফটো এজেন্সির জন্য একটি ব্র্যান্ড ডিজাইন করছেন। আপনি স্থানীয় ফটোগ্রাফারদের দেখেছেন এবং দেখেছেন তারা কী অফার করে। আপনি অন্যদের থেকে আলাদা কোনো উপায়ে বাজারকে কাজে লাগাতে পারেন , সেটা না জেনেই আপনি ব্যবসা শুরু করবেন না। সম্ভবত আপনি উচ্চতর পোস্ট-এডিটিং পরিষেবা অফার করেন। এটি আপনার ইউএসপি এবং এটি আপনার ব্র্যান্ড ডিজাইনে উল্লেখ করা প্রয়োজন।

আপনার ব্র্যান্ডের মানগুলি জানা আপনাকে আপনার ব্যবসা প্রকৃতপক্ষে গ্রাহকদের কী অফার করছে সে সম্পর্কে আরও আত্মবিশ্বাসী বোধ করতে সাহায্য করতে পারে ।

3. Put Pencil to Paper

যখন একজন ভোক্তা প্রথমবারের মতো কোনো ব্র্যান্ডের সংস্পর্শে আসে, তখন তারা প্রথম যে দৃশ্যের মুখোমুখি হতে পারে তা হল ব্র্যান্ডের লোগো। দোকানের চিহ্নে আপনি প্রথম কী দেখতে পান? হ্যাঁ, লোগো। আপনি যদি অন্ধভাবে কোনো পণ্যের মুখোমুখি না হন—উদাহরণস্বরূপ আপনি এমন কোনো পণ্য ব্যবহার করে দেখেন যা একজন বন্ধু ইতিমধ্যেই এর ব্র্যান্ড না জেনেই কিনেছেন—যে কোম্পানির লোগোটি তৈরি করা হয় তার লোগো না দেখে কোনো পণ্যের সাথে যোগাযোগ করা প্রায় অসম্ভব।

বেশির ভাগ ব্র্যান্ডের জন্য, তাদের লোগো হল ব্র্যান্ডের জন্য দাঁড়িয়ে থাকা সমস্ত কিছুর সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা। আপনি শুধুমাত্র তাদের লোগো থেকে একটি ব্যবসা সম্পর্কে অনেক তথ্য ব্যাখ্যা করতে পারেন। তারা হয়ত একটি সেরিফ ফন্ট বেছে নিয়েছিল যাতে আরও আনুষ্ঠানিক দেখা যায়, যেখানে একটি স্ক্রিপ্ট ফন্ট একটি ব্র্যান্ডকে আরও কারুশিল্প-ভিত্তিক বোধ করতে পারে। রঙের মনোবিজ্ঞানও খেলতে পারে—কমলা আশাবাদী এবং ভাল-মান, নীল শান্ত এবং প্রযুক্তিগত বোধ করে। সোনা বা তামার মতো ধাতব টোন আনা বিলাসবহুল ফ্যাক্টরকে বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং একটি ব্র্যান্ডকে আরও উচ্চাকাঙ্ক্ষী বোধ করাতে পারে। 

যেহেতু একটি লোগো শুধুমাত্র গ্রাহকদের জন্য আপনার ব্র্যান্ডের সাথে পরিচিতির মাধ্যমই নয় , বরং এটি আপনার ব্র্যান্ডটির সবকিছুর একটি চাক্ষুষ সারাংশও, তাই লোগোটি আপনার ব্র্যান্ড পরিচয় ডিজাইন তৈরি করার জন্য একটি স্বাভাবিক সূচনা পয়েন্ট।

একটি লোগো তৈরি করা শুরু করতে আপনাকে আপাতত কম্পিউটার থেকে দূরে সরে যেতে হবে৷ একটি কলম বা পেন্সিল এবং একটি বড় স্কেচপ্যাড নিন। প্রাথমিক ধারণাগুলি উপস্থাপন করে এমন দ্রুত ডুডল তৈরি করা শুরু করুন। 

এমন কিছু ধারণার জন্য লক্ষ্য করুন যেগুলির একটি প্রতীকী জোর রয়েছে (আরো চিত্র-ভিত্তিক) এবং অন্যগুলি যা ব্যবসার নামের টাইপ-স্টাইলের সাথে খেলা করে। কোনো একক ধারণায় বেশিক্ষণ থাকবেন না; প্রতিটির জন্য কয়েক মিনিট যথেষ্ট হবে। রঙ, শৈলী বা ধারণাটি উন্নত করার সম্ভাব্য উপায় সম্পর্কে আপনার যে কোনও ধারণা পরে নিজেকে মনে করিয়ে দিতে নোটের সাথে প্রতিটি ধারণা লিখে রাখুন ।

আপনি পৃষ্ঠাটি পূরণ করার পরে, এটিকে একপাশে রাখুন এবং পরবর্তী পৃষ্ঠায় যান। 2-3টি পৃষ্ঠাগুলিকে প্রচুর ভিন্ন, আকর্ষণীয় ধারণা দিয়ে পূরণ করার লক্ষ্য রাখুন। চিন্তা করবেন না যদি আপনি মনে করেন যে কিছু ধারণা অন্যদের তুলনায় দুর্বল, আপনি কখনই জানেন না কোন স্কেচ একটি আশ্চর্যজনক ধারণার জন্য একটি স্প্রিংবোর্ড হবে।

আপনার আকা শেষ হয়ে গেলে, আপনার স্কেচপ্যাড থেকে দূরে সরে যান এবং একটি কফির জন্য একটু বিরতি নিন। আপনি যখন আপনার কাজে ফিরে আসবেন তখন আপনি একটি নতুন মন নিয়ে আপনার ধারণাগুলিকে নতুন আলোতে দেখতে সক্ষম হবেন। 

4. তিনটি লোগো ধারণাকে চূড়ান্ত করুন

পরিমার্জন করুন, তারপর বাইরের মতামত সন্ধান করুন। বুদ্ধিমত্তার প্রক্রিয়াটিকে মূল্য দিন এবং খুব তাড়াতাড়ি একটি ধারণার প্রতি আবেগগতভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়া এড়িয়ে চলুন।

আপনি যখন আপনার লোগোর স্কেচগুলিতে ফিরে আসেন তখন সতেজ বোধ করবেন, আপনার ডিজাইনগুলিকে সমালোচনামূলকভাবে দেখুন ৷ কোন স্কেচ অবিলম্বে অন্যদের তুলনায় শক্তিশালী প্রদর্শিত হবে? আপনার কিছু প্রতীকী ধারণা কি খুব জটিল একজন বহিরাগতের পক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে বোঝা যায়? তিনটি ডিজাইন চিহ্নিত করুন যেগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা রয়েছে—সম্ভবত তাদের একটি শক্তিশালী থিম্যাটিক ধারণা বা সহজভাবে একটি শক্তিশালী ভিজ্যুয়াল শৈলী রয়েছে—এবং প্রতিটি ধারণাকে নিজস্ব একটি পৃষ্ঠায় দিয়ে বিভিন্ন স্কেচে তাদের আরও পরিমার্জন করুন।

এই পর্যায়ে শুধুমাত্র একটি ধারণা এড়িয়ে চলা অনেক ভালো। এমনকি যদি আপনি মনে করেন যে তিনটির মধ্যে একটি ধারণা সবচেয়ে শক্তিশালী, আপনাকে এই পর্যায়ে আপনার বিকল্পগুলি খোলা রাখতে হবে। একবার আপনার পরিমার্জিত স্কেচ হয়ে গেলে, বাইরের মতামত সন্ধান করুন। কয়েকজন বন্ধু, পরিবারের সদস্য বা সহকর্মীদের ধরুন এবং তাদের তিনটি ডিজাইন দেখতে বলুন। আপনি দেখতে পাবেন যে তারা এমন একটি নকশা পছন্দ করে যা আপনার ব্যক্তিগত পছন্দের নয়, তবে হতাশ হবেন না। এটি নিশ্চিত করবে যে আপনার ব্র্যান্ডের বাণিজ্যিক আবেদন রয়েছে এবং এটি শুধুমাত্র আপনার ব্যক্তিগত রুচির উপর ভিত্তি করে নয়।

অন্যদের পাশাপাশি আপনার নিজের মতামতের উপর ভিত্তি করে আপনার শক্তিশালী ডিজাইনে স্কেচগুলিকে সংকুচিত করুন। নকশাকে আরও পরিমার্জিত করার সুযোগ ব্যবহার করে কালো কালিতে স্কেচের একটি অনুলিপি তৈরি করুন। আপনি নকশাটিকে আরও ন্যূনতম এবং সিলুয়েটেড করেছেন কিনা তা বিচার করার জন্য এটি একটি দুর্দান্ত অনুশীলন।

সমস্ত লোগোকে সাধারণ কালো এবং সাদা রঙে সমানভাবে কাজ করতে হবে যেমন তারা সম্পূর্ণ রঙে করে। তারপর আপনি আপনার লোগো ডিজাইনটি কম্পিউটারে ভেক্টরাইজ করার জন্য স্থানান্তর করতে প্রস্তুত। আপনার কাছে থাকলে একটি স্ক্যানার ব্যবহার করে কালো কালির স্কেচটি স্ক্যান করুন, অথবা একটি উচ্চ-রেজোলিউশন ছবি তুলতে একটি ক্যামেরা বা ফোন ব্যবহার করুন৷

5. রঙ সম্পর্কে চিন্তা করুন

একবার আপনি আপনার কম্পিউটারে আপনার কালো-সাদা স্কেচ আপলোড করলে এটি ভেক্টরাইজ করার সময়! আপনি চূড়ান্ত ভেক্টর লোগো তৈরি করার জন্য একটি টেমপ্লেট হিসাবে আপনার স্ক্যান করা নকশা ব্যবহার করতে পারেন।

আপনার পছন্দের প্রোগ্রামে (যেমন Adobe Illustrator বা CorelDRAW) একটি লক করা স্তরে আসল নকশাটি রাখুন এবং এর উপরে আপনার ভেক্টর তৈরি করুন, চিত্রটিকে ট্রেসিং সহায়তা হিসাবে ব্যবহার করে৷ যদিও এটি আদর্শ নয়, আপনার যদি ভেক্টর সফ্টওয়্যারের সাথে আত্মবিশ্বাসের অভাব হয় তবে ‘প্রতারণা’ করার উপায় রয়েছে — অ্যাডোব ইলাস্ট্রেটরে ইমেজ ট্রেস ফাংশন (উইন্ডো > ইমেজ ট্রেস) ব্যবহার করে দেখুন।

এখন সময় এসেছে রঙ নিয়েও পরীক্ষা শুরু করার। আপনার বাজার গবেষণায় ফিরে চিন্তা করুন – আপনার ব্র্যান্ডের সেক্টরে ঘন ঘন ক্রপ করা কোন রং কি ছিল? আপনি রঙের মনোবিজ্ঞানের নীতিগুলিও ট্যাপ করতে পারেন। আপনার লোগোর রঙ পরিবর্তন করার চেষ্টা করুন এবং এটি কীভাবে সামগ্রিক প্রভাব পরিবর্তন করে তা বিচার করুন। একটি আংশিক রঙ আপনাকে কেমন অনুভব করে? আপনি আপনার ব্র্যান্ডের সাথে যা অর্জন করার চেষ্টা করছেন তার সাথে কি এই মানসিক টান মানায়?

উদাহরণস্বরূপ, যদি একটি সোনার রঙ এই জিমের লোগোটিকে বিলাসবহুল বোধ করে তবে আপনার জিমের ইউএসপি গ্রাহকদের জন্য সস্তায় যোগদানের ফি প্রদান করা হলে এটি ভুল বার্তা পাঠাতে পারে। সেই ক্ষেত্রে, আরও শান্ত, দক্ষ-সুদর্শন নীল একটি ভাল পছন্দ হবে।

আপনার নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড এবং পণ্যগুলির সাথে দীর্ঘমেয়াদী রঙের সংযোগের প্রভাবগুলিও বিবেচনা করা উচিত। 

6. আপনার ব্র্যান্ড প্রসারিত করুন:

একবার আপনি আপনার লোগোকে ভেক্টরাইজ করে এবং একটি উপযুক্ত রঙের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিলে আপনি আপনার ব্র্যান্ড প্রসারিত করতে প্রস্তুত। আপনার ব্র্যান্ডের ব্যক্তিত্বকে সংজ্ঞায়িত করার মূল উপায়গুলির মধ্যে একটি হল টাইপফেসগুলি বেছে নেওয়া যাতে আপনি আপনার ব্র্যান্ডের পরিচয় দিতে চান এমন কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

বেশিরভাগ ব্র্যান্ড দুটি ‘ব্র্যান্ড টাইপফেস’ গ্রহণ করে, একটি হেডার এবং স্লোগানের জন্য এবং অন্যটি বডি টেক্সটের জন্য। কিছু বড় ব্র্যান্ড একটি কাস্টম ফন্ট কমিশন করতে পারে যা তাদের কাছে সম্পূর্ণ অনন্য, কিন্তু বেশিরভাগ ব্যবসা কেবল তাদের ব্র্যান্ডের সাথে মানানসই ফন্ট গ্রহণ করবে। Adobe তাদের ব্র্যান্ড পরিচয়ের জন্য ক্লিন এবং মিনিয়ন ফন্ট ব্যবহার করে ।

আপনার নিজের ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি ডিজাইনের সাথে কী মানানসই হতে পারে সে সম্পর্কে কিছু ধারণা পেতে ফন্টের একটি বিস্তৃত পরিসর ব্রাউজ করুন।

বড় হাতের সান সেরিফরা আত্মবিশ্বাসী এবং আধুনিক বোধ করে। একটি আরও তীক্ষ্ণ, গ্রাফিক চেহারার জন্য একটি গোলাকার শৈলী প্রতিস্থাপন করা একটি ব্র্যান্ডকে আরও দৃঢ় এবং পুরুষালি বোধ করতে পারে।

কয়েকটি বিকল্পের প্রিন্ট-আউট তৈরি করুন এবং তাদের তুলনা করুন। টাইপফেসের প্রতিটি শৈলী আপনার ব্র্যান্ডে কী ব্যক্তিত্বের বৈশিষ্ট্য নিয়ে আসে? আপনি কি একটি সেরা ফিট সনাক্ত করতে পারেন, যা আপনার লোগো ডিজাইনের পরিপূরক এবং এটির জন্য সঠিক ব্যক্তিত্ব রয়েছে?

7. আপনার ব্র্যান্ড প্রসারিত করুন: ফটোগ্রাফি এবং গ্রাফিক্স

একটি ব্র্যান্ড পরিচয় শুধুমাত্র একটি লোগো এবং টাইপ দিয়ে তৈরি হয় না। ফটোগ্রাফি এবং গ্রাফিক্সের মতো অন্যান্য ভিজ্যুয়াল উপাদানগুলি সম্পর্কে চিন্তা করে আপনার ব্র্যান্ড প্রসারিত করা চালিয়ে যান। যদিও আপনার লোগো, রঙ এবং টাইপফেসগুলি আপনার স্টেশনারি, বিপণন এবং ওয়েবসাইটে স্থির থাকতে পারে, বিশেষ ডিল, বিজ্ঞাপন বা পণ্য-নির্দিষ্ট প্যাকেজিংয়ের মতো নির্দিষ্ট বার্তাগুলিকে যোগাযোগ করতে আপনি যে ছবিগুলি ব্যবহার করেন তা অবশ্যম্ভাবীভাবে পরিবর্তিত হবে৷

আপনি যখন বিভিন্ন চিত্র ব্যবহার করছেন তখন আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে যে তাদের মধ্যে সামঞ্জস্যের একটি উপাদান রয়েছে। এটি আপনার ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনের জন্য শুধুমাত্র একটি স্টাইল ফটো ব্যবহার করার কথা বলার মতো সহজ হতে পারে। ধরা যাক আপনি একটি খাদ্য ব্যবসার জন্য একটি ব্র্যান্ড পরিচয় ডিজাইন করছেন। আপনার ব্র্যান্ডের একটি নিয়ম হতে পারে যে আপনি শুধুমাত্র ওভারহেড শট ব্যবহার করবেন।

ধরা যাক আপনি একাধিক অফিস সহ একটি লাইফস্টাইল কোম্পানি ব্যবহার করার জন্য একটি ব্র্যান্ড ডিজাইন করছেন। আপনি ইমেজ সম্পর্কিত আরও কিছু নিয়ম তৈরি করতে চাইতে পারেন যাতে সমস্ত বিপণন আউটপুট সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং ব্র্যান্ডের জন্য আপনার সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ দেখায়। আপনি বলতে পারেন যে সমস্ত চিত্রগুলি মানুষের ফটো হতে হবে, তবে শুধু তাই নয়, সেগুলিকে সাদা-কালো প্রতিকৃতি হতে হবে এবং ব্যক্তিকে ক্যামেরার দিকে মুখ দেখাতে হবে৷

8. আপনার ব্র্যান্ড প্রয়োগ করুন

আপনি একটি লোগো এবং ফন্ট বাছাই করেছেন, এবং চিত্রগুলি ব্যবহার করার জন্য আপনার নিয়মগুলি সেট করুন৷ এখন মুদ্রণ এবং ডিজিটাল মিডিয়াতে আপনার ব্র্যান্ড প্রয়োগ করা শুরু করার সময়। গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য আপনার ব্যবসা প্রতিদিনের ভিত্তিতে যে মিডিয়া ব্যবহার করে তা অগ্রাধিকার দিন—আপনি যদি দূর থেকে কাজ করেন তবে এর অর্থ হতে পারে আপনার ওয়েবসাইটকে অগ্রাধিকার দেওয়া সর্বোত্তম, এবং আপনার ইমেল স্বাক্ষরেও আপনার লোগো যোগ করতে ভুলবেন না। আপনি যদি অনেক নেটওয়ার্কিং ইভেন্ট বা কনফারেন্সে যোগ দেন, তাহলে একটি ব্র্যান্ডেড বিজনেস কার্ড আপনাকে ভালো জায়গায় রাখবে।

তবে আপনার ব্র্যান্ডকে মুদ্রণ স্টেশনারিও প্রসারিত করা সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যখন সম্ভাব্য নতুন ক্লায়েন্টদের সাথে নিজেকে পরিচয় করিয়ে দিতে চান তখন আপনি একটি ব্র্যান্ডেড লেটারহেড (এবং একটি খামও, যদি আপনার সময় থাকে) দিতে পারেন।

আপনার ব্যবসার যদি অনেক কর্মী বা অফিস থাকে তবে আপনাকে একটি ব্র্যান্ড নির্দেশিকা ম্যানুয়াল তৈরি করার দিকেও নজর দিতে হবে। স্টাফ এবং ঠিকাদারদের যেকোন কিছুর জন্য আপনার ব্র্যান্ডিং প্রয়োগ করার সঠিক উপায় দেখানোর জন্য এটি একটি নথি হবে—স্টেশনারি, ফ্লায়ার এবং বিপণন সামগ্রীর মতো ছোট আকারের আইটেম থেকে শুরু করে কোম্পানির প্রকাশ্যে কীভাবে প্রতিনিধিত্ব করা হয় তার বড় আকারের ব্যাখ্যা, যেমন অফিস ডিজাইন, বিজ্ঞাপন এবং ওয়েবসাইট ডিজাইন হিসাবে।

9. আপনার ব্র্যান্ড পর্যালোচনা করুন

আপনি আপনার ব্র্যান্ড পরিচয় ডিজাইন শেষ করেছেন, অভিনন্দন! এখন কি?

ঠিক আছে, আপনি শেষ কাজটি করতে চান বলে মনে হতে পারে, তবে আপনার ব্র্যান্ডটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে তা পর্যালোচনা করার জন্য আপনাকে আপনার মন উন্মুক্ত রাখতে হবে।

এর প্রথম অংশটি গবেষণা ভিত্তিক। গ্রাহকরা ব্র্যান্ডের প্রতি কীভাবে সাড়া দেয় তা লক্ষ্য করুন। আপনার যদি একটি ফিজিক্যাল স্টোর থাকে তবে এটি করা সহজ হতে পারে এবং আপনার কাছে ব্যক্তিগতভাবে আপনার ব্র্যান্ড সম্পর্কে সমীক্ষা পরিচালনা করার একটি দুর্দান্ত সুযোগ রয়েছে।

যদি আপনার ব্যবসা অনলাইন ভিত্তিক হয়, তাহলে আপনি সমীক্ষা চালানোর জন্য ইমেল তালিকা ব্যবহার করতে চাইতে পারেন (প্রতিক্রিয়া দেওয়ার জন্য ডিসকাউন্ট এবং অফারগুলি ব্যবহার করুন) বা আপনার নতুন ব্র্যান্ড লুক চালু করার কয়েক সপ্তাহ এবং মাসগুলিতে বিক্রয় কর্মক্ষমতা বিশ্লেষণ করতে পারেন। যদি আপনার বিক্রয়ের উন্নতি হয়, তবে এটি একটি শক্তিশালী লক্ষণ যে আপনার ব্র্যান্ড ভাল পারফর্ম করছে। যদি আপনার বিক্রয় আগের মতোই থাকে বা আরও খারাপ হয়, তাহলে এটি একটি চিহ্ন হতে পারে যে আপনার ব্র্যান্ডটি ভালভাবে গ্রহণ করা হচ্ছে না।

যদি আপনার ব্র্যান্ডটি পুরোপুরি কাজ না করে তবে আপনার হতাশ হওয়া উচিত নয়। এটি সত্যিই সাধারণ কারণ ব্যবসাগুলি তাদের চাক্ষুষ পরিচয় এবং বাজারে অনন্য স্থান খুঁজে বের করার চেষ্টা করে। আপনি কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখান তা আরও গুরুত্বপূর্ণ।

এখনই সময় আপনার ব্র্যান্ড পর্যালোচনা করার, এবং হয় বিদ্যমান পরিচয়ের উপাদানগুলিকে টুইক করা (রঙের মতো সাধারণ উপাদানগুলি পরিবর্তন করা একটি ব্র্যান্ড কীভাবে কার্য সম্পাদন করে তার উপর বিশাল প্রভাব ফেলতে পারে) বা স্ক্র্যাচ থেকে একটি নতুন পরিচয় তৈরি করার সময়। বাজার গবেষণা পর্যায়ে ফিরে যান এবং দেখুন যে আপনি কিছু মিস করতে পারেন কিনা। আপনি কি আপনার শিল্প গবেষণার সাথে আরও পুঙ্খানুপুঙ্খ হতে পারেন? আপনি কি আপনার লোগো ডিজাইন সম্পর্কে আরও বাইরের পরামর্শ চাইতে পারেন?

একটি ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি ডিজাইন করা একটি সুনির্দিষ্ট বিজ্ঞান নয়, তবে একটি পদ্ধতিগত, পরিমাপিত পদ্ধতির সাহায্যে, আপনি এমন কিছু তৈরি করতে সত্যিই ভাল শট নিতে পারেন যা একটি আবেগগত এবং বাণিজ্যিক স্তরে মানুষের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।

আব্দুল্লাহ আল নুমান

ইন্সট্রাক্টর

ড্যাফোডিল পলিটেকনিক কলেজ