8_compressed

চায়না-বাংলাদেশ ইয়ুথ এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে অংশ নিলো ড্যাফোডিল পলিটেকনিকের ১৪ শিক্ষার্থী।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের তরুণ শিক্ষার্থীদের সক্ষমতা ও সম্ভাবনাকে তুলে ধরতে নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করেছে ড্যাফোডিল পলিটেকনিক। চীনের Sias University-তে China-Bangladesh Youth Exchange প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের সুযোগ পেলো ড্যাফোডিল পলিটেকনিকের ১৪ জন শিক্ষার্থী। ১১ থেকে ১৭ মে ২০২৬ পর্যন্ত ৭ দিন ব্যাপী অনুষ্ঠিতব্য এই প্রোগ্রামে শিক্ষার্থীরা Sias University-তে বিভিন্ন ওয়ার্কশপ, লিডারশিপ ক্যাম্প, সেমিনার, একাডেমিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে যুক্ত হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গ্লোবাল স্কিলস এবং কমিউনিকেশন দক্ষতা উন্নয়নে সাহায্য করবে। পাশপাশি বৈশ্বিক শিক্ষা ব্যবস্থা, ভিন্ন সংস্কৃতি এবং আধুনিক চিন্তাধারার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবে। International Youth Exchange Program শিক্ষার্থীদের গ্লোবাল এক্সপোজার বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের যোগাযোগ দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ এবং আন্তর্জাতিক পরিবেশে কাজ করার সক্ষমতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের গ্লোবাল এক্সপোজার বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রোগ্রাম, একাডেমিক এক্সচেঞ্জ এবং দক্ষতাভিত্তিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করে আসছে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, বরং নিজেদেরকে বিশ্বমানের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের আন্তর্জাতিক ইয়ুথ এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, নেতৃত্বগুণ বিকাশ, টিমওয়ার্ক দক্ষতা এবং আন্তর্জাতিক পরিবেশে কাজ করার সক্ষমতা উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। একই সঙ্গে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযোগ তৈরির মাধ্যমে ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা, স্কলারশিপ, বিশেষ ওয়েভার এবং আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার গঠনের নতুন সুযোগও সৃষ্টি হয়। ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট নিয়মিত শিক্ষার্থীদের জন্য এ ধরনের আন্তর্জাতিক প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করে আসছে, যা শিক্ষার্থীদের গ্লোবাল স্কিলস ও পেশাগত সক্ষমতা উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এই অর্জন শুধু ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের জন্য নয়, বরং বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষার জন্যও একটি গর্বের বিষয়। আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে দেশের শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে বাংলাদেশের তরুণরা এখন বৈশ্বিক পর্যায়ে নিজেদের দক্ষতা, মেধা ও সম্ভাবনা তুলে ধরতে প্রস্তুত।