fbpx

কেন শিক্ষার বিষয় হোটেল ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট?

kaykobad
“দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তথ্য প্রযুক্তি পৌঁছানোর মাধ্যম কারিগরি শিক্ষা”
May 16, 2019
Scholarship
ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থীদের মাঝে ৩৪ লক্ষ্য টাকার বিশ্ব ব্যাংকের বৃত্তি প্রদান
May 28, 2019

কেন শিক্ষার বিষয় হোটেল ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট?

torism

আপনি ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী, ব্যতিক্রমী এ বিষয়ে কেন পরতে এলেন?- এমন প্রশ্নের জবাবে ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইনিস্টিটিউট-এর শিক্ষার্থী সিমান্ত  বলেন, “আসলে আমার বড় ভাই যখন ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে উচ্চ শিক্ষার জন্যে দেশের বাইরে গেলেন, ঠিক তখন থেকেই আগ্রহটা জন্মায়। এমনকি এই বিষয়ে পড়ার জন্যে বিদেশে যাবার ইচ্ছাও ছিল আমার। তবে ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইনিস্টিটিউট এই বিষয়ে ৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা চালু হওয়ার সুযোগ হল আমার নিজ দেশে থেকে স্বপ্ন পূরণের”। আবার প্রশ্ন করি তাহলে কি দেশের বাইরে পড়তে যাচ্ছেন না? সিমান্ত বলল ‘উচ্চতর ডিগ্রির জন্যে হয়ত দেশের বাইরে যেতে পারি, তবে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে দেশেই ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্টে পড়ার সু্যোগ তৈরি হবার পর প্রকৃতপক্ষে উপকৃত হয়েছে শিক্ষার্থীরা’। একই বিভাগের শিক্ষার্থী ফারজানা বলেন, ‘পর্যটনশিল্পে অনেক সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশের। তাই দক্ষ জনশক্তি তৈরি হলে পর্যটনশিল্প সমৃদ্ধ হবে, আর  ঠিক এই কারনেই এই বিষয়ে পড়তে আসা’।

বর্তমান বিশ্বে ‘পর্যটন’ একটি বড় শিল্প হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। সমগ্র বিশ্বে এখন বছরে ১০০ কোটিরও বেশি পর্যটক নিজ দেশ থেকে আরেক দেশে যান ভ্রমণের নেশায়, নতুন কিছু দেখার আশায়, শেখার আশায়। মোট কথা, মানুষ ভ্রমণপ্রিয়। ভ্রমণে মানুষ রোজ খরচ করছেন প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা। পর্যটন হচ্ছে ‘বেসিক হিউম্যান ট্রেড’। এতে তেমন কোনো উৎপাদন খরচ নেই। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ কাজে লাগিয়ে ও দক্ষ প্রশিক্ষিত জনশক্তি দিয়ে সেবা দিতে পারলে পর্যটন একটি লাভজনক শিল্প হিসেবে দার করানো সম্ভব। এখানে প্রচুর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও হবে। ভবিষ্যতে পর্যটন থেকে প্রাপ্ত আয় অন্যান্য শিল্পকেও ছাড়িয়ে যাবে। ঠিক এমনটি জানালেন “ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইনিস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক “কে এম হাসান রিপন”।

 

ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট কিঃ

‘পর্যটনের সঙ্গে একান্তভাবে যে পড়াটির যোগসূত্র রয়েছে তাহল হোটেল ম্যানেজমেন্ট। বলা যায় আগামীর পেশা পর্যটন ও হোটেল ম্যানেজমেন্ট ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট হলো পর্যটন ও সেবাবিষয়ক প্রাকটিক্যাল জ্ঞানের পাঠ।ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট শুধু পর্যটন বা হোটেল ব্যবস্থাপনা নিয়েই সীমাবদ্ধ নয়; বরং একই সঙ্গে রাজনীতি, অর্থনীতি ও সংস্কৃতির সমন্বয় ঘটিয়ে কিভাবে এই শিল্পের উন্নয়ন করা যায় তা নিয়েও আলোচনা করা হয় এতে। এ ছাড়া দক্ষ জনশক্তি তৈরি করে পর্যটনশিল্প এগিয়ে নিতে সহায়তা করে ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট।

 

কেন পড়বেনঃ

বিশ্বের প্রতি ১১টি চাকরির মধ্যে ১টি পর্যটন শিল্পে হয়ে থাকে। জিডিপিতে অবদান ৬ শতাংশ। পর্যটন বিশেষজ্ঞরা তাদের গবেষনার দ্বারা ধারণা করছেন, ২০২০ সাল নাগাদ বিশ্ব পর্যটকের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ১৬০ কোটি। এই বিপুল সংখ্যক পর্যটকের ৭৩ শতাংশই ভ্রমণ করবেন এশিয়ার দেশগুলোতে। পর্যটন শিক্ষা শতভাগ কর্মমুখী শিক্ষা। বাংলাদেশে ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট অথবা হোটেল ম্যানেজমেন্ট বিষয়টি নতুন হলেও বিশ্বের অনেক দেশে বহু আগ থেকে তা পড়ানো হয়। অনেক দেশের ‘সোর্স অব ইনকাম’ পর্যটন। তাই ওইসব দেশে পর্যটন শিক্ষার বিকাশও হয়েছে বহু আগে।

সিঙ্গাপুরের জাতীয় আয়ের ৭৫ শতাংশই আসে পর্যটন থেকে। তাইওয়ানের জাতীয় আয়ের ৬৫ শতাংশ, হংকংয়ের ৫৫ শতাংশ ও থাইল্যান্ডের ৩০ শতাংশ পর্যটনের অবদান। স্বল্পোন্নত মালদ্বীপের অর্থনীতির প্রায় পুরোটাই পর্যটননির্ভর। বাংলাদেশেও পর্যটন শিল্প বিকাশের খুবই সম্ভাবনা রয়েছে। বিষয়টি উপলব্ধি করে সরকারিভাবে ১৯৯২ সালে পর্যটনকে শিল্প হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

উন্নত দেশগুলোর পাশাপাশি বাংলাদেশেও পর্যটন শিল্পের অনেক বিকাশ ঘটেছে। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৭টি পাঁচ তারকা এবং ৫টি চার তারকা বিশিষ্ট হোটেল ছাড়াও প্রায় অর্ধশত তিন তারকা বিশিষ্ট হোটেল রয়েছে। আর আগামী বছরে এর সংখ্যা আর বাড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বর্তমানে যে হারে পর্যটন শিল্পের অগ্রগতি হচ্ছে সেই সাথে বাড়ছেনা এই শিল্পে কাজ করার মত দক্ষ লোক। ফলে এই শিল্পে কাজ করার মত যোগ্য জনবলের অনেক স্বল্পতা দেখা দিচ্ছে। প্রচুর কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে এখানে।

আগামী দু’তিন বছরে দেশে আরও ৮ থেকে ৯টি ফাইভ স্টার হোটেল হবে। এর জন্য হোটেল ব্যবস্থাপনায় দক্ষ অন্তত ১০ থেকে ১২ হাজার লোকের প্রয়োজন হবে। এতে চাকরির বাজারে বিশাল শূন্যতা সৃষ্টি হচ্ছে। সেই শূন্যতা পূরণে বিদেশ থেকে দক্ষ লোক নিয়োগ দিতে হবে। ইতিমধ্যে দেশের বড় বড় হোটেলগুলোতে ভারত, শ্রীলংকা, চীনের লোকজন বড় বড় পজিশনে কাজ করছে। মেধাবীদের এই বিষয়ে পড়াশোনা করতে আরও বেশি আগ্রহী হতে হবে। এর ফলে তারাই আগামী দিনে পর্যটন শিল্পে নেতৃত্ব দেবে।

বর্তমানে বাংলাদেশের মোট জনশক্তির ২ দশমিক ৩ শতাংশ নিয়োজিত পর্যটন শিল্পে। প্রতি বছর দেশের পর্যটন শিল্পে কম করে হলেও ১ হাজার পর্যটনে ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের কাজের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। এর বিপরীতে মাত্র ৩শ’ দক্ষ জনশক্তি জব মার্কেটে ঢুকছে। আমাদের দেশীয় হোটেলগুলোতেও  ভালো সেবা দিতে পারছে না পর্যটনে শিক্ষিত পর্যাপ্ত লোকবল না থাকার কারণে।

 

কর্মক্ষেত্রঃ

বিশ্বায়নের জোয়ারে চাকরির বাজার এখন আর শুধু দেশেই সীমাবদ্ধ নয়, দেশের বাইরেও কাজের অবারিত সুযোগ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে হোটেল, মোটেল, হাসপাতাল, ট্র্যাভেল অ্যান্ড টুরিজম সংস্থা, এয়ারলাইন্স,শিপ, কাস্টমার কেয়ার সার্ভিস সেন্টার প্রভৃতি। সারা পৃথিবীতে অসংখ্য ফাইভ স্টার বা পাঁচতারা হোটেল রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে যদি একটি মাত্র হোটেলের আয়তনকে বিশ্লেষণ করা যায়, তাহলেই বুঝা যাবে কী বিপুল পরিমাণ কর্মীর দরকার হয় এরকম একটি হোটেল পরিচালনা করতে।

 

বিদেশের শ্রমবাজারে পর্যটন পড়ুয়াদের চাহিদা কেমনঃ

বর্তমানে বাংলাদেশের বহু লোক ইংল্যান্ড, ইতালি, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, আর মধ্যপ্রাচ্যে আরব আমিরাত, বাহরাইনসহ বহু দেশের হোটেলে কাজ করছে। তারা সেখানে এন্ট্রি লেভেলে জব করছে। কারণ তারা পর্যটনে পড়াশোনা করে কিংবা প্রশিক্ষণ নিয়ে সেসব দেশে যায়নি। ওইসব দেশে পর্যটনে শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর চাহিদা প্রচুর। ভারত, শ্রীলংকা ও চীনের লোকজন বিদেশের বড় বড় হোটেলগুলোতে লিডিং পজিশনে আছে। বাংলাদেশের পর্যটনে কারিগরি ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীরা যখন একাডেমিক পড়াশোনা শেষ করবে তখন তারা সেসব দেশে ভালো বেতনে কাজে যোগ দিতে পারবে। ইংল্যান্ডের ক্যাটারিং অ্যাসোসিয়েশন বলেছে, আগামী ৩ বছরে ইংল্যান্ডের বাজারে হোটেল ব্যবস্থাপনায় দক্ষ ১ লাখ লোকের দরকার হবে। বাংলাদেশের পর্যটনে কারিগরি ডিপ্লোমা বা স্নাতকধারী বা দক্ষ জনশক্তি সেখানে কাজের সুযোগ পাবে।

 

যারা পর্যটনে ডিপ্লোমা তারা চাকরির শুরুতে কেমন বেতন ভাতা পায়ঃ

শিক্ষানবীশদের বেতন ভাতা তো স্বভাবতই একটু কম হয়ে থাকে। তবে আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা শুরুতেই গড়ে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা পেয়ে থাকে। তবে কিছুটা অভিজ্ঞ হলে তারা বেশ ভালো বেতন পায়। একটি বিষয় বলা প্রয়োজন, দেশের সিংহভাগ হোটেলেই পর্যটনে ডিপ্লোমা করা বা শর্টকোর্স করা লোকজন এখন লিডিং পজিশনে। হোটেল ব্যবস্থাপনা বিশ্বমানের করতে হলে ট্যুরিজমে উচ্চ শিক্ষিত মানবসম্পদের গুরুত্ব অপরিহার্য। তাই দেশে দক্ষ কর্মীর স্বল্পতার কারনে  বেশি বেতনে বিদেশী লোকজন নিয়োগ দিতে হচ্ছে। ফলে দেশের সম্পদ বাইরে চলে যাচ্ছে।

কোথায় পড়বেনঃ

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (বিটিইবি) এর অধীনে ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইনিস্টিটিউট ২০১৮ সাল থেকে ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি টেকনোলোজিএর উপর ৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা প্রোগ্রাম পরিচালনা করে আসছে। ৪ বছর মেয়াদী কোর্সে ৮ টি পর্ব/সেমিষ্টার সম্পন্ন করতে হয়। সপ্তাহে ৬ দিন ক্লাশ অনুষ্ঠিত হয়। তাছাড়া এখানে শুধুমাত্র ডে-শিফট-এ ক্লাস হয়ে থাকে। ফলে শিক্ষার্থীরা পার্ট্ টাইম কাজ করার সুযোগ পায়।

কেন ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইনিস্টিটিউটঃ

ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইনিস্টিটিউট-এর ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি টেকনোলোজিএর কোর্স কারিকুলাম একটু ভিন্নভাবে সাজানো। শিক্ষার্থীদের চার বছরের শিক্ষাজীবনকে চারটি সেগমেন্টে ভাগ করা হয়। প্রথম সেগমেন্ট হচ্ছে রেগুলার বা নিয়মিত কোর্সের আওতাধীন পড়াশোনা, দ্বিতীয় সেগমেন্ট হচ্ছে কো-কারিকুলাম বা সহশিক্ষা কার্যক্রম, তৃতীয় সেগমেন্ট ল্যাব ও অন অ্যাকুকেশন ট্রেনিং এবং চতুর্থ সেগমেন্ট হচ্ছে ক্যারিয়ার। এ চারটি সেগমেন্টের ভেতর দিয়ে একজন শিক্ষার্থীকে ডিপ্লোমা সম্পন্ন করতে হয় বলে তার পক্ষে কর্মজীবনের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ রূপে গড়ে ওঠা ছাড়া বিকল্প থাকে না।

এই কোর্সের শিক্ষার্থীদের যেসব বিষয়ে প্রাথমিকভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, তার মধ্যে রয়েছে-

মানুষের সঙ্গে খুব সহজেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করার ক্ষমতা, হসপিটালিটি ইন্ডাস্ট্রিতে তথ্যপ্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার, কর্মক্ষেত্রে বিভিন্নরকম চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার উপায়, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো, পার্সোনালিটি ডেভেলপমেন্ট, শৃঙ্খলাবোধ, সৃজনশীলতা

তাছাড়া ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইনিস্টিটিউট-এর উপদেষ্টা কে এম হাসান রিপন বলেন, আমাদের নিজস্ব হাউস কিপিং ল্যাব রয়েছে এবং সার্ভিস ল্যাব রয়েছে, যা নিশ্চিত করে শিক্ষার্থীদের হাতে কলমে শিক্ষা। ফলে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন করতে পারছে। এছাড়া দুই বছর পর অন অ্যাডুকেশন পোগ্রামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কোনো না কোনো হোটেল, রিসোর্ট কিংবা পর্যটন প্রতিষ্ঠানে চার মাসের জন্য ইন্টার্নশিপ করতে হয়। এ ছাড়া চার বছর পর পূর্ণাঙ্গ ইন্টার্নশিপ তো আছেই। এখানে পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের নেতৃত্বগুণ ও নানা বিষয়ে দক্ষতা বাড়ানোর জন্য প্রচুর সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেয়ার সুযোগ রয়েছে। সবচেয়ে বড় সুযোগ হচ্ছে, শিক্ষার্থী বিনিময় প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতি বছরই দেশের বাইরের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়তে যাওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়।

আর এসব কারণেই ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইনিস্টিটিউটট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি টেকনোলোজি বিষয়ে শিক্ষার্থীরা ভর্তি হয়।

যোগ্যতাঃ

এসএসসি-তে সিজিপিএ-২.০০ সহ যেকোনো বিভাগ থেকে ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইনিস্টিটিউট-এ এই কোর্সে ভর্তির জন্যে আবেদন করে ভর্তি হতে পারবে।

যোগাযোগঃ

ভর্তির যাবতীয় তথ্য পেতে ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইনিস্টিটিউট,বাড়ি ২বি, রোড নং-১২, মিরপুর রোড, ধানমণ্ডি, ঢাকা ১২০৭ এই ঠিকানায় যোগাযোগ করতে হবে।

টেলিফোন নম্বর : +৮৮-০২-৫৮ ১৫১ ০৮৭, ইমেইলঃ ac@bsdi-bd.org

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *