fbpx

কারিগরি বৃত্তি মূলক শিক্ষায় নারী অগ্রাধিকার

দেশকে এগিয়ে নিতে কারিগরি শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই
May 30, 2019
job
কারিগরি শিক্ষায় পারদর্শী শিক্ষার্থীদের কোন চাকরির অভাব হয় না
May 30, 2019

কারিগরি বৃত্তি মূলক শিক্ষায় নারী অগ্রাধিকার

rasha

বাংলাদেশ এখন যে ভাবে অর্জনের একটা স্রোতের মধ্যে আছে। বাংলাদেশ যেভাবে উন্নয়নের মহা সড়কে উঠছে সেখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি আমাদের শিক্ষার চাহিদা সর্বস্তরে তৈরি হয়ে গেছে কিন্তু এখন যেহেতু আমাদের সময় এসেছে যে আমরা উন্নয়নের মহা সড়কে কিভাবে যাব কোন পথে দৌড়া বো সেখানে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে আমরা কি আসলে সবার শিক্ষার চাহিদা পুরন করে শুধু সাধারণ শিক্ষার গতিকে তরান্বিত করে আমরা শিক্ষিত বেকার তৈরি করব? নাকি আমরা কারিগরি দক্ষতা প্রযুক্তি শিক্ষা ইত্যাদির মধ্যে দিয়ে একটি দক্ষ জনশক্তি তৈরি করব যা একুশ শতকের উপযোগী আমাদের ভিসন ২০২১ এর স্বপ্ন পূরণের উপযোগী আমাদের মধ্যম আয়ের দেশে উন্নত দেশে ২০৪০ সালে যাওয়ার উপযোগী সেটা আমাদের ভেবে দেখার সময় এসেছে । বাংলাদেশ আজকে বিশ্বের অনেক যায়গায় অনেক দেশের রোল মডেল হয়ে গেছে উন্নয়নের দিক থেকে বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়নের দিক থেকে আমরা গর্ব করে বলি বাংলাদেশের নারী নেতৃত্বের ই শুধু না সর্ব ক্ষেত্রেই নারী নেতৃত্ব বিকাশীত হচ্ছে। আমরা দেখেছি বিশ্ব ক্রিকেট দরবারেও আমাদের নারী ক্রিকেট দল তাদের স্থান করে নিয়েছে এবং সেই জায়গা থেকে যদি বলি অর্জনের অনেক জায়গা আমরা প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক শিক্ষা ছেলে মেয়ে সমতা অর্জন করেছি এবং মেয়েরা এগুচ্ছে সর্বত্র শিক্ষার সর্বস্তরে নারীর পদচারনা এখন দৃশমান কিন্তু একটা যায়গায় আমরা এখনোও এগুতে পারি নাই সেটা হল কারিগরি ও বৃত্তিমুকক শিক্ষা এই যেখানে কারিগরি বৃত্তিমুলক শিক্ষায় ১০ বছর আগেও ১ শতাংশ আসত এবং নারীর সংখা ছিলইনা বলে সেখানে আজকে ১৪ শতাংশ লেখাপরা করছে কারিগরি শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠানে সেখানে কিন্তু নারীর অংশগ্রহণ মাত্র ৯ শতাংশ অন্যান্য ক্ষেত্রে যেখানে ৫০ শতাংশ পেরিয়ে গেছে প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক সেখানে কারিগরির এই নারীর অংশগ্রহণ অবশ্যই আর বাড়াতে হবে। সেখানে আমি সাধুবাত দিব সরকারকে সারকার ইতিবাচক নিতিমালা করে দিয়েছে কারিগরি শিক্ষা বান্দব পরিবেশ তৈরিতে সরকারের সকল প্রচেষ্টায় সকল প্রতিষ্ঠান কাজ করে যাচ্ছে কিন্তু যে যায়গায় আমরা হুঁচট খাচ্ছি চ্যালেঞ্জের মখমুখি হচ্ছি সেটা হল আমাদের সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বাকা চোখে দেখার একটা প্রবনতা আছে কাজেই আমাদের এখানে তিন ধরনের কাজ করার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। একটা হচ্ছে আমি বলব সরকারের দায়িত্ব সকল নাগরিকের জন্য শিক্ষা কর্মসংস্থানের জায়গা সৃষ্টি করে দেয়া সেই জায়গা থেকে সরকার কাজ করে চলেছে কিন্তু অভিবাবক হিসাবে দেশের সাধারণ নাগরিক হিসাবে এতবেশি কাজ করতে হবে এই যায়গায়, আমরা মনে করি এই সমাজে কারিগরি শিক্ষা শুধু চাহিদা তৈরিতে না নেতিবাচক দৃষ্টি ভঙ্গি টাকেও বদলানোর জন্য সবার কাজ করতে হবে। শিক্ষার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অনেক অর্জন আছে এখন একবিংস শতাব্দীতে দারিয়ে শুধু সাধারণ শিক্ষায় নিয়ে যাব নাকি বর্তমান আধুনিক প্রযুক্তির বর্তমান বিশ্বের চাহিদা অনুযায়ী যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলার অনুযায়ী আমরা শিক্ষিত দক্ষ জনশক্তি তৈরি করব সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় এসেছে আমরা কোন দিকে জাব এবং পৃথিবীর সরবত্রই কিন্তু কারিগরি শিক্ষার উপর জোর দিয়ে বড় বড় দেশ গুলা এগিয়েছে একটা প্রতিজ্ঞা বদ্দ হতে হবে এক সাথে কাজ করব দেশের জন্য দশের জন্য কারিগরি শিক্ষার বৃত্তি মুলক শিক্ষার উন্নয়নের জন্য সর্বোপরি শিক্ষার সারবিক উন্নয়ন্যের জন্য ।

 

ডা: রাশেদা কে চৌধুরী

Comments are closed.