Basic-Circular-Curve-Elements-01 (1)

উল্লম্ব বাঁক

উল্লম্ব বাঁকের সংজ্ঞা: সড়ক বা রেলপথের উপরের তলের এলিভেশনে যখন আকস্মিক পরিবর্তন ঘটে , তখন উল্লম্ব বাঁক প্রয়োগ করা হয় । সাধারণত রাস্তা যখন চূড়া বা উপত্যকা অতিক্রম করে তখন উল্লম্ব বাঁক প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয় । চূড়ার ক্ষেত্রে রাস্তা ঊর্ধ্বমুখী ঢালে অগ্রসর হয়ে নিম্নমুখী ঢালে বা ঢালের হার পরিবর্তন করে রাস্তার স্বাভাবিক তলে ফিরে আসে । আবার উপত্যকার ক্ষেত্রে রাস্তা নিম্নমুখী ঢালে অগ্রসর হয়ে ঊর্ধ্বমুখী ঢালে ক্রমান্বয়ে স্বাভাবিক তলে ফিরে আসে । উল্লম্ব বাঁক রাস্তার এলিভেশন পরিবর্তন সহজতর করে এবং এলিভেশন পরিবর্তনকালে যাত্রীদের অস্বস্তি দূর করে । রেলপথ বা সড়কপথে বিপরীত দু’টি ঢাল বা নিম্নমুখী বা ঊর্ধ্বমুখী দু’টি ঢাল একত্রে মিলিত হলে সংযোগস্থলে খাড়া কোণের সৃষ্টি করে ।

এরূপ অবস্থায় এক ঢাল হতে অন্য ঢালে ক্রমান্বয়ে অবতরণ বা আরোহণ করার জন্য বৃত্ত বা অধিবৃত্তীয় চাপ আকৃতির বাঁকের মাধ্যমে গোলাকার করে দেয়া হয় । উল্লম্ব তলে এ বৃত্তীয় বা অধিবৃত্তীয় চাপ আকৃতির বাঁককে উল্লম্ব বাঁক  বলা হয় । তবে সংস্থাপনের সুবিধা ও হিসাবনিকাশে সহজতর বিধায় সাধারণত অধিবৃত্তীয় উল্লম্ব বাঁকই ব্যবহৃত হয় । অধিবৃত্তীয় বাঁকে ঢাল পরিবর্তনের হার ধ্রুব । ফলে এ জাতীয় বাঁক নিরাপদ ও আরামদায়ক এবং এটা দেখতেও সুন্দর । পাহাড় চূড়ার ক্ষেত্রে উল্লম্ব বাঁকের উপরিতল উত্তল এবং উপত্যকার ক্ষেত্রে উপরিতল অবতল হয় । সচরাচর ডানদিক হতে অগ্রসরমান ঊর্ধ্বমুখী ঢালকে ( + ) এবং নিম্নমুখী ঢালকে ( – ) চিহ্নে প্রকাশ করা হয় ।

উল্লম্ব বাঁকের প্রয়োজনীয়তা  : সড়ক , জনপথ , রেলপথ বা যে – কোন ধরনের পথে দু’টি ভিন্ন হারের ঢালকে সংযোগ দেয়ার প্রয়োজনেই উল্লম্ব বাঁক প্রয়োগ করা হয় । এতে ঢালের আকস্মিক পরিবর্তন , দুর্ঘটনা ও অস্বস্তিকর ঝাঁকুনি হতে যানবাহন ও যাত্রী রক্ষা পায় । সাধারণত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রগুলোতে উল্লম্ব বাঁকের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়ঃ

 ১। দুটি ভিন্ন ঢালের সড়কপথকে বা দুটি ভিন্ন ঢালের রেলপথকে বা দুটি ভিন্ন ঢালের অন্য কোন পথকে সংযোগ দেওয়ার জন্য উল্লম্ব বাঁকের প্রয়োজন হয় ।

২। পাহাড়ি এলাকার সড়ক বা রেলপথ নির্মাণে মাটি ভরাট ও খননের পরিমাণ কমানোর জন্য উল্লম্ব বাঁক প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয় ।

৩। সমতল এলাকায় ব্রিজ , কালভার্ট ইত্যাদি নির্মাণের স্থলে সড়ক বা রেলপথকে ক্রমন্বয়ে উঁচু করে এদের সাথে সংযোগ দেওয়ার জন্যও উল্লম্ব বাঁকের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয় ।

৪। সড়ক পৃষ্ঠ ও এর পার্শ্বস্থ ভূপৃষ্ঠের পানি বিশেষ করে সমতল এলাকার ক্ষেত্রে নিষ্কাশনের ক্ষেত্রে সড়ক পাশের লম্বালম্বি নালার গভীরতা কমানোর জন্য সমতল ভূমি এলাকার সড়কেও উল্লম্ব বাঁক প্রয়োগের প্রয়োজন হয় ।

সাজ্জাদ হুসাইন

জুনিয়র ইন্সট্রাকটর

ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

Rooppur Nuclear Power Plant Info

Rooppur Nuclear Power Plant

Rooppur Nuclear Power Plant is one of the national project of 10 Fast Track project of the present government of Bangladesh. Here we are going to explore some important information of this mega project.

Rooppur Nuclear Power Plant:

  • Rooppur Nuclear Power Plant is a planned nuclear power plant with a capacity of 2.4 GW
  • Being built at Rooppur in Ishwardi Upazila of Pabna District, Bangladesh.
  • It is going to be Bangladesh’s first nuclear power plant with the first unit to start generating electricity in 2023.
  • Russia’s Rosatom State Atomic Energy Corporation is building the Rooppur Nuclear Power Plant
  • Rooppur nuclear power plant is being built in Rooppur village of Pakshi union under Ishwardi upazila of Pabna, 200 km northwest of Dhaka, the capital city of Bangladesh.
  • The project is located on the river bank next to Hardinge Bridge and Lalon Shah Bridge over the Padma River.
  • Construction work started on 30 November 2017
  • Construction cost BDT 1,13,092,91 crore
  • Owner – Bangladesh Atomic Energy Commission
  • Director – Nuclear Power Plant Bangladesh Limited
  • Type of reactor – Pressurized water reactor
  • Reactor supplier – Rosatom
  • Cooling source – Padma river
  • In 1961, the initiative to build the first nuclear power plant was taken.
  • In 1962/1963, Rooppur on the banks of Padma river in Ishwardi police Plant of Pabna district was selected as the site for nuclear power plant.
  • 260 acres of land is acquired for this project and 32 acres for residential area.
  • According to a 2008 estimate by Synapse Energy, the estimated cost of an 1,100 MW nuclear power plant is $9 billion.
  • According to a 2012 report by the famous Forbes magazine, the cost of a 1000 MW nuclear power plant is $7 billion.
  • Rooppur nuclear power plant with two units of 2400 MW capacity is costing a little over $12 billion.
  • Ninety percent of the total cost will be provided by the Russian Federation as a loan. The remaining 10 percent will be financed by Bangladesh.
  • A unit of 1200 MW will start power generation in 2023.
  • By 2024 two reactors will add 2,400 MW of nuclear power to our national grid.
  • Rooppur nuclear power plant debt is around 11 billion dollars. A grace period has been given for interest payments on the loans given by Russia. So the loan installments have to be paid from March 2027.
  • This loan has to be repaid in two installments every year.
  • 565 million dollars to be repaid every year at 4 percent interest rate. If the electricity produced is assumed to be 5 taka per unit, even if 90 percent of the 2400 megawatt capacity is produced, the net income will be 770 million dollars in one year.

Author

Md. Asaduzzaman Russel

Architecture & Civil Technology

Daffodil Polytechnic Institute

WORKING PROCEDURE OF OSI MODEL-01

Working Procedure of OSI Model

OSI এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Open Systems Interconnection. নেটওয়ার্কে যখন এক ডিভাইস থেকে আরেক ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগ হয়, তখন OSI মডেলের প্রতিটি লেয়ার পার হতে হয়। OSI মডেলে মোট সাত (০৭) টি লেয়ার থাকে এবং তিনটি (০৩) ভাবে বিভক্ত। উপরের তিনটি (০৩) লেয়ারকে বলা হয় সফটওয়্যার লেয়ার, নিচের তিনটি (০৩) লেয়ার কে বলা হয় হার্ডওয়্যার লেয়ার, আর মাঝের লেয়ার কে বলা হয় কোর (Core) লেয়ার। নেটওয়ার্কে আমরা যত অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করি তার সবই ব্যবহার হয় উপরের তিনটি লেয়ারে (Application), আর নেটওয়ার্কে যত হার্ডওয়্যার (Router, Switch, Firewall) ব্যবহার করা হয়, তার সবই নিচের তিনটি (০৩) লেয়ারে ব্যবহার করা হয়, আর সফটওয়্যার লেয়ার এবং হার্ডওয়্যার লেয়ারের মাঝে ইন্টারফেসিং করে ট্রান্সপোর্ট লেয়ার।

লেয়ার সহজেই মনে রাখার জন্য এই বাক্যটি মনে রাখতে পারেন।

Please Do Not Touch Steve’s Pet Alligator

Layer 1: Physical = P.

Layer 2: Data Link = D.

Layer 3: Network = N.

Layer 4: Transport = T.

Layer 5: Session = S.

Layer 6: Presentation = P.

Layer 7: Application = A.

৭. এপ্লিকেশন লেয়ার :

এটি হলো ওএসআই মডেলের সপ্তম লেয়ার। এপ্লিকেশন লেয়ার ইউজার ইন্টারফেস প্রদান করে এবং নেটওয়ার্ক ডাটা প্রসেস করে।এপ্লিকেশন লেয়ার যে কাজ গুলো করে থাকে রিসোর্স শেয়ারিং, রিমোট ফাইল একসেস, ডিরেক্টরী সার্ভিস ইত্যাদি। এপ্লিকেশন লেয়ারের কিছু প্রটোকল এর পোর্ট এড্রেস দেওয়া হলো

প্রটোকল এফটিপি টিএফটিপি টেলনেট ডিএইচসিপি ডিএনএস পপ আইম্যাপ এসএমটিপি এইচটিটিপি

পোর্ট এড্রেস ২০/২১ ৬৯ ২৩ ৬৭/৬৮ ৫৩ ১১০ ১৪৩ ২৫ ৮০

৬.প্রেজেন্টেশন লেয়ার :

এই লেয়ার নেটওয়ার্ক সার্ভিসের জন্য ডাটা ট্রান্সলেটর হিসেবে কাজ করে। এই লেয়ার যে কাজ গুলো করে থাকে ডাটা কনভার্শন,ডাটা কমপ্রেশন, ডিক্রিপশন ইত্যাদি। এই লেয়ারে ব্যবহিত ডাটা ফরম্যাট গুলো হলো .জেপিজি, .এমপিইজি ইত্যাদি।

৫. সেশন লেয়ার :

সেশন লেয়ারের কাজ হলো উৎস এবং গন্তব্য ডিভাইসের মধ্যে সংযোগ গড়ে তোলা , সেই সংযোগ কন্ট্রোল করে এবং প্রয়োজন শেষে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা। ডাটা পাঠানোর জন্য ৩ ধরনের কন্ট্রোল ব্যবহার করা হয় ।

সিম্পলেক্স : সিম্পলেক্স এ ডাটা একদিকে প্রবাহিত হয়।

হাফ ডুপ্লেক্স : হাফ ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে একদিকের ডাটা প্রবাহ শেষ হলে অন্যদিকের ডাটা অন্য দিকের ডাটা প্রবাহিত হয়ে থাকে।

ফুল ডুপ্লেক্স : ফুল ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে একইসাথে উভয়দিকে ডাটা প্রবাহিত হতে পারে।

৪. ট্রান্সপোর্ট লেয়ার :

ওএসআই মডেলের চতুর্থ লেয়ার ট্রান্সপোর্ট লেয়ার । এই লেয়ারের কাজ হলো সেশন লেয়ারের কাছ থেকে পাওয়া পাওয়া ডাটা নির্ভরযোগ্যভাবে অন্য ডিভাইসে পৌছানো নিশ্চিত করে। এই লেয়ারে ডাটা পৌছানোর জন্য দু’ধরনের ট্রান্সমিশন ব্যবহার করে:

কানেকশন ওরিয়েন্টেড:

কানেকশন ওরিয়েন্টেড এ ডাটা পাঠানোর আগে প্রেরক গ্রাহক এর সাথে একটি একুনলেজ সিগন্যাল এর মাধ্যাম কানেকশন তৈরি করে থাকে। ইহা টিসিটি এর ক্ষেত্রে ঘটে থাকে।

কানেকশনলেস:

কানেকশনলেস ওরিয়েন্টেড এ ডাটা পাঠানোর আগে প্রেরক গ্রাহক এর সাথে কোন একুনলেজ সিগন্যাল এর মাধ্যাম কানেকশন তৈরি করে থাকে না। ইহা ইউডিপি এর ক্ষেত্রে ঘটে থাকে।

৩. নেটওয়ার্ক লেয়ার :

নেটওয়ার্ক লেয়ারের কাজ হলো এড্রেসিং ও প্যাকেট ডেলিভারি। এই লেয়ারে ডাটা প্যাকেটে নেটওয়ার্ক এড্রেস যোগ করে এনক্যাপসুলেশনের মাধ্যমে। এই লেয়ারে রাউটার ব্যবহিত হয়ে থাকে এবং রাউটিং টেবিল তৈরি করে থাকে।

২. ডাটালিংক লেয়ার :

OSI Model এর দ্বিতীয় লেয়ার হলো; ডাটা লিঙ্ক লেয়ার। ডাটা লিঙ্ক লেয়ার অনেকটা নেটওয়ার্ক লেয়ার এর মতো করে ,কাজ করে। নেটওয়ার্ক লেয়ার ডাটা ট্রান্সফার করে থাকে, একই নেটওয়ার্ক এর বাহিরে। কিন্তু ডাটা লিঙ্ক লেয়ার ডাটা প্যাকেট ট্যান্সফার করে থাকে একই নেটওয়ার্ক এর ভিওরে। অথ্যার্ৎ দুটি ডিভাইস যদি, একই নেটওয়ার্ক এর আন্ডারে থাকে ,তাহলে ডাটা লিঙ্ক লেয়ার এর সাহায্যে ডাটা প্যাকেট ট্রান্সমিট করা সম্ভব। ডাটা লিঙ্ক লেয়ার >নেটওয়ার্ক লেয়ার থেকে ডাটা প্যাকেট নেয় এবং ডাটা গুলোকে ছোট ছোট আকারে ভাগ করে, যেটিকে বলা হয় ফ্রেম। নেটওয়ার্ক লেয়ার এর মতোই , এই ডাটা লিঙ্ক লেয়ার , ডাটা প্রবাহ, ডাটা নিয়ন্ত্রন, এরর কন্ট্রোল ইত্যাদি করে থাকে।বলতে পারেন, এই লেয়ার , দুটি ডিভাইসের মধ্যে লজিক্যাল লিঙ্ক তৈরি করে।

১. ফিজিক্যাল লেয়ার :

ফিজিক্যাল লেয়ার OSI Model এর প্রথম লেয়ার যেটি কিনা, সর্বনিম্নে অবস্থান করে। এই লেয়ার দুটি ফিজিক্যাল ডিভাইস এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে। এবং ফিজিক্যাল কানেকশণ (কোন ক্যাবল এর সাহায্যে) এর সাহায্যে ডাটা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে প্রেরণ করা হয়। এই লেয়ার ডাটাকে বিট স্ট্রিমে রুপান্তর করে থাকে অর্থাৎ ডাটাকে 0 এবং 1 এ .রুপান্তর করে থাকে। ডাটাকে বিট টু বিট আকারে ট্রান্সফার করা হয়ে থাকে।

Reference’s

Toushif Ahmed

Instructor

Daffodil Polytechnic Institute

Artboard 1

Let off Motion

উইভিং মেশিন বা তাঁতের নিদিষ্ট কিছু গতি রয়েছে যার সাহায্যে উক্ত মেশিনে কাপড় বুনন সম্পন্ন হয়ে থাকে। উইভিং মেশিন অথবা তাঁতের গতি প্রধানত ৩ প্রকার। যথাঃ 
১) প্রাথমিক গতি বা Primary Motion
২) মাধ্যমিক গতি বা Secondary Motion
৩) তৃতীয় পর্যায়ের গতি বা Tertiary Motion।

কাপড় জড়ানো গতি বা Take-up Motion এর মত সুতা ছাড়ার গতি ও মাধ্যমিক গতি বা Secondary Motion এর অন্তর্ভুক্ত।

েট-অফ মোশনের সংজ্ঞা (Defination of Let-off motion)

যে গতির সাহায্যে টানা সুতার বীম বা  উইভার্স বীম হতে প্রয়োজনীয় পরিমান টানা সুতাকে একটি নির্দিষ্ট হারে বুনন এলাকায় ছেড়ে দেওয়া হয় এবং যার ফলে টানা সুতা ও কাপড়ের মধ্যে একটি সমটেনশন বজায় থাকে তাকে সুতা ছাড়ার গতি বলে।

লেট-অফ মোশনের কাজ (Function of Let-off motion)

ক) টানা সুতার উপর প্রয়োজনীয় টেনশন প্রয়োগ করে শেড গঠন করা।
খ) টানা সুতার যাতে না ছিড়ে যায় সেই উদ্দেশ্যে বুনন এলাকায় প্রয়োজনীয় পরিমান টানা সুতা ছেড়ে টানা সুতার স্ট্রেস(Stres)  হ্রাস করা।

গ) সুষম PPI পেতে সহায়তা করা।

ঘ) ক্লথ রোলারে কাপড় জড়াতে সহায়তা করা।

ঙ) উইভার্স বীম থেকে বুননের সময় যে পরিমাণ টানা সুতা ছেড়ে দেওয়া হয় তা নিয়ন্ত্রণ করা।

চ) কাপড়ের একক স্পেসে সমান সংখ্যক পিকের জন্য টেক-আপ মোশনের সাহায্যকারী হিসেবে কাজ করা।

ভালো লেট-অফ মোশনের শর্ত  (Condition of good let-off motion)


ক) বুননের সময় সর্বদা টানা সুতায় সমান ও সুষম টেনশন বজায় রাখা

খ) বুননের সময় উইভার্স বীমের ব্যাস নিয়মিত হ্রাসের এর ব্যবস্থা করা।

গ) টানা সুতা প্রয়োজনে পেছনে টেনে নেওয়ার সুব্যবস্থা থাকা।

ঘ) উইভার্স বীমে সমটেনশন বজায় থাকা।

মোঃ জায়েদুল হক
বিভাগ প্রধান
ডিপার্টমেন্ট অফ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং
ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট

Textile Fiber

টেক্সটাইল ফাইবার এর আদ্যোপান্ত পর্ব: ১ম

ফাইবার মূলত কী?

ফাইবার একটি উদ্ভিদ বা প্রাণী বা অন্যান্য পদার্থের টিস্যুগুলির সূক্ষ্ম বা টিস্যুর ন্যায় ক্ষুদ্রতম একক, চুলের অংশগুলির মত একটি হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয় যেগুলির দৈর্ঘ্যের তুলনায় ব্যাস খুব ছোট এই বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণ পদার্থকে ফাইবার হিসেবে গণ্য করা হয়।

ফাইবার এবং টেক্সটাইল ফাইবার এর ভিতরে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে তাহলে মূলত, টেক্সটাইল ফাইবার কী?

সমস্ত ফাইবারই টেক্সটাইল ফাইবার নয়। কারণ টেক্সটাইল ফাইবার হতে হলে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণ হতে হবে।

“টেক্সটাইল ফাইবার” শব্দের অর্থ হল, পদার্থের একক যা একটি সুতা তৈরি করতে বা বন্ডিং বা বিভিন্ন পদ্ধতিতে ইন্টারলেস করে ফ্যাব্রিক বা সিটের আকার ধারণ করতে সক্ষম।

বুনন, নিটিং,ব্রেডিং, ফেল্টিং, টুইস্টিং সহ, যা টেক্সটাইল পণ্যগুলির মৌলিক কাঠামোগত উপাদান।

অনেক তন্তুযুক্ত উপাদান কাপড় তৈরির জন্য উপযুক্ত নয়, যেমন, কর্ন সিল্ক বা কাঠের স্লিভার। টেক্সটাইল ফাইবার অবশ্যই নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য থাকতে হবে:

১. নমনীয়, পাতলা (কিন্তু খুব পাতলা নয়)

২. যথোপযোগী দৈর্ঘ্য বুননের জন্য থাকতে হবে।

৩. বুনন হবার সময় টুইস্ট নেবার সব ক্ষমতা থাকতে হবে।

টেক্সটাইল ফাইবার নমনীয় হতে হবে। সহজে পাকানো যায় না এই ধরনের  তন্তু (প্রক্রিয়াজাত না হলে, পরবর্তী প্রসেসের জন্য প্রস্তুত হবে না) সহজে বাঁকে না, এগুলো টেক্সটাইল ফাইবার এর অন্তর্ভুক্ত হবে না।টেক্সটাইল ফাইবারগুলিও খুব পাতলা – ব্যাসের সাথে দীর্ঘ। যান্ত্রিকভাবে ন্যূনতম টুইস্ট বা পাক প্রদান করানো যায়- টানা এবং পাকানো – প্রধান তন্তুগুলির যথেষ্ট দৈর্ঘ্য, শক্তি এবং সমন্বয় থাকতে হবে (ফাইবার থেকে ফাইবার ঘর্ষণ যেন অতিরিক্ত স্থির বিদ্যুৎ উৎপন্ন না হয় এমন বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন হওয়া আবশ্যক)।

টেক্সটাইল ফাইবার স্টেপল বা ফিলামেন্ট উভয় রকমেরই হতে পারে।স্ট্যাপল ফাইবারগুলি তুলনামূলকভাবে ছোট, মিলিমিটার বা ইঞ্চিতে পরিমাপ করা হয়।ফিলামেন্ট ফাইবারগুলি অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ, মিটার বা গজে পরিমাপ করা হয়।

একমাত্র প্রাকৃতিক ফিলামেন্ট ফাইবার হল রিলড বা চাষকৃত রেশম।অপরদিকে সমস্ত মানুষের তৈরি ফাইবার স্টেপল অথবা ফিলামেন্ট হতে পারে, কোন ধরনের কাপড় উৎপাদন করা হবে বা কোন বিষয়ে প্রয়োগ করা হবে তার উপর ভিত্তি করে ম্যান মেড ফাইবার তৈরি করা হয় এবং মানুষের তৈরি ফাইবারের ভিতরেও নানা রকমের শ্রেণি বিভাগ রয়েছে।

তন্তুর বা ফাইবার এর শ্রেণীবিন্যাস:

টেক্সটাইল সুতা এবং কাপড় তৈরিতে ব্যবহৃত মৌলিক একক হল ফাইবার।এটি একটি পৃথক, সূক্ষ্ম, চুলের মতো পদার্থ।তন্তুগুলিকে সাধারণত গোষ্ঠীবদ্ধ করা হয় এবং একত্রে একত্রিত করে সুতা বলা হয়।ফাইবার গুলো প্রাকৃতিক উৎস থেকেও হতে পারে আবার মানুষের তৈরিও হতে পারে।

টেক্সটাইল ফাইবার সাধারণত দুটি প্রধান শ্রেণীতে বিভক্ত:

1. প্রাকৃতিক ফাইবার

2. মানুষের তৈরি ফাইবার

প্রাকৃতিক ফাইবার:

সমস্ত ফাইবার যা প্রাকৃতিক উৎস থেকে আসে (প্রাণী, খনিজ, গাছপালা, ইত্যাদি) নতুন করে ফাইবারের গঠন বা ডিএনএ তে কোন সংস্করণের প্রয়োজন হয় না তাকে প্রাকৃতিক ফাইবার হিসেবে গণ্য করা হয়। অর্থাৎ যা সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে এসেছে।প্রাকৃতিক ফাইবারগুলির মধ্যে রয়েছে প্রোটিন ফাইবার যেমন উল এবং সিল্ক, সেলুলোজ ফাইবার যেমন তুলা এবং লিনেন এবং খনিজ ফাইবার অ্যাসবেস্টস।

মানুষের তৈরি ফাইবার:

মনুষ্যসৃষ্ট ফাইবার হল এমন ফাইবার যেখানে হয় মৌলিক রাসায়নিক একক রাসায়নিক সংশ্লেষণের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে এবং ফাইবার তৈরি হয়েছে অথবা প্রাকৃতিক উৎস থেকে পলিমারগুলি দ্রবীভূত হয়েছে এবং ফাইবার গঠনের জন্য একটি স্পিনারেটের মধ্য দিয়ে যাওয়ার পরে পুনরায় তৈরি হয়েছে।রাসায়নিক সংশ্লেষণ দ্বারা তৈরি সেই তন্তু বা ফাইবারগুলোকে সিনথেটিক ফাইবার বলা হয়। প্রাকৃতিক পলিমার ফাইবারের উৎস থেকে পুনরুৎপাদিত ফাইবার কে সেমি সিন্থেটিক হিসেবে গণ্য করা হয় কিন্তু সেটা কখনোই প্রাকৃতিক শ্রেণীবিভাগ এর অন্তর্গত হিসেবে বিবেচিত হবে না।কৃত্রিম মানবসৃষ্ট তন্তুগুলির মধ্যে রয়েছে পলিমাইডস (নাইলন), পলিয়েস্টার, অ্যাক্রিলিক্স, পলিওলিফিন, ভিনাইল এবং ইলাস্টোমেরিক ফাইবার, পুনরুত্থিত ফাইবারগুলির মধ্যে রয়েছে রেয়ন, সেলুলোজ অ্যাসিটেট, পুনরুত্পাদিত প্রোটিন, গ্লাস এবং রাবার ফাইবার।আমি বোঝার সুবিধার্থে নিম্নে একটি ফাইবার এর শ্রেণীবিভাগ উল্লেখিত।

লেখক,

মোঃ আশিকুর রহমান

ইন্সট্রাক্টর (টেক্সটাইল এবং জিডিপিএম)

ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট

অতিরিক্ত X-ray মৃত্যুর কারণ-01

অতিরিক্ত X-ray মৃত্যুর কারণ

পদার্থবিজ্ঞানের ভাষায় তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত ছোট হয় পদার্থ ভেদ করার ক্ষমতা তত বেশি হয়। এক্স-রে বা রঞ্জন রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ১০-৮মিটার থেকে ১০-১১ মিটারের কাছাকাছি। যা আলোর অনেক কম। সাধারণ চোখে দৃশ্যমানও নয়।

শরীরের অভ্যন্তরীণ সমস্যা নির্ণয় করতে এক্স-রে বর্তমানে একমাত্র উপায়। হাড় ভেঙে যাওয়া থেকে শরীরের অভ্যন্তরে কোনও অসামঞ্জস্যতা থাকলে তা নির্ণয় করা যায়।

এক্স রে’র যেমন অনেক উপকারি দিক আছে, তেমনি এর ক্ষতিকর দিকও আছে। এটা আমরা হয়তো জানি-ই না।আমরা কোন কিছু হলেই ভাবি একটা এক্স রে করিয়ে দেখি তো, শরীরে কি সমস্যা। এইরকম মানুষজনের অভাব নেই। চারদিকে লাখে লাখে আছে।

যদিও বেশি এক্স-রে শরীরে প্রবেশ করলে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।রেডিয়েশন থেরাপি ক্যানসার আক্রান্ত কোষের ডিএনএ ভাঙনের মাধ্যমে ক্যানসার কোষ ধ্বংস করে থাকে।কিন্তু এই রেডিওগ্রাফির ফলে আবার সুস্থ কোষের ডিএনএ ধ্বংস হবার সম্ভাবনাও থাকে।

চিকিৎসকদের মতে, সুস্থ দেহে অত্যাধিক পরিমাণ এক্স-রে প্রবেশ করলে তা ক্যানসার কমিয়ে না দিয়ে বৃদ্ধি ঘটায়।

এক্স রে হল মূলতঃ এক প্রকার ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন। এটা আমাদের শরীরে ডিএনএ তে পরিবর্তন ঘটায়। ফলে এটা ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় । গবেষনায় দেখা গেছে এক্স রের রেডিয়েশন থাইরয়েড ক্যান্সার, ব্রেস্ট ক্যান্সার, ফুসফুস ক্যান্সার এবং লিউকুমিয়া ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা এক্সরেকে ক্যান্সার ঘটার কারণ হিসেবে শ্রেনীবিভাগে করছে।

এক্স-রে, এমআরআইসহ নানা ধরনের মেডিক্যাল চেকআপ করাতে গিয়ে মানুষজন নিজের অজান্তেই শরীরে বয়ে নিয়ে আসছেন ঘাতক ব্যাধি বিশেষ। কোনও কারণে যদি কেউ নিয়মিত বা ঘন ঘন এক্সরে করেন, তার শরীরে রেডিয়েশন প্রবেশ করে চোখে ছানিপড়া, ক্যান্সার, গর্ভপাত, বন্ধ্যাত্ব, মাথার চুল পড়ে যাওয়াসহ নানান জটিল রোগের সৃষ্টি হয়। এমনকি গর্ভাবস্থায় এটি হলে গর্ভস্থ শিশু বিকলাঙ্গ কিংবা প্রতিবন্ধী হওয়ার সম্ভাবনা নিয়েও জন্মগ্রহণ করার ঝুঁকিতে থাকে।

রেডিওগ্রাফারদের নিষেধ সত্ত্বেও রোগীর সঙ্গে আসা স্বজনরা ঢোকেন এক্স-রে কক্ষে। তারা নিজেরাও জানেন না যে, নিজেদের অজান্তেই তারা শরীরে বহন করে নিয়ে যাচ্ছেন ঘাতক ব্যাধির লক্ষণ।

লন্ডনে এমনও রয়েছে এক্স-রে কক্ষে ঢোকার আগেই রেডিয়েশন লেভেল চেক করে দেখা হয়। আবার বের হওয়ার সময়ও চেক করা হয়। আমাদের দেশে তো সে রকম সম্ভব না। কিন্তু যতটুকু পারা যায়, সেটুকুই মানা উচিত।

Zannatul Ferdous

Instructor of Physics

Daffodil Polytechnic Institute

Cyber Security-01

সবার জন্য সাইবার নিরাপত্তা

সাইবার সিকিউরিটির ধারনা

আগের দিনে আমাদের মূল্যবান সম্পত্তি বলতে টাকা-পয়সা, গহনা এগুলোকেই বুঝানো হত। মানুষ তাদের এইসব সম্পত্তি গোপনীয় কোন স্থানে সংরক্ষণ করে রাখতো৷ অথবা বড় কোন তালা বা লকারের মাধ্যমে লুকিয়ে রাখত। যাতে করে কেউ তাদের এই গুরুত্বপূর্ণ সম্পত্তি চুরি করতে না পারে। 

বর্তমানে মানুষের গুরুত্বপূর্ণ সম্পত্তি বলতে তাদের নিজেদের তথ্য, ফাইল বা ডকুমেন্টস কে বুঝায়। এইসব ডকুমেন্টস মানুষ আগের দিনে কাগজে লিখে রাখত বা ফটোকপি করে না প্রিন্ট করে রাখত। কিন্তু এখন মানুষ তাদের তথ্য, ফাইল বা ডকুমেন্টস ইন্টারনেটে সংরক্ষণ করে রাখে৷ 

কিন্তু ইন্টারনেটেও মানুষের তথ্য বা ডকুমেন্টস চুরি হাওয়ায় সম্ভাবনা আছে৷ হ্যাকার বা চুরেরা যাতে আমাদের তথ্য  চুরি করতে না পারে এই জন্য আমরা অনেক ধরনের লক বা সিকিউরিটি ব্যবহার করে থাকি। আমাদের তথ্য, ফাইল বা ডকুমেন্টস রক্ষা করার জন্য। ইন্টারনেটের ভাষায় যাকে আমরা বলি সাইবার সিকিউরিটি।  

সাইবার সিকিউরিটি কী?

যে কোন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তিগত তথ্য আমরা ইন্টারনেটে রাখতেই পারে। কিন্তু সেই সব তথ্য যারা ইন্টারনেট ভিত্তিক চুর আছে তারা চুরি করতে পারে৷ যাদের কে আমরা হ্যাকার বলি। সেই হ্যাকাররা এইসব গুরুত্বপূর্ণ, গোপনীয় ডাটা গুলোকে চুরি করে ছড়িয়ে দিতে পারে সবার কাছে৷ অথবা সেইসব তথ্য নষ্ট করে দিতে পারে।  ইন্টারনেট ভিত্তিক তথ্য, ফাইল বা ডকুমেন্টসকে খারাপ মানুষের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য বা যাতে কেউ চুরি না করতে পারে, এই জন্য আমরা যে লক সিস্টেম ব্যবহার করি বা পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে আমাদের ফাইল গুলোকে রক্ষা করি। তাকেই মূলত সাইবার সিকিউরিটি বলে। অথবা আমারা বলতে পারি, যে কোন তথ্য বা নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা প্রদান করা কেই সাইবার সিকিউরিটি বলে। 

সাইবার সিকিউরিটি কেন দরকার

বর্তমানে আমরা সবাই কোন না কোন ভাবে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত। বন্ধুদের সাথে কথা বলা, ছবি শেয়ার করা, ঘুরতে যাওয়া সব মুহুর্ত গুলো আমারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে থাকি। আমাদের প্রতিটি ভাল লাগা খারাপ লাগা ইন্টারনেটে শেয়ার করে থাকি৷ এছাড়াও আমরা বিভিন্ন ধরনের ব্যক্তিগত তথ্য ইন্টারনেটে শেয়ার করে থাকি যেমন নিজেদের ফোন নাম্বার,  ইমেইল ঠিকানা, নিজেদের ঠিকানা, আইডি কার্ডের নাম্বার ইত্যাদি।  যার ফলে আমাদের প্রতিটি তথ্য ইন্টারনেটে চলে যাচ্ছে। ব্যক্তিগত তথ্য থেকে শুরু করে যে কোন ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক-বীমা, হাসপাতাল, শিল্প-কারখানার তথ্যও তারা ইন্টারনেটে সংরক্ষণ করে রাখে। ইন্টারনেটে থাকা আমাদের প্রতিটি তথ্য চুরি হাওয়ায় সম্ভাবনা থাকে। ইন্টারনেট ভিত্তিক যে কোন তথ্য চুরি বা তথ্য নষ্ট করে দেওয়াকে আমারা হ্যাকিং বলে থাকি। 

কেন সাইবার সিকিউরিটি এতো গুরুত্বপূর্ণঃ

  • আমাদের ব্যক্তিগত কম্পিউটারে থাকা সব file, Documents, photo কে রক্ষা করা
  • সরকারি প্রতিষ্ঠানের documents, file কে চুরি বা নষ্ট করার হাত থেকে রক্ষা করা। 
  • ব্যংক বা বীমা প্রতিষ্ঠান থেকে যাতে কেও টাকা চুরি করতে না পারে বা তাদের তথ্য চুরি করতে না পারে সেই জন্য সাইবার সিকিউরিটি দরকার। 
  • বর্তমান সময়ে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান তাদের তথ্য ইন্টারনেট ভিত্তিক সার্ভারে সংরক্ষণ করে রাখে৷ সেই সার্ভারকে নিরাপদ রাখার জন্যও সাইবার সিকিউরিটি দরকার। 

হ্যাকিং কি, কেন, কীভাবে হয়

সাইবার সিকিউরিটি সম্পর্কে জানতে হলে আমাদের হ্যাকিং সম্পর্কে ধারনা থাকাটা জরুরী। ইন্টারনেট ভিত্তিক যে কোন তথ্য বা ডকুমেন্টস মালিকের অনুমতি ব্যাতিত ব্যবহার করা বা নষ্ট করে দেওয়া কেই হ্যাকিং বলা হয়। 

হ্যাকিং কেন হয় এটা আমারা সুন্দর একটা উদাহরণের মাধ্যমে বুঝতে পারি। ধরুন আপনি একটা বাড়ি তৈরি করলেন। সে বাড়িতে আপনি কোন তালা না লক সিস্টেম ব্যবহার করলেন না, বা এমন তালা বা লক সিস্টেম ব্যবহার করলেন যা সবাই খুলতে পারবে। সেই বাড়িতে আপনি আপনার গুরুত্বপূর্ণ সম্পত্তি রেখে দিলেন। ধরুন আপনার বাড়ির আসেপাশে অনেক খারাপ মানুষ আছে যারা আপনার বাড়িতে ঢুকে আপনার সব সম্পত্তি চুরি করে নিল। তাহলে আমরা বলতে পারি যে আপনার সেই বাড়িতে সিকিউরিটি সিস্টেম দূর্বল ছিল, যার কারনে চুর খুব সহজে বাড়িতে ঢুকে সব কিছু চুরি করে নিয়েছে। 

এই পূরো উদাহরণ টা কে আমরা ইন্টারনেটের সাথে তুলনা করতে পারি। ইন্টারনেটের প্রতিটা একাউন্টকে আমরা একেকটা বাড়ির সাথে তুলনা করতে পারি। যদি আমাদের একাউন্টের লক বা সিকিউরিটি সিস্টেম দূর্বল থাকে তাহলে যে কেও আমাদের একাউন্ট থেকে তথ্য চুরি করতে পারবে। 

আমাদের একাউন্ট থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে যাতে কেও তথ্য চুরি করতে না পারে,  এই জন্য আমরা আমাদের একাউন্টে শক্তিশালী লক বা পাসওয়ার্ড সিস্টেম ব্যবহার করে থাকি। সাইবার সিকিউরিটি মূলত আমাদের বলে দেয় কীভাবে আমাদের তথ্যকে ইন্টারনেটের চুরির হাত থেকে রক্ষা করতে পারি৷ সাইবার সিকিউরিটি যে শুধু মাত্র আমাদের ব্যক্তিগত তথ্য রক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয়, তা কিন্তু নয়। ব্যক্তিগত তথ্য থেকে শুরু করে, যে কোন ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক-বীমা, হাসপাতাল, শিল্প-কারখানা  সব জায়গায় তথ্য চুরির সম্ভাবনা থাকে। সেই জন্য এইসব প্রতিষ্ঠানেও সাইবার সিকিউরিটি দরকার৷ 

সাইবার সিকিউরিটি প্রকারভেদঃ

১. তথ্য নিরাপত্তাঃ ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য যাতে করে কেও অনুমতি ব্যাতিত ব্যবহার বা নষ্ট করতে না পারে তার জন্য যে সিকিউরিটি সিস্টেম ব্যবহার করা হয় তাকেই মূলত তথ্য নিরাপত্তা বলে।

২. অ্যাপলিকেশন সিকিউরিটিঃ অ্যাপলিকেশনের ত্রুটির কারণে আমাদের তথ্য বা ইনফরমেশন চুরির প্রবল সম্ভাবনা থাকে৷ অ্যাপলিকেশন ডিজাইন, ডেভেলপমেন্ট, ইইনস্টলেশন, আপগ্রেড পর্যায়ে ত্রুটির কারণে সৃষ্টি দূর্বলতা থেকে অ্যাপলিকেশনকে রক্ষা করা৷ 

৩. নেটওয়ার্ক সিকিউরিটিঃ আমাদের বেশির ভাগ হ্যাকিং না চুরি নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে হয়ে থাকে। সাধারণত ডাটা ট্রান্সফারের সময় নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তথ্যের যে চুরি হয়, সেইটার হাত থেকে নেটওয়ার্ককে সুরক্ষিত রাখাকে নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি বলে। 

৪. ক্লাউড সিকিউরিটিঃ ক্লাউড সাধারণত কোন file, documents, data স্টোর করার জন্য ব্যবহার করা হয়। সেই স্টোরকৃত file, documents, data যদি কোন দুর্বল ক্লাউডে স্টোর করা হয় তখন তা চুরি হবার সম্ভাবনা থাকে। ক্লাউড থেকে যাতে কোন কিছু চুরি না হয়, সেই জন্য যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় তাকেই ক্লাউড সিকিউরিটি বলে৷ 

সাইবার সিকিউরিটির ক্যারিয়ার

দেশ ও দেশের বাইরে সাইবার সিকিউরিটির প্রচুর পরিমানে চাকুরী রয়েছে, যেখানে প্রচুর পরিমানে দক্ষ সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিষ্ট দরকার। আমাদের দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক-বীমা, হাসপাতাল, শিল্প-কারখানা সব জায়গাতে সাইবার সিকিউরিটি দরকার। সাধারণত অভিজ্ঞতা অনুযায়ী সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিষ্টদের বেতন হয়ে থাকে। তবে একজন মিড লেভেল সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিষ্ট এর বেতন ৪০,০০০ হাজার থেকে ৬০,০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে৷ আরো বিস্তারিত বলতে গেলে একজন সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিষ্ট বছরে ১০ লক্ষ থেকে ৩০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারে।  দেশ ও দেশের বাইরে সাইবার সিকিউরিটির অনেক চাকুরী রয়েছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে সিংগাপুরের একটা রিপোর্ট অনুযায়ী, তাদের এই মূহুর্তে ১০-১৫ হাজার সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিষ্ট দরকার। কিন্তু তাদের কাছে মাত্র ২-৩ হাজার সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিষ্ট আছে৷ সুতরাং খুব সহজেই বুঝা যাচ্ছে, দেশ ও দেশের বাইরে অনেক সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিষ্ট দরকার। এমন কি অনেক জব ফিল্ডও রয়েছে এই সেক্টরে। 

সুতরাং আমরা বলতে পারি বর্তমান প্রেক্ষাপটে সাইবার সিকিউরিটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক। যেখানে ১-১.৫ বছর সময় দিলেই সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিষ্ট হিসেবে ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব।  

KH Mehedi Hasan

Instructor

Daffodil Polytechnic Institute

DEEP FOUNDATION

DEEP FOUNDATION-Types of foundation & foundation materials

  • Deep foundations are those founding too deeply below the finished ground surface for their base bearing capacity to be affected by surface conditions, this is usually at depths >3 m below finished ground level.
  • Deep foundations are used when there are weak soils near the surface or when loads are very high, such as very large skyscrapers.
  • Deep foundations derive their support from deeper soils or bedrock.

        Fig: Deep Foundation

                          

Fig: Layer of foundation surface

                                  

Fig : High building foundation

                 

TYPES OF DEEP FOUNDATIONS

1.PILE FOUNDATIONS:

Piles used as a foundation for structure

                              

Piles are relatively long, slender members that transmit foundation loads through soil strata of low bearing capacity to deeper soil or rock strata having a high bearing capacity.

Pile caps are thick slabs used to tie a group of piles together to support and transmit column loads to the piles. 

  • PILE Foundation :

In addition to supporting structures, piles are also used to anchor structures against uplift forces and also to assist structures in resisting lateral and overturning forces.

Types of Piles:

a. Based on method of installation:

  • Driven piles (displacement piles): made of steel, pre-stressed concrete, timber, or composite.
  • Bored piles (replacement piles): Augured and cast in-situ.
  • Other piles: Sheet-pile, Micro piles, Suction Piles, Vibrated Stone Columns, Anchor Piles, Fender piles, Batter Piles etc.

   b. Based on method of Materials: Steel, Timber, Plastic, Composite

   c. Based on installation technique :

  • Cast in situ Piles
  • Precast Piles

DRIVEN OR DISPLACEMENT PILES

    

Advantages:

  • May be inspected for quality and soundness before driving
  • Not liable to squeezing or necking
  • Construction not affected by ground water
  • Can be left protruding above G.L.(useful in marine structures)
  • Can withstand high bending and tensile stressed
  • Can be driven in long lengths

Disadvantages:

  • Unjointed types cannot easily be varied in length.
  • May break during driving
  • Uneconomic if the design is governed by driving stresses rather than working stresses
  • Noise and vibration during driving
  • Displacement of soil may affect adjacent structures
  • Cannot be driven in situations of low head room

  BORED OR REPLACEMENT PILES

  Advantages:

  • Length can be varied, very long lengths possible
  • Removed soil can be compared with design data
  • Penetration tests can be carried out in boreholes
  • Very large bases can be possibly formed
  • Drilling tools can break up boulders, obstructions,
  • Little noise and vibration during construction
  • No ground heaves 

  Disadvantages:

  • Piles liable to squeezing and necking in soft soil
  • Special techniques required for concreting in water bearing ground
  • Concrete cannot be inspected after installation
  • Enlarged bases cannot be formed in collapsible soil
  • Cannot be easily extended above ground
  • Boring may cause instability and settlement of adjacent structures

Fig : Bored Pile Construction

                                   

OTHER PILES _ Sheet Piles  :

It is rarely used for vertical support rather it is preferable for retaining soil that is liable to escape the area required for some foundation and protect it from the action of running water of leakage.

OTHER PILES _ Anchor Piles :

Provide anchorage against horizontal pull from sheet piling.

OTHER PILES _ Fender Piles :

A pile driven into the bottom of a body of water near a berth to protect the pier or jetty against damage by incoming vessels.

OTHER PILES _ Batter Piles :

A pile driven at an angle to the vertical.

02. CAISSONS :

The word caisson is derived from Latin capsa [1] which means box or case.

Caissons denotes watertight structures which are constructed in connection with the excavation for foundations of bridgespiers, abutments in river and lake dock structure, foreshore protection etc. The caisson remains in its pose and thus ultimately becomes as integral parts of the permanent structure. It can be made up of wood, steel or reinforced concrete etc.

When Caisson is Required :

  • When the soil contains large boulders, which obstruct penetration of piles.
  • When a massive substructure is required to extend to or below the rear bed to provide resistance against destructive forces due to floating objects and score etc.
  • When the foundation is subjected to a large lateral load.
  • When the depth of water level in the river and sea is high.
  • When there are river forces included in the load compositions.
  • When the load is needed to carry at the end, caissons are preferred.
  • When the present groundwater level is aggressive inflow, caissons are suitable.

CAISSONS _ Construction Diagram

Advantages:

  • Caissons are economic.
  • It is environment-friendly. There are slightly less sound pollution and reduced vibration.
  • It is easily adaptable to varying underwater soil conditions.
  • Caisson has high horizontal and lateral loading capacity.
  • Minimum handling equipment is required for placement of reinforcement cage.
  • It is sometimes used in types of soils where driving pile could not penetrate.
  • Caissons can be reached to great depths.
  • There is a direct and effortless way to go to the bottom of caissons to remove any kind of obstruction.
  • Quality control of pneumatic caisson is good as it is built on dry conditions.

Disadvantages:

  • The construction procedure is extremely sensitive and troublesome.
  • It is not good for polluted sites.
  • It needs expert engineers to design the construction.
  • There is lack of qualified workers.
  • The workers may suffer from giddiness, breaking of eardrums, bursting of blood vessels in the nose or ears and end up in paralytic death which is known as caisson disease.
  • As the pouring of concrete is done underwater, it may not be satisfactory.
  • The help of divers may be required.

COFFER DAM :

A cofferdam is a temporary structure designed to keep water and/or soil out of the excavation in which a bridge pier or other structure is built. When construction must take place below the water level, a cofferdam is built to give workers a dry work environment. Sheet piling is driven around the work site, seal concrete is placed into the bottom to prevent water from seeping in from underneath the sheet piling, and the water is pumped out.

The word “cofferdam” comes from “coffer” meaning box, in other words a dam in the shape of a box.

COMPONENTS :

  • Sheet piling
  • Bracing frame
  • Concrete seal
  • Bearing piles

ADVANTAGES :

  • Allows excavation and construction of structures in otherwise poor environment .
  • Provides safe environment to work
  • Contractors typically have design responsibility
  • Steel sheet piles are easily installed and removed
  • Materials can typically be reused on other projects

DIFFERENCE BETWEEN COOFER DAM AND CAISSONS :

Caissons are the permanent structures and also water tight boxes which act as a substructure in the main construction.

Where as cofferdams are also water tight boxes but these are temporary structures built during under water constructions.

Photo (All) – Google

Writer

Shanta Islam

Instructor

AIDT & Architecture Department

Daffodil Polytechnic Institute

brick-01

ইট

যে সকল সামগ্রী দিয়ে বিভিন্ন নির্মাণ কাজ করা হয় তাকে নির্মাণ সামগ্রী বলা হয়। ইট নির্মাণ সামগ্রীর একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণ সামগ্রী। ইট হল এক ধরনের ব্লক যা দেয়াল, ফুটপাথ এবং রাজমিস্ত্রির অন্যান্য উপাদান নির্মাণে ব্যবহৃত হয়। সাধারণ ইট পাঁচ প্রকার । যথা-  প্রথম শ্রেণীর ইট, দ্বিতীয় শ্রেণীর ইট, তৃতীয় শ্রেণীর ইট, জামা ইট, পিকেড জামা ইট। ইট সনাক্তকরণ পদ্ধতি:-

  • ১ম শ্রেণীর ইট সনাক্তকরণ পদ্ধতি:– ইটের সাইজ এবং রং সমরুপ হবে,সর্বত্র সমানভাবে পোড়ানো থাকে,পর¯পর আঘাত করলে পরিস্কার টন টন শব্দ হবে, কোন চির  বা ফাটল থাকবে না, তিন ফুট উপর থেকে একটি ইট আরেকটির উপর ফেলে দিলে সহজে ভাঙ্গে না, পানিতে ডুবালে শোষণ ক্ষমতা ১৫% বেশি হয় না।
  • ২য় শ্রেণীর ইট সনাক্তকরণ পদ্ধতি:- ইহা ১ম শ্রেণীর ইটের মতোই রং এবং শক্ত কিন্তু সাইজ এবং আকৃতি কিছুটা অসমান এবং ইটের তল অমসৃণ থাকে। ইট কম পোড়ানো থাকে, শব্দ তীক্ষè নয়,ইটরে গায়ে ফাটল থাকে,পানিতে ডুবালে শোষণ ক্ষমতা ১৫% বেশি হবে।
  • ৩য় শ্রেণীর ইট সনাক্তকরণ পদ্ধতি:- এই ইট পর্যাপ্ত পরিমাণে পোড়ানো থাকে না এবং গুণাগুণ নিম্নমানের, সহজে ভেঙে যায়, ঠন ঠন শব্দ হয় না,পানির শোষণ  ক্ষমতা ২৫% এর বেশি হবে।
  • ঝামা ইট:- অতিরিক্ত তাপে পোড়ানো ইট সাধারণত কালো এবং ফাঁপা থাকে। এই সকল ইটকে ঝামা ইট বলে।
  • পিকেড ইট:- ইহা সাধারণত বেশি তাপমাত্রায় পোড়ানো ইট যাহা ১ম শ্রেণীর ঝামা ইটৈর মধ্যবর্তী পর্যায়ে থাকে এই ধরনের ইটকে পিকেড ইট বলা হয় । ১ম শ্রেণীর ইটের চেয়ে অধিক তাপমাত্রায় পোড়ানো ইট । ১ম শ্রেণীর ইটের চেয়ে শক্ত ইট। ইটের আঘাতে তীক্ষè শব্দ হবে । ইট উপর থেকে ফেললে ভাঙ্গবে না। ইটের ধারগুলো আঁকাবাঁকা এবং পিঠাগুলো অসমতল হবে।

বিভিন্ন কাজে ইটের ব্যবহার । যথা- ১ম শ্রেণীর ইট- স্থায়ী নির্মাণ কাজে ।২য় ও ৩য় শ্রেণীর ইট- বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ এবং অস্থায়ী শেখ  নির্মাণ কাজে কিছুটা ব্যবহার করা হয়। পিকেড ইট- ইহা কনক্রিটের খোয়া তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়।

ফিল্ডে বা সাইডে ইটের গুণাগুণ পরীক্ষা:- একটি ইটকে আরেকটি ইট দিয়ে আঘাত করলে ভাল ইট ঠন ঠন শব্দ করে। দুইটি ইট হাতে নিয়ে ইংরেজি ঞ আকৃতিতে ৬ ফুট উঁচু হতে ফেললে ১ম শ্রেণীর ইট ভাঙ্গবে না। উওম ইটের গায়ে বা তলে হাত দিয়ে আচর কাটলে দাগ পড়বে না। অগ্নিপ্রতিরোধী হবে। একটি ইটকে পানিতে ভিজালে যদি বুদবুদ শব্দ সহকারে বেশ পরিমাণ পানি শোষণ করে নেয় এবং পানি ঘোলাটে হয় তাহলে উওম ইট নয়। ইট ভেঙ্গে টুকরা করা হলে ইটের টুকরা গুলোর রং দেখতে যদি একই রকম হয় তবে ভাল ইট।

উচিংলা মারমা

ইন্সট্রাক্টর

ডিপার্টমেন্ট অব সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং

ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।

The Storyteller-01

The Storyteller

Walter Benjamin, a German-Jewish critic, and philosopher overpraised the art of storytelling and its value more than anything. At the same time, he conveys his greatest disappointments by saying that with the passage of time, our distance from the storyteller is increasing, and the art of storytelling is coming to an end.            

Walter Benjamin, as a modernist writer, has a tendency to analyze the modern issue in older debates. In “The Storyteller” essay, he states modern situations like how the war, technological revolution(press), and the rise of “new information” are seizing past phenomena and wisdom. According to him, telling stories is a craft that is vanishing as the changes like industrialization and other in the society is taking place so rapidly that experience from the past has no effect on the present. Storytelling stems from experience. He quotes a German saying,” When someone goes on a trip, he has something to tell about.” To clarify this maxim, he points out that people enjoy stories from a man who has seen and experienced many things rather than a man who stays home leading an honest living. He glorifies the storytellers because they have counsel for their readers, and the counsel woven into the fabric of real life is wisdom. He shows his dissatisfaction with modern society as they regard having counsel as old-fashioned and also indicates the reason for this is the decrease of communicability of experience. He criticizes and also says that, except for storytelling, another genre like novels depends only on information based on books, not on wisdom. The novelist himself is uncounseled and can not counsel others. I sincerely oppose this statement. The novelists also are counseled and can counsel others. Everything like the place, people, life, birds, sky, weather, dialogues, history, culture, philosophy, and poetry, that creates emotions can tell stories. All these things are interconnected. For example, the essay “Rajbondir Jobanbondi” by Kazi Nazrul tells the story of a jailbird, derives emotions, and has the potential to absorb an audience.

On the other hand, Robindranath’s “Sesher Kobita” shows us life experiences, life stories, poetry, prose, and witty dialogues, and these are not “information” but the wisdom of the novelist. This shows that literature is the essence of the story. It also gives the right to the audience to interpret the story’s psychological terms according to their perspective. It does not inject any pressure or make them memorize information about protagonists or novelists. However, according to Benjamin, storytelling is only a skilled form of communication that directly does not convey information; instead, it lets the readers interpret the message according to their understanding, making its appearance unique. He specifically mentions the rise of information because of the availability of the newspaper or printing press surrounding us with enormous information, which is scary because no one knows what type of new information may appear, and it may harm the spirit of storytelling. However, this availability actually has helped people to spread knowledge and wisdom all over the world.

Finally, we can say that The storyteller essay is one of the finest essays by Benjamin, demonstrating his outstanding choice of words and intelligence though his idea is quite biased. This essay officiates the modern way of writing, which is a great article to read.

Zareen Tasneem

Instructor

Daffodil Polytechnic Institute