Plastering-15

প্লাস্টারিং

ইট অথবা পাথর দ্বারা তৈরি কাঠামো যেমন- দেওয়াল,কলাম, সিঁড়ি এবং অন্যান্য উপাংশ এর ভিতর বা বাইরের অসমান পৃষ্ঠদেশকে সমতল, মসৃণ, শোভনীয় এবং আদ্রর্তারোধী করার জন্য মসলার সাহায্যে যে পাতলা স্তর দ্বারা আচ্ছাদিত বা ঢেকে দেয়া হয় তাকে প্লাস্টার বলে। প্লাস্টারিং করার পর কাঠামো মজবুত এবং পৃষ্ঠদেশ মসৃণ ও সুন্দর দেখায়।

প্লাস্টার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন কারিগরি শব্দের বর্ণনা। যথা-

প্লাস্টারের প্রথম কোট দেওয়ালের যে পৃষ্ঠে দেয়া হয়, উক্ত সারফেস বা পৃষ্ঠকে গাত্রস্তর বা ব্যাকগ্রাউন্ড বলে। প্লাস্টারকৃত সমতল পৃষ্ঠের মধ্যে ফোসক সৃষ্টি হওয়াকে ব্লিস্টারিং বলে। মসলার সঠিক সংবন্ধন না হওয়ায় ফলে প্লাস্টার এর দুই স্তরের মধ্যে ঠিকমতো জোড়া লাগে না। ফলে উপরের প্লাস্টার স্তর মাঝে মাঝে উঠে যায়। এটিকে ফ্লেকিং বলে। মূল গা থেকে প্লাস্টার খসে পড়াকে প্লাস্টার চ্যুতি বা পিলিং বলে। কর্নিক বা উঠলো বেশি মাত্রায় ঘষে প্লাস্টারকে মসৃণ করার চেষ্টা করলে মসলার সিমেন্টের সূক্ষ্ম দানাগুলো পানির সাথে প্লাস্টারের উপরে উঠে একটি পাতলা স্তর গঠন করে। এই স্তরকেই লেইট্যান্স বলে। প্লাস্টারকৃত দেওয়ালের নিম্ন অংশকে ড্যাডো বলে। এখানে প্লাস্টারকে অধিকতর প্রতিরোধী ক্ষমতা সম্পন্ন করার জন্যে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। অন্যকথায়, দেওয়ালের নিম্ন অংশে প্লাস্টারকে মেঝের তলের সঙ্গে মিলানোর জন্যে বিশেষভাবে তৈরিকৃত অংশকে ড্যাডো বলে।

প্লাস্টার এর সমাপক স্তরে এলোমেলোভাবে মে সরু সরু ফাটল দেখা যায় তাকে ক্রেজিং বা হেয়ার ক্র্যাক বলে। কোন কাঠামোর দুই পাশে যখন আলো-বাতাস অথবা উত্তাপের তারতম্যের প্রভাব বেশি হয়, তখন কাঠামোর দুই পাশে ধীরে ধীরে ছোপ ছোপ দাগ ফুটে উঠে। এটিকেই গাত্র দাগ বা স্ট্রেইনিং বলে। প্লাস্টার শেষে প্লাস্টারের গায়ে মাঝে মাঝে গভীর ফাটল দেখা দেয় এটিকে ক্রাকিং বলে। সাধারণত দেওয়ালের বা কাঠামোর নড়া-চড়ার ফলে এই প্রকার গভীর ফাটলের সৃষ্টি হয়। দেওয়াল গাঁথুনির মাঝে মাঝে ভারা বাঁধার জন্য ফাঁকা রাখা হয়, প্লাস্টার করার পূর্বে ঐ ফাঁকাগুলোকে ইটের টুকরা দিয়ে বা ঢালাই করে বন্ধ করা হয়, একেই ফাঁকা বন্ধন বলে। প্লাস্টার সারফেসকে ব্যাক গ্রাউন্ড বা দেওয়ালের জয়েন্টের নমুনায় প্রদর্শন করানোকে গ্রাইনিং বলে। প্লাস্টারকে দেওয়ালে আটকানোর জন্য মূল দেওয়ালকে অমসৃণ বা ক্ষত করার পদ্ধতিকে হ্যাকিং বলে। স্ক্রিড স্থাপন করার জন্য ব্যাকগ্রাউন্ডের উপর প্লাস্টার মসলার ছোট ছোট প্রকেজশন নির্মাণ করাকে ডটস বলে। এর আকার ১৫ সেমি x ১৫ সেমি হয়ে থাকে। মসলার খাড়া স্ট্রিপকে ক্রিড বলে। মসলার বিভিন্ন উপাদানকে তাদের নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশ্রণের পদ্ধতিকে গেজিং বলে। প্রাইমারি ফিনিশিংকে আবদ্ধ করার জন্য যে সমস্ত কাঠের স্ট্রিপ ব্যাক গ্রাউন্ডে লাগানো হয়। তাদেরকে গ্রাউন্ড বা ধারকপাত বলে। প্লাস্টারের মেকানিক্যাল বন্ড সৃষ্টির জন্য ব্যাক গ্রাউন্ডে যে সমস্ত ফাঁকা, গর্ত, ঢেউ ইত্যাদি রাখা হয় তাকে কী বলে। মূল গায়ে কিছু ফাঁকা এবং উঁচু নিচু জায়গা থাকে। এটি মসলার বন্ডিং – এর কাজ করে। যার উপর প্রারম্ভিক স্তরের মসলাকে চেপে বসিয়ে দেওয়া হয়। এই উঁচু নিচু বা ফাঁকা জায়গাগুলোকে প্লাস্টার বন্ধক বলে।

উচিংলা মারমা

ইন্সট্রাক্টর

ডিপার্টমেন্ট অব সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং

ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।

রোবটিক্স এর A টু Z-14

রোবটিক্স এর A টু Z

বর্তমানে মানুষের কাজকে সহজতর করার জন্য রোবটিক্সের ভূমিকা অপরিসীম। ঘর বাড়ি পরিষ্কার থেকে শুরু করে, বিনোদন, চিকিৎসা ক্ষেত্র সব জায়গায় রোবটিক্স কাজ করে থাকে৷ বিভিন্ন জটিল ও কঠিন কাজের দ্রুত সমাধান করে থাকে রোবট। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে রোবটিক্সের ভূমিকা আমরা একটু খেয়াল করলেই দেখতে পারব।

রোবটিক্স কী?

কম্পিউটার বিজ্ঞানের যে শাখায় মানুষের কাজকে সহজ ও সহজতর করার জন্য যে ধরনের ডিভাইস ইউজ করা হয় সে সম্পর্কে আলোচনা করা হয় তাকে রোবটিক্স বলা হয়। রোবটিক্স কম্পিউটার বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যা পরিবেশ থেকে ডাটা নিতে পারে এবং সেই ডেটার উপর ভিত্তি করে কোন কাজ করতে পারে। রোবটিক্স সাধারণত আলোচনা করে কিভাবে মানুষের জটিল ও কঠিন কাজটি সহজে ও দ্রুত সমাধান করা যায় যা সাধারণত মানুষ করতে পারে না বা করতে অনেক সময় লাগে। 

রোবট কী?

রোবট হচ্ছে এমন এক ধরনের যন্ত্র যা পরিবেশ থেকে ডাটা সেন্স করে নিতে পারে, সেই ডেটাকে প্রসেস করতে পারে, সেই প্রসেসকৃত ডেটার উপর ভিত্তি করে কোন একটা সিদ্ধান্ত নিতে পারে। একটা রোবটের বিভিন্ন ধরনের সেন্সর থাকে একেকটা সেন্সর একেক ধরনের ডাটা সেন্স করে থাকে পরিবেশ থেকে। 

একটি রোবট হল রোবোটিক্স ক্ষেত্রের পণ্য, যেখানে প্রোগ্রামেবল মেশিন তৈরি করা হয় যা মানুষকে সাহায্য করতে পারে বা মানুষের ক্রিয়াকলাপ অনুকরণ করতে পারে।  রোবটগুলি মূলত একঘেয়ে কাজগুলি পরিচালনা করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল (যেমন অ্যাসেম্বলি লাইনে গাড়ি তৈরি করা), কিন্তু তারপরে আগুনের সাথে লড়াই করা, ঘর পরিষ্কার করা এবং অবিশ্বাস্যভাবে জটিল অস্ত্রোপচারে সহায়তা করার মতো কাজগুলি সম্পাদন করার জন্য তাদের প্রাথমিক ব্যবহারের বাইরেও প্রসারিত হয়েছে।  প্রতিটি রোবটের স্বায়ত্তশাসনের আলাদা স্তর রয়েছে, মানব-নিয়ন্ত্রিত বটগুলি থেকে শুরু করে যে সমস্ত কাজগুলি একজন মানুষের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং সম্পূর্ণ স্বায়ত্তশাসিত বটগুলি কোনও বাহ্যিক প্রভাব ছাড়াই কাজগুলি সম্পাদন করে।

প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে রোবোটিক্স হিসাবে বিবেচিত হওয়ার সুযোগও বৃদ্ধি পাচ্ছে।  2005 সালে, সমস্ত রোবটগুলির 90% স্বয়ংচালিত কারখানাগুলিতে গাড়ির সংযোজন দেখা যায়।  এই রোবটগুলিতে প্রধানত যান্ত্রিক অস্ত্র থাকে যা একটি গাড়ির নির্দিষ্ট অংশে ঢালাই বা স্ক্রুইংয়ের কাজ করে।  আজ, আমরা রোবোটিক্সের একটি বিকশিত এবং প্রসারিত সংজ্ঞা দেখতে পাচ্ছি যার মধ্যে রয়েছে এমন বটগুলির বিকাশ, সৃষ্টি এবং ব্যবহার যা পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন অবস্থার অন্বেষণ করে, রোবট যা আইন-প্রয়োগকারীকে সহায়তা করে এবং এমনকি রোবটগুলি যা স্বাস্থ্যসেবার প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে সহায়তা করে।

রোবোটিক্সের সামগ্রিক বিশ্ব যখন প্রসারিত হচ্ছে, একটি রোবটের কিছু সামঞ্জস্যপূর্ণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে:

রোবট সমস্ত কিছু ধরণের যান্ত্রিক নির্মাণ নিয়ে গঠিত।  একটি রোবটের যান্ত্রিক দিক এটিকে যে পরিবেশের জন্য এটি ডিজাইন করা হয়েছে তার কাজগুলি সম্পূর্ণ করতে সহায়তা করে।  উদাহরণস্বরূপ, মঙ্গল 2020 রোভারের চাকাগুলি পৃথকভাবে মোটরচালিত এবং টাইটানিয়াম টিউব দিয়ে তৈরি যা এটিকে লাল গ্রহের কঠোর ভূখণ্ডকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরতে সাহায্য করে।

রোবটের বৈদ্যুতিক উপাদান প্রয়োজন যা যন্ত্রপাতি নিয়ন্ত্রণ এবং শক্তি দেয়।  মূলত, একটি বৈদ্যুতিক প্রবাহ (উদাহরণস্বরূপ, একটি ব্যাটারি) রোবটগুলির একটি বৃহৎ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার জন্য প্রয়োজন।

রোবট অন্তত কিছু স্তরের কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ধারণ করে।  কোডের একটি সেট ছাড়াই এটিকে কী করতে হবে, একটি রোবট হবে সাধারণ যন্ত্রপাতির আরেকটি অংশ।  একটি রোবটে একটি প্রোগ্রাম সন্নিবেশ করালে এটি কখন এবং কীভাবে একটি কাজ সম্পাদন করতে হবে তা জানার ক্ষমতা দেয়।

রোবটের সাধারণ ব্যবহার:

 1) রোবটগুলি সেই কাজগুলি সম্পাদন করতে ব্যবহৃত হয় যা মানুষের জন্য বিপজ্জনক যেমন পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান সঞ্চালিত পাম্প হাউজিং পরিষ্কার করা।  এটি “ডিকন্টামিনেটিং রোবট” নামে বিশেষ রোবট দ্বারা করা হয়।

2) ওয়েল্ডিং রোবটটি শ্রমের কাজগুলি সম্পাদন করতে ব্যবহৃত হয় যা শ্রমিকদের জন্য চাপযুক্ত এবং বিরক্তিকরও কারণ তারা একই কাজগুলি বারবার করতে ক্লান্ত হয়ে পড়ে।

 3) স্ক্রাবমেট রোবটটি সামান্য কাজগুলি সম্পাদন করতে ব্যবহৃত হয় যা একজন মানুষ করতে চায় না এবং দ্বিধা বোধ করে।

অ্যাপলিকেশন:

যেহেতু আরও বেশি সংখ্যক রোবট নির্দিষ্ট কাজের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, শ্রেণীবিভাগের এই পদ্ধতিটি আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে।  উদাহরণস্বরূপ, অনেক রোবট সমাবেশ কাজের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, যা অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশনের জন্য সহজেই মানিয়ে নেওয়া যায় না।  তাদের “অ্যাসেম্বলি রোবট” বলা হয়।  সীম ওয়েল্ডিংয়ের জন্য, কিছু সরবরাহকারী একটি সমন্বিত ইউনিট হিসাবে রোবটের সাথে সম্পূর্ণ ঢালাই ব্যবস্থা প্রদান করে যেমন ঢালাই সরঞ্জাম সহ অন্যান্য উপাদান পরিচালনার সুবিধা যেমন টার্নটেবল ইত্যাদি।  এই ধরনের একটি সমন্বিত রোবোটিক সিস্টেমকে “ওয়েল্ডিং রোবট” বলা হয় যদিও এর বিচ্ছিন্ন ম্যানিপুলেটর ইউনিট বিভিন্ন কাজের জন্য অভিযোজিত হতে পারে।  কিছু রোবট বিশেষভাবে ভারী লোড ম্যানিপুলেশনের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, এবং “হেভি-ডিউটি ​​রোবট” হিসাবে লেবেল করা হয়েছে।

ক্যারিয়ার: 

অনেক আধুনিক উত্পাদন পরিবেশে রোবোটিক্স একটি অপরিহার্য উপাদান।  কারখানাগুলি তাদের রোবটের ব্যবহার বাড়ায়, রোবোটিক্স-সম্পর্কিত কাজের সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি পেতে দেখা গেছে।  শিল্পে রোবটের কর্মসংস্থান উৎপাদনশীলতা এবং দক্ষতার সঞ্চয় বাড়িয়েছে এবং এটি সাধারণত উপকারকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ হিসাবে দেখা হয়।  মাইকেল অসবর্ন এবং কার্ল বেনেডিক্ট ফ্রেয়ের একটি গবেষণাপত্রে দেখা গেছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের 47 শতাংশ চাকরি “কিছু অনির্দিষ্ট সংখ্যক বছর ধরে” অটোমেশনের ঝুঁকিতে রয়েছে।  এই দাবিগুলির সমালোচনা করা হয়েছে যে সামাজিক নীতি, এআই নয়, বেকারত্বের কারণ।  দ্য গার্ডিয়ানের একটি 2016 প্রবন্ধে, স্টিফেন হকিং বলেছেন “কারখানার স্বয়ংক্রিয়তা ইতিমধ্যেই ঐতিহ্যবাহী উত্পাদনে চাকরির অবসান ঘটিয়েছে, এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্থান সম্ভবত সবচেয়ে যত্নশীল, সৃজনশীল ব্যক্তিদের মধ্যবিত্তদের মধ্যে এই কাজের ধ্বংসকে গভীরভাবে প্রসারিত করবে।  বা তত্ত্বাবধায়ক ভূমিকা বাকি”।

একটি Global Data সেপ্টেম্বর 2021 রিপোর্ট অনুসারে, 2020 সালে রোবোটিক্স শিল্পের মূল্য ছিল $45bn, এবং 2030 সালের মধ্যে, এটি 29% থেকে $568bn এর চক্রবৃদ্ধি বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হারে (CAGR) বৃদ্ধি পাবে, যা রোবোটিক্স এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পে চাকরির চালনা করবে।

KH Mehedi Hasan

Instructor

Daffodil Polytechnic Institute

Anandaloy Center-13

Anandaloy Center

In Rudrapur, a village in the Dinajpur District of northern Bangladesh, stands this mud and bamboo construction that houses a therapy center for people with disabilities and a workshop for Dipdii Textiles, a clothes-making project for local women that Anna Heringer and Veronika Lang launched with the NGO Dipshikha.

In collaboration with villagers and disabled people, the German architect explored the plasticity and beauty of mud, using a technique that needs no formwork and makes it easy to raise a winding ramp and curved walls. These strike a contrast with the surrounding rectangular volumes. 

Figure: Anandaloy Center

                                                  

Project Brief:

Architects: Studio Anna Heringer
Area : 253 m²
Year : 2019
Photographs :Kurt Hoerbst, Stefano Mori
Lead Architect : Stefano Mori
Contractor : Montu Ram Shaw
Concept And Design : Anna Heringer
Client : Dipshikha
Sponsor : Kadoorie Foundation, Lutz & Hedda Franz Charitable Trust
Consulting : Martin Rauch, Andreas Guetling, Emmanuel Heringer
City : Rudrapur
Country : Bangladesh

The Anandaloy Building hosts a center for people with disabilities combined with a small studio for the production of fair textiles (Dipdii Textiles).


For Studio Anna Heringer, architecture is a tool to improve lives. The strategy of all of the projects no matter if in European, Asian or African context is the use of local materials + local sources of energy (including manual labor) + global know-how. Because the Anandaloy project is mainly built out of mud and bamboo from local farmers, the biggest part of the budget was invested in local crafts(wo)men. Thus, the building is much more than just a structure, it became a real catalyst for local development.

Figure: Google Map at  Anandaloy Center

                                                    

This project is the accumulation of the learning process of all the five previous projects in Rudrapur, including METI School. Unlike the other projects that were under German supervision, the site was managed by the Bangladeshi contractor, Montu Ram Shaw, and the team of mud and bamboo workers from the village, including some persons with disabilities.

Figure: Plan at Anandaloy Center

                                                 

In the beginning, the building was planned as a therapy center only, but we were able to extend the building into another story, hosting Dipdii Textiles, a studio for the female tailors in the village. This part of the building’s programme is co-initiated and taken care of by Studio Anna Heringer in order to allow women to find work in their villages. 

 

It is an effective counteract to the urban-rural migration. The concept was also not only to provide therapeutic treatment for the people with disabilities but also to provide them an opportunity to learn and work in that building and engage in the community there. Everybody wants to be needed.

Figure: Construction process

                 

With that particular mud technique, called cob, no formwork is needed and curves are just as easy to be done than straight walls. Unlike the other buildings in that area that are erected in a rectangular layout, the Anandaloy Building breaks out of the mold. It dances in curves, the ramp winds playfully around its inner structure.

  Figure: Construction process

                                                              

Figure: Textile work process

                                                                 

  

Source: Google

Shanta Islam                                                                 

Instructor

AIDT/Architecture Department

Daffodil Polytechnic Institute

Keyword Golden Ratio-12

KGR (Keyword Golden Ratio)

.

KGR (Keyword Golden Ratio) কি?

KGR (Keyword Golden Ratio) এমন এক ধরনের রেশিও, যা কোনো কিওয়ার্ডের রেশিও নির্ণয় করে খুব দ্রুত এবং সহজে সার্চ ইঞ্জিন এ রেঙ্ক পাওয়া সম্ভব। গোল্ডেন রেশিও সেই ধরনের একটি রেশিও যেখানে একটি কিওয়ার্ড এর অল ইন টাইটেল এবং সার্চ ভলিউম দিয়ে রেশিও বের করা হয়। বর্তমানে অনেক এসইও স্পেশালিস্ট ডিজিটাল মার্কেট রিসার্চ বিভিন্নভাবে করে থাকে এবং বিভিন্ন ফ্রী টুলস এর মাধ্যমে এই কী-ওয়ার্ড রিসার্চ করা যায়। কেজি আর বের করার জন্য  KGR ফর্মুলা ব্যবহার করা হয়ে থাকে। প্রশ্ন হচ্ছে কেজি আর ফর্মূলা কি?

কেজি আর গোল্ডেন রেশিও মেথড এ যে কেউ যেকোন কিওয়ার্ড নিয়ে খুব সহজেই শুধুমাত্র নিজের  সাইটের On Page এসইও করলেই গুগলের প্রথম Page আসতে পারবে। তাই এই মেথড কোন কিওয়ার্ড কে খুব দ্রুত রেঙ্ক পেতে সাহায্য করে থাকে তাই এটি খুবই জনপ্রিয় একটি এসইও টেকনিক। আর এই ফর্মুলাটা আবিষ্কারক হচ্ছে Niche Site Project এর CEO Doug Cunnington | KGR (Keyword Golden Ratio) পদ্ধতি বের হওয়ার পর ব্যাপকভাবে প্রত্যেকটি মহলে তিনি সমাদৃত হন এবং সবাই প্রশংসা করেন এবং বড় মানের ব্লগার এবং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার এই পদ্ধতির সাথে একমত পোষণ করেন |  এই পদ্ধতিটি কাজে লাগিয়ে  খুব সহজেই গুগোল এর প্রথম পজিশনে অরগানিক ট্রাফিক ওয়েবসাইটের জন্য আনা যায়।

KGR কিওয়ার্ড চেনার উপায় :

ফর্মুলাটা নিয়ে অনেক কিছুই বলা হলো কিন্তু কিভাবে এই ফর্মুলার মাধ্যমে  কি ওয়ার্ড খুঁজে বের করবেন সে বিষয়টা নিয়ে এখন আলোচনা করব । KGR পদ্ধতিতে যদি কোন কিওয়ার্ড খুঁজে পেতে হয় তাহলে অবশ্যই লো সার্চ ভলিউম যুক্ত কিওয়ার্ড অথবা 5 থেকে 8 ওয়ার্ড যুক্ত Long Tail কীওয়ার্ড নিতে হবে । মাসিক সার্চ ভলিউম জানার জন্য আমি keyword surfer chrome extension টি ব্যবহার করি, অথবা Keywords Everywhere chrome extension  টি ব্যবহার করি।

এভাবে কোন কিওয়ার্ডের সার্চ ভলিউম জানতে পারবেন অর্থাৎ মাসিক কতগুলো সার্চ হয় আপনার একই কীওয়ার্ড টার উপর ।  গুগলের সার্চ বক্সে টাইপ করতে হবে – allintitle: “Your Keyword” লিখে সার্চ করবেন।

ধরে নিচ্ছি  কিওয়ার্ড টি হোল–” best intra workout supplement ”. এবার Google এর সার্চ বক্সে লিখতে হবে – allintitle: best intra workout supplement । এবার একটু লক্ষ করলে দেখা যাবে Google আপনাকে কত গুলো রেজাল্ট দেখাচ্ছে।

এখন দেখতে পারলেন গুগল আপনাকে এই কীওয়ার্ড টির জন্য Allintitle: যে ভ্যালুটা দেখাচ্ছে সেটা হচ্ছে Allintitle Value : (174 ) । (allintitle:”Your Keyword” লিখে যতগুলো সার্চ রেজাল্ট Google থেকে পেয়েছেন, সেটা)/আপনার কিওয়ার্ডের মাসিক সার্চ ভলিউম।

এবার দেখুন ভাগফলের রেজাল্ট যদি 0.25 এর নিচে চলে আসে, তাহলে আপনার কিওয়ার্ড টি KGR ফর্মুলা নিয়ম অনুসারে আপনি এই কীওয়ার্ড টি আপনার ওয়েবসাইট জন্য নিতে পারেন। যদি 1.00 এর বেশি হয় তবে সেই কিওয়ার্ড গুলি নিব না।

আমাদের কিওয়ার্ডের ( best intra workout supplement ) সার্চ ভলিউম ছিল 210 Monthly । আমরা Allintitle: পেলাম 174 । Allintitle: ভ্যালু কে সার্চ ভলিউম এর ভ্যালু দিয়ে ভাগ করলে যে রেজাল্টটা পাবেন সেটাই হচ্ছে আপনার KGR Value । ভাগফলের রেজাল্ট যদি 0.25 এর নিচে চলে আসে, আপনি এই কীওয়ার্ড আপনার নিস সাইটের জন্য বা অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট এর জন্য ব্যবহার করতে পারেন ।

আমি আপনার জন্য প্রফিটেবল লো কম্পিটিটিভ কিওয়ার্ড খুজে বের করব যেগুলো দিয়ে আপনি আমাজন সেল এবং ব্লগ সাইটের ট্রাফিক বৃদ্ধি করতে পারবেন ।

এভাবে গোল্ডেন রেশিও গুলি বের করে একটি এক্সেল শিট মেনটেন করে রাখা যেতে পারে। পরবর্তীতে ওই কীবোর্ডের উপরে ব্লগ  বা আর্টিকেল রাইট করে একটি পেজ কে গুগলের টপ রাংকিং এ খুব দ্রুত আনা সম্ভব। সাধারণত ব্লগ এবং আর্টিকেল এর ক্ষেত্রে গোল্ডেন রেশিও এটি খুব ভালো কাজ করে থাকে।

মুহাম্মাদ সহিদুল ইসলাম

ইনস্ট্রাক্টর(কম্পিউটার)

ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইন্সস্টিটিউট

Beat! Beat! Drums- A war song!!-11

Beat! Beat! Drums- A war song!!

Walt Whitman, a modernist poet, who is also known as an advocate of American democracy, uses bombastic words to represent common men’s thoughts against traditional norms. The American Civil War started in 1865 and greatly impacted his writing. As a man who expressed devotion and support to his country, he thought the war was necessary to unite America. To demonstrate his patriotism, his ink has called for war, represented in “Beat! Beat! Drums”. However, His poem “Dirge for Two Veterans”, focuses on human pain and suffering caused by the American Civil War.

To illustrate: The poem “Beat! Beat! Drums! It is a war song that possesses the power to hypnosis people to join in the war. To some extent, it is like Kazi Nazrul’s “Chol Chol Chol!”. Both of the poems encourage people to join in war and to open a new window of possibilities. In “Beat! Beat! Drums!’’, the narrator commands people that people should know that the war has begun so it will affect the peace of the church and “school where the scholar is studying,” the bridegroom should not be quiet—” no happiness must he have now with his bride,”

Nor the peaceful farmer any peace, plowing his field or gathering his grain”.

There will be no conversations even in trial. He encourages the war song to play so loud in every corner that it will “shake the dead. “This poem empowers the heart of a common man. On the other hand, “Dirge for Two Veterans’ ‘ shows the consequences of the war or the cruel reality of the war. The poet himself was a helping hand in the war. That’s why he can picture it with actual images. This poem is based on the agony caused by death in the war. Whitman portrayed his emotions concerning the deaths of the two soldiers. In the 1st stanza, we see, “On the pavement here, and there beyond it is looking,

   Down a new-made double grave.” which displays a grave scene. The emotional scene shown in the poem is about more than death. So, we can say, his idea of war started with excitement and ended with the embrace of the cruel reality of the war.

Walt Whitman shows us throughout his poetry that poetry helps to color the realistic details found in our society.

Zareen Tasneem

Instructor

Daffodil Polytechnic Institute

Satellite Communications and Bangladesh-10

Satellite Communications and Bangladesh

Satellites convey by utilizing radio waves to convey messages to the receiving wires on the Earth. The receiving wires then, at that point, catch those transmissions and cycle the data coming from those transmissions. As we probably are aware satellite correspondence utilizes satellites set over the earth for correspondence by VSATs put on the earth. A satellite or bits Earth when its speed is balanced by the pull of Earth’s gravity. Without this balance, the satellite would fly in a straight line off into space or fall back to Earth. Satellites orbit Earth at different heights, different speeds, and along different paths. It is likewise utilized for TV broadcasting. Satellites use microwave frequencies for correspondence with one another utilizing satellite connections and with earth stations or VSATs. Earth Observation and Imagery. Satellites can give a picture of the outer layer of the Earth. Correspondence Satellites can empower correspondence administrations on the ground.

The Bangabandhu Satellite-1 (Bangabandhu-1) is the primary Bangladeshi geostationary interchanges and broadcasting satellite. It is named after the father of the nations, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman. It was made by Thales Alenia Space and sent off on 12 May 2018. The satellite was the primary payload sent off by a Space X Falcon 9 Block 5 sendoff vehicle. The task is being carried out by Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission (BTRC) working inseparably with US-based Space Partnership International, LLC. The public authority claimed Bangladesh Satellite Company Limited, BSCL (Formerly known as Bangladesh Communication Satellite Company Limited, BCSCL) was framed determined to work the satellite. Bangabandhu-1 was planned and fabricated by Thales Alenia Space. The all-out cost of the satellite was projected to be 248 million US dollars in 2015. The satellite conveys 40 Ku-band and C-band transponders with a limit of 1600 megahertz and an anticipated life expectancy to surpass 15 years. The satellite was at first wanted to send off on 10 May 2018. Nonetheless, the rocket conveying the payload set off a programmed cut short as it entered interior power and control at T-58 seconds. The rocket sendoff was pushed back 24 hours, and it was at long last sent off on 11 May 2018. The satellite purposes ground control stations worked by Thales Alenia Space with its accomplice Spectra’s essential ground station in Gazipur. The optional ground station is at Betbunia, Rangamati. The principal test signal after sendoff was gotten by the administrators on 12 May 2018.

How beneficial has the first satellite been?

Bangabandhu-1, the first satellite of Bangladesh, was launched into orbit on May 12, 2018, and went into trial transmission on September 4 the same year. Bangabandhu-1 began commercial operations in May 2019 and earns Tk 10-11 crore each month from agreements to rent transponders of the satellite to local TV channels. Although the income is sufficient to maintain the satellite and operate the BSCL office, it had been expected to be more profitable.

The main reason the satellite has failed to earn more is it is yet to attract foreign buyers, as the international satellite bandwidth market is extremely competitive. However, BSCL is still trying to convince buyers in the Philippines, Nepal, and other nearby countries, according to officials.

The government has started plans to send off the nation’s second satellite around three years after the main arrived at circle. Bangabandhu-2 is supposed to send off in 2023, as per government sources.

Dissimilar to Bangabandhu-1, which was a correspondences satellite, Bangabandhu-2 will be a Low Earth Orbit (LEO) perception satellite. Therefore, it will be custom fitted toward ecological checking, meteorology, map making, and guard purposes. It is planned for the new satellite to be used to monitor the vast maritime territories of Bangladesh and surrounding countries, as well as the country’s land borders with India and Myanmar. The satellite can likewise be valuable to anticipate and get ready for streak floods, as water races to the streams in the northern and north-eastern transboundary slopes of Bangladesh from nearby slopes in India in the pre-storm season, between April and May.

Likewise, a huge area of yield fields the nation over can be checked with the satellite, to shield developing harvests from bugs like grasshoppers.

Tithy Chakrabartty

Instructor

Daffodil Polytechnic Institute

Zener Diode-08

Zener diode

Zener diode is a special type of diode. Which operates in the reverse breakdown region during reverse biasing. Zener Diode a P-N junction diode made of Silicon or Germanium. It has a specific voltage called Zener voltage. A circuit is reverse biased and connected in parallel with the load. When the reverse voltage exceeds the Zener voltage, the diode breaks down and a sharp current flows rapidly. Due to this special feature Zener diode is widely used as voltage regulator and voltage stabilizer. Moreover Zener diode is also used as a protector device to protect the meter.

A P-N junction diode made of heavily doped silicon or germanium. Zener diodes are sometimes called voltage reference diodes.

Zener voltage values of Zener diodes are different for different diodes. If the voltage is increased by connecting the zener diode in reverse, the diode produces zener effect up to the zener voltage and if the reverse voltage exceeds the zener voltage, it causes or exhibits avalanche effect. A high reverse bias voltage creates an electric field that causes the covalent bond to break, producing free electrons and holes. This is Zener breakdown.

Again due to high reverse voltage the minority carriers gain a lot of kinetic energy and liberate the valence electrons from normal when they collide with each other. This free valence electron frees another valence electron. In this way a large number of free electrons are created creating a huge reverse current which is called avalanche breakdown.

Md. Husne Fahad

Instructor, Electrical Department

Daffodil Polytechnic Institute

Call Drops, its effect and probable minimization-07

Call Drops, it’s effect and probable minimization

Call drop is a well-known affliction nowadays. In this age of modern telecommunication and information technology, people are not totally prepared to deal with call drop. This critical issue continuously disturbing the general user of mobile phone by many ways.

Call drop represents the service provider’s inability to maintain a call once it has been correctly established. call dropped or intruded on preceding its normal finishing by the client, the reason for the early end being inside the specialist co-op’s organization. Call drop signifies that the call center’s efficiency cannot match the demands of the customer support environment. Client stand-by time is one more component that is impacted by different reasons, for example, specialist mindfulness and the capacity to deal with the client inquiry proficiently.

Recently statistics show that Grameen phone, Robi, and Banglalink have 0.29%, 0.23%, and 0.32% call drops on average where as Teletalk Bangladesh has 2.59% call drops. The benchmark for the average call drop rate is less than 2%, reads the report. The dropped call happens when your phone gets disconnected somehow from the cellular network.

Dropped calls happen when a call is ended startlingly because of specialized reasons, including an unfortunate organizational signal. Call drops happen due to lacking inclusion, and the nature of the signal, including impedance, network congestion, and organizational disappointments. It happens when there is low or no signal.

Some common causes of dropped calls in cellular Network :-

  1. Any type of obstacles can block the signal.
  • If user is too far from a cell tower. 03.The tower is too crowded
  • Wrong app settings.
  • Faulty sim card may create problem.
  • Phone can’t keep up.
  • Too many apps and Programs may create problem.

There are numerous drop call causes in cellular networks with the majority of them occurring in the Um interfaces mainly due to a lack of radio resources created by electromagnetic causes and user mobility that is handover. Another important contributor to the drop in call rate is the traffic load in which, the call arrival rate and holding time play significant roles.

How to minimize Dropped Calls:-

A proper maintenance as well as some necessary steps can reduce this problem. Some points are discussed here below-

01.Take the cover of phone.

02. Dont block phones antenna.

03. Keep the battery charged.

04. If moving, then stop.

05. Go outside to get clear of obstructions.

06. Try a different location.

07. Increase the elevation.

08. If possible, then try to make wi-fi call.

A dropped call happens when your phone gets disconnected somehow from the cellular network. A user faces various problems due to call drop in the middle of conversation such as disconnection, incomplete conversation, time loss, financial issue etc.

It has become one of the major problems in mobile communication. Phone companies should take proper steps to minimize this issue and responsible authority from the government monitor the phone companies at regular intervals to ensure hassle-free mobile communication system for general users of our country.

Md. Jayed Bin Murshed Leon

Instructor

Department of Telecommunication

Daffodil Polytechnic Institute

Phrase Mix-06

Phrase Mix

English is the key to unlocking many of these goals. Phrase Mix makes it easier to do what you want using English. Once you learn English speaking, communication will never be a problem. Also, focus on learning English grammar so that your conversations become enhanced.  

Phrase Mix is a beautiful site that fully examines English phrases. It provides explanations of what they mean and the contexts in which they are used.

The blog section features diverse topics such as how to avoid language mistakes and famous English movie quotes. The tone is warm, friendly, and engaging with a nice undercurrent of humor. 

Learn useful English with functional phrases!

Instead of traditional vocabulary and grammar lessons, each Phrase Mix lesson teaches you exactly what to say in a realistic, real-world situation.

There are thousands of lessons, covering situations like:

  • Participating in a meeting at work
  • Making small talk with your neighbor
  • Answering questions at a job interview
  • Asking a friend for help instead of learning vocabulary and grammar separately, you will learn words, phrases, grammar, pronunciation, and culture all together in each lesson.

Shad Shahrier

Instructor

Daffodil Polytechnic Institute

ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসের আকার কেন এখন ছোট হচ্ছে-05

ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসের আকার কেন এখন ছোট হচ্ছে

আমাদের নিশ্চয়ই মনে আছে ২০০০ সালের আগে আমাদের টিভি গুলো কত বড় ছিল? মোবাইল ফোন গুলো কত বড় ছিলো? শুধু এই দুটিই নয় সকল ডিভাইসেই অনেক বড় ছিল এর একটি কারণ হলো আগে ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস গুলো ভ্যাকুয়াম টিউবের মাধ্যমে তৈরি যা এখন সেমিকন্ডাক্টর তৈরির জন্য ডিভাইসের আকার ছোট হয়েছে।

তাহলে আমাদের এখন সেমিকন্ডাক্ট সম্পর্কে জানতে হবে। তাহলে ডিভাইস ছোট হওয়ার বিষয়ে ধারণা পাওয়া যাবে।

সেমিকন্ডাক্টর হল এমন উপকরণ যার পরিবাহী (সাধারণত ধাতু) এবং ননকন্ডাক্টর বা ইনসুলেটর (যেমন বেশিরভাগ সিরামিক) এর মধ্যে পরিবাহিতা থাকে। সেমিকন্ডাক্টর হতে পারে বিশুদ্ধ উপাদান, যেমন সিলিকন বা জার্মেনিয়াম, বা যৌগ যেমন গ্যালিয়াম আর্সেনাইড বা ক্যাডমিয়াম সেলেনাইড। ডোপিং নামক একটি প্রক্রিয়ায়, বিশুদ্ধ সেমিকন্ডাক্টরগুলিতে অল্প পরিমাণে অন্য ধাতু যোগ করা হয় যা উপাদানটির পরিবাহিতাতে বড় পরিবর্তন ঘটায়।

ইলেকট্রনিক ডিভাইস তৈরিতে সেমিকন্ডাক্টরের ভূমিকার কারণে, সেমিকন্ডাক্টর আমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ইলেকট্রনিক ডিভাইস ছাড়া আমাদের জীবন কল্পনা করা যায় না । রেডিও, টিভি,  কম্পিউটার, ভিডিও গেম, এবং চিকিৎসা ডায়াগনস্টিক সরঞ্জাম থাকবে না। তবে ভ্যাকুয়াম টিউব প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনেক ইলেকট্রনিক ডিভাইস তৈরি করা যায় তবে তা ব্যায় বহুল, গত ৫০ বছরে সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তির উন্নয়ন ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলিকে আরও ছোট, দ্রুত এবং আরও নির্ভরযোগ্য করে তুলেছে। ইলেকট্রনিক ডিভাইসের সাথে আপনার সমপিক্ততা এক মিনিটের জন্য চিন্তা করুন। আপনি গত চব্বিশ ঘণ্টায় কয়টি ডিভাইস দেখেছেন বা ব্যবহার করেছেন?

প্রযুক্তিগত অগ্রগতির এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশের জন্য, সেমিকন্ডাক্টররা এমন খ্যাতি পায় না যা তারা অনেকবার প্রাপ্য। সেমিকন্ডাক্টরগুলি মাইক্রোপ্রসেসর চিপগুলির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে, তাই কম্পিউটারাইজেশন সম্পর্কিত যেকোন কিছু, যেমন আপনার স্মার্ট ফোন, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট ইত্যাদি, তাদের কার্যক্ষমতার জন্য সেমিকন্ডাক্টরের গুরুত্ত রয়েছে!

সেমিকন্ডাক্টরের প্রকৃত মূল্য উপলব্ধি করার জন্য, সেমিকন্ডাক্টর কি এবং কিভাবে তা তৈরি করা হয় তা জানা দরকারী।

সেমিকন্ডাক্টর কি?

অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর হল স্ফটিক বা নিরাকার কঠিন পদার্থ যা নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সঞ্চালন করতে পারে, এটি বৈদ্যুতিক প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি ভাল মাধ্যম করে তোলে। সেমিকন্ডাক্টরগুলি এমন উপকরণ থেকে তৈরি করা হয় যেগুলির গঠনে মুক্ত ইলেকট্রন রয়েছে যা পরমাণুর মধ্যে সহজেই সরে যেতে পারে, যা বিদ্যুতের প্রবাহকে সহায়তা করে।

অর্ধপরিবাহী হিসাবে ব্যবহৃত উপকরণগুলির মধ্যে সর্বাধিক জনপ্রিয় হল সিলিকন। সিলিকনের বাইরের কক্ষপথে চারটি ইলেকট্রন রয়েছে, যা সমযোজী বন্ধনকে একটি জালি তৈরি করতে দেয় এবং এইভাবে একটি স্ফটিক তৈরি করে। যদিও অন্যান্য উপকরণ, যেমন জার্মেনিয়াম এবং কার্বনেরও অনুরূপ বৈশিষ্ট্য রয়েছে, সিলিকন ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট উৎপাদনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে, কারণ এটি একটি কার্যকর অর্ধপরিবাহী হিসাবে প্রমাণিত হয়েছে।

সিলিকন কেন একটি গুরুত্বপূর্ণ সেমিকন্ডাক্টর? ডোপিং সিলিকন সেমিকন্ডাক্টর হল সিলিকনের মতো একটি স্ফটিকের মধ্যে অন্য যোজির উপাদানগুলি প্রবর্তনের প্রক্রিয়া। সিলিকন উৎপাদন প্রক্রিয়ায়, ডোপ্যান্টগুলি তার বৈদ্যুতিক বৈশিষ্ট্যগুলি পরিবর্তন করার জন্য অর্ধপরিবাহীতে প্রবর্তন করা হয়। সেমিকন্ডাক্টরের উদ্দেশ্যের উপর নির্ভর করে, এটি বিদ্যুৎ সঞ্চালনের উপায় পরিবর্তন করার জন্য ডোপ করা যেতে পারে, আবার বৈদ্যুতিক প্রবাহের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের অনুমতি দেয়। সিলিকন এন-টাইপ সেমিকন্ডাক্টর বা পি-টাইপ সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে রূপান্তরিত হতে পারে। একটি এন-টাইপ সেমিকন্ডাক্টর প্রধানত  নেগেটিভ চার্জযুক্ত আয়নগুলির আকারে স্রোত বহন করে, যেখানে পি-টাইপ সেমিকন্ডাক্টরগুলি প্রধানত ইলেক্ট্রনের ঘাটতি হিসাবে স্রোত বহন করে ।

মো: আরিফ মিয়া

জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর

টেলিকমিউনিকেশন টেকনোলজি

ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট